জুলাই ০২, ২০২১ ০৫:৫৯ Asia/Dhaka
  • বুধবার রেউনিওঁ দ্বীপে ফ্রান্সের নৌবাহিনীর প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তার ইরানি সমকক্ষ খানজাদি
    বুধবার রেউনিওঁ দ্বীপে ফ্রান্সের নৌবাহিনীর প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তার ইরানি সমকক্ষ খানজাদি

ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল হোসেইন খানজাদি পারস্য উপসাগর থেকে সব বহিঃশক্তি বিশেষ করে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বিদেশি সেনা উপস্থিতি এ অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে।

তিনি ভারত মহাসাগরে অবস্থিত ফ্রান্সের রেউনিওঁ দ্বীপে ফরাসি নৌবাহিনীর কমান্ডার অ্যাডমিরাল পিয়েরে ভ্যান্ডিয়ারের সঙ্গে এক বৈঠকে এ আহ্বান জানান। ভারত মহাসাগরীয় নৌ সিম্পোজিয়ামের অবকাশে বুধবার ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

অ্যাডমিরাল খানজাদি বলেন, “পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগর দীর্ঘকাল ধরে একটি স্থিতিশীল অঞ্চল হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসলেও বিগত বছরগুলোতে বহিঃশক্তির উপস্থিতির কারণে এখানে উত্তেজনা ও অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। বিশেষ করে মার্কিন সেনা উপস্থিতির কারণে পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর নৌবাহিনীগুলোর মধ্যে সংলাপ ও সহযোগিতা প্রতিষ্ঠা করা যাচ্ছে না।”

ইরানের নৌ কমান্ডার বলেন, বর্তমানে ফ্রান্সসহ আমেরিকা ও ইউরোপীয় দেশগুলোর রণতারী পারস্য উপসাগরে অবস্থান করছে। তবে ইরান এসব রণতরী ও এ অঞ্চলে মোতায়েন বিদেশি সেনাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণে রেখেছে। অ্যাডমিরাল খানজাদি বলেন, পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা একমাত্র এ অঞ্চলের দেশগুলোর মাধ্যমেই নিশ্চিত করা সম্ভব; অন্য কোনো উপায়ে নয়।

বৈঠকে ফরাসি নৌবাহিনীর কমান্ডার ইরানের নৌবাহিনীর সঙ্গে তার বাহিনীর যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য পারস্য উপসাগরে বিপুল সংখ্যক সেনা পাঠাতে ফ্রান্সের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন। কিন্তু প্যারিস সে আহ্বানে সাড়া দেয়নি।

অ্যাডমিরাল পিয়েরে ভ্যান্ডিয়ারে দাবি করেন, পারস্য উপসাগরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ওই অঞ্চলে ইউরোপীয় সেনা মোতায়েন রাখা জরুরি। তিনি বলেন, “তবে আমরা পারস্য উপসাগরে কখনোই কোনো মার্কিন সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণ করিনি।”#

পার্সটুডে/এমএমআই/২

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

 

ট্যাগ