সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২০ ১৩:১১ Asia/Dhaka
  • ‘ব্যতিক্রম শুধু রেডিও তেহরান’

আসসালামু আলাইকুম। রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগের সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি। কালের গর্ভে হারিয়ে গেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বেতার কেন্দ্র। হারিয়েছে শ্রোতা। আধুনিক যুগের মিডিয়ার সাথে তাল মেলাতে গিয়ে পিছিয়ে পড়েছে রেডিও।

ব্যতিক্রম শুধু রেডিও তেহরান। শ্রোতা সংখ্যা কমলেও এখনও আন্তর্জাতিক বেতারের মধ্য বাংলাদেশ ও ভারতে শর্টওয়েভ রেডিওর শ্রোতার সংখ্যা রেডিও তেহরানেরই বেশি। অন্য একটি আন্তর্জাতিক বেতার শ্রোতা সংখ্যার দিক থেকে এগিয়ে আছে তাদের এফএম সম্প্রচার ব্যবস্থার কারণে।

রেডিও তেহরানের শ্রোতা সংখ্যা অকল্পনীয় সংখ্যায় বেশি হওয়ার কথা তাদের অনুষ্ঠানের মান, বিষয় ও বস্তুনিষ্ঠতার কারণে। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলছে। প্রায় ৩ বছরের মনিটরিং অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি, শ্রোতাদের কানে সুন্দর শ্রবণমান না পৌছানোই প্রধান কারণ যাতে শ্রোতা কমে গেছে। এ নিয়ে শ্রোতাদের সাথে বাকবিতণ্ডাও কম হয়নি। তারা এফএম প্রচারের দাবি করে যা আমার কাছে যৌক্তিক মনে হয়।

দ্বিতীয়ত: শ্রোতাদের মূল্যায়ন। শ্রোতাদের মূল্যায়নের বিষয়টি সংক্ষেপে বলতে গেলে, কুইজ আয়োজন, উপহার পাঠানো, শ্রোতা সম্মেলনের আয়োজন, শ্রোতাদের লেখা ওয়েবসাইটে প্রকাশ ইত্যাদি। রেডিও তেহরানকে ধন্যবাদ যে, ইতিমধ্যে এসব দাবির কিছু কিছু পূরণ হয়েছে।

ইরান এক ঐতিহ্যের নাম, ন্যায়ের নাম, অন্যায়র বিরুদ্ধে সংগ্রামের নাম। পাশাপাশি সঠিক ইসলামকে চেনার পথের নাম রেডিও তেহরান। ছিলাম, আছি, থাকব রেডিও তেহরানের সাথে, এই কামনা ব্যক্ত করে আজকের মত বিদায় নিলাম। খোদা হাফেজ।

 

ফিরোজ আলম

প্রভাষক (পদার্থ বিজ্ঞান), সফিউদ্দিন সরকার একাডেমী এন্ড কলেজ।

টঙ্গী, গাজীপুর, বাংলাদেশ।

 

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

 

ট্যাগ

মন্তব্য