অক্টোবর ২৯, ২০২০ ০৯:১৯ Asia/Dhaka
  • ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী
    ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স)-কে অবমাননা করার বিষয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন যে অবস্থান নিয়েছেন তার ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দেশটির তরুণ সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

সর্বোচ্চ নেতা ফরাসি তরুণদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, “আপনারা আপনাদের প্রেসিডেন্টকে জিজ্ঞেস করুন কেন তিনি একজন আল্লাহর রাসূলকে অবমাননা করার পক্ষে অবস্থান নিলেন?” সর্বোচ্চ নেতা বলেন ফ্রান্সের তরুণদের উচিত তাদের প্রেসিডেন্টকে জিজ্ঞেস করা যে বাকস্বাধীনতা আর আল্লাহর রাসূল এবং একজন পবিত্র মানুষকে অবমাননা করা কি সমান বিষয়?

ম্যাকরনের বক্তব্যের পর তার বিরুদ্ধে সারা বিশ্বে প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে

গতকাল (বুধবার) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সর্বোচ্চ নেতা এসব কথা বলেন। তিনি আরো বলে, ফ্রান্সের যেসব মানুষ ম্যাক্রনকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেছেন ম্যাক্রন সেই সব মানুষকে তার এই বোকামিপূর্ণ কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মূলত অপমান করেছেন।

সর্বোচ্চ নেতা অন্য এক টুইটার বার্তায় ফরাসি তরুণদের উদ্দেশে বলেন, "আপনারা আপনাদের প্রেসিডেন্টকে আরো জিজ্ঝেস করুন কেন হলোকাস্ট নিয়ে প্রশ্ন তোলা বা সন্দেহ পোষণ করা অপরাধ? জিজ্ঞেস করুন- কেন হলোকাস্ট নিয়ে প্রশ্ন তুললে কারাগারে যেতে হয় আর নবী (স)-কে অপমান করা অনুমোদিত?"

সম্প্রতি স্যামুয়েল প্যাটি নামে ফ্রান্সের একজন স্কুল শিক্ষক ক্লাসরুমে বাকস্বাধীনতার নামে মহানবী (স)’র একটি ব্যঙ্গাত্মক কার্টুন প্রদর্শন করে। এরপর ১৮ বছর বয়সী এক চেচেন তরুণ ওই শিক্ষককে হত্যা করে। এ ঘটনাকে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন ইসলামের সংকট বলে উল্লেখ করে বলেন, সারা বিশ্বে ইসলাম এখন সংকটের মধ্যে রয়েছে।

তিনি প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন যে, এই ধরনের কার্টুন ছাপানো ফ্রান্সে কখনোই বন্ধ হবে না। পাশাপাশি তিনি একথাও বলেন, যে তরুণ ফ্রান্সের ওই শিক্ষককে হত্যা করেছে সে মূলত উগ্রবাদের কারণে নয় বরং তার ঈমানের অংশ হিসেবে এটি করেছে। ইমানুয়েল ম্যাক্রন এ সমস্ত কথা বলে মূলত ইসলাম এবং পুরো মুসলিম বিশ্বকে অপমানিত করেছেন। তার এই বক্তব্যের পর মুসলিম বিশ্বে নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে।#

পার্সটুডে/এসআইবি/২৯

ট্যাগ

মন্তব্য