আগস্ট ০৩, ২০২০ ০৬:২১ Asia/Dhaka

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি সম্প্রতি পারস্য উপসাগরে তিনদিনব্যাপী বিশাল সামরিক মহড়া চালিয়েছে। মহানবী (সা.)-১৪ নামের এ মহড়ায় একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর ডামি ব্যবহার করেছে আইআরজিসি।

ওই ডামিকে সত্যিকার মার্কিন রণতরী হিসেবে ধরে নিয়ে সেটির ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। কিন্তু হামলায় কল্পিত মার্কিন রণতরীটি (ডামি) ধ্বংস হয়নি বা ডুবে যায়নি। তাহলে কি ইরানের পক্ষে মার্কিন রণতরী ডুবিয়ে দেয়া সম্ভব নয়? যে কারণে এত অর্থ খরচ করে এত বিশাল আয়োজন করা হলো তা কি তাহলে ব্যর্থ হয়েছে? নানা মহল থেকে এমন প্রশ্ন ওঠার পর রোববার এসব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন আইআরজিসি’র মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রামেজান শারিফ।

আইআরজিসি’র মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল রামেজান শারিফ

তিনি বলেন, একই মাত্রার হামলায় ডামি রণতরীর তুলনায় আসল রণতরী অনেক বেশি ক্ষতির শিকার হয়।কারণ, ডামি যুদ্ধজাহাজে কোনো কিছু বহন করা হয় না। কিন্তু আসল রণতরীতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র, বোমা, ক্ষেপণাস্ত্র ও জ্বালানীসহ অন্যান্য দাহ্য পদার্থ থাকে। ফলে একটি মাত্র ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলার ধাক্কা সামলানো এসব রণতরীর পক্ষে সম্ভব হয় না বরং এ ধরনের হামলায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে সেগুলো ধ্বংস হয়ে যায়।

জেনারেল শারিফ মার্কিন রণতারীর ডামি ধ্বংস না হওয়ার আরো একটি কারণ উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ডামি রণতরী হলেও এটি তৈরি করতে প্রচুর অর্থ খরচ হয়েছে যা একটি হামলায় ডুবিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা শুরু থেকেই আইআরজিসি’র ছিল না। ভবিষ্যতে এ ধরনের আরো বহু মহড়ায় ব্যবহার করার জন্য কল্পিত রণতরীটি অক্ষত রাখা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।#

পার্সটুডে/এমএমআই/৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

ট্যাগ

মন্তব্য