জুলাই ৩১, ২০২১ ১৬:৪৮ Asia/Dhaka
  •  'দুই কন্যার আত্মতৃপ্তির চোখ দেখেই বুঝতে পারি রংধনু আসর শিশুদের কত প্রিয়!'

মহাশয়, আশরাফুর রহমানের গ্রন্থনায় গাজী আব্দুর রশিদ এবং আক্তার জাহানের সুমিষ্ট কণ্ঠে উপস্থাপিত ২৯ জুলাইয়ের রংধনু অনুষ্ঠানটি এককথায় ছিল অনবদ্য। রংধনু অনুষ্ঠানে শিশু-কিশোররা কেমন মুগ্ধ হয়ে যায় তা নিজের বাড়ির অষ্টাদশী কন্যা বিনীতা সান্যাল এবং ৯ বছরের কন্যা বনসারি সান্যালের আত্মতৃপ্তির চোখ দেখেই বুঝতে পারি।

কিন্তু শিশু-কিশোরদের পাশাপাশি আমার মতো ৫২ উত্তীর্ণ বয়স্কদেরও কিভাবে শিশু-কিশোরে পরিণত করে তার আত্মোপলব্ধি কথা কী আর বলব! ফিরে যাই সেই ছোট্ট বেলায়---------। ভালো লাগে সমগ্র অনুষ্ঠানমালা। গোগ্রাসে গ্রাস করি সমগ্র অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠান চলাকালে কোনো কাজ, ছেলেমেয়েদের পড়াশোনা, স্বজনপ্রীতি, বন্ধুবান্ধব তথা সমস্ত জগৎ সাময়িক বন্ধ থাকে। অনুষ্ঠান শেষে আবার ফিরে আসি স্বাভাবিক জীবনে।

 ২৯জুলাইয়ের অনুষ্ঠান থেকে জানতে পারি- হিংসুটে পরশ্রীকাতর লোকেরা সম্পদ ও সুনাম অর্জনের জন্য তারা সবসময় ফন্দি ফিকির ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয় কিংবা প্রতারণার আশ্রয় নেয়। পরশ্রীকাতর ও হিংসুটে লোকের পরিণতি সম্পর্কে ঐতিহাসিক ঘটনা শোনানো হল তা শুধু শ্রুতি মধুর ছিল না, তা ছিল যেমন শিক্ষণীয় তেমনি আকর্ষণীয়। পরশ্রীকাতর ধূর্ত কবি মুয়িজ্জীর কেমন পরিণতি হলো তা দারুণভাবে বোঝা গেল।

শুধু মজাদার গল্প নয়, গল্পের শেষে গল্পের নীতিকথা তুলে ধরে যেভাবে বিষয়টিকে শিক্ষণীয় করে তোলা হয় তা শিশু-কিশোরদের জ্ঞানের বিকাশে বিশেষ অবদান রাখে। ২৯ জুলাইয়ের অনুষ্ঠানে রাজদরবারে ধূর্ত কবির গল্পর পাশাপাশি নুমান আব্দুর রহিমের লেখা মতিউর রহমানের সুরে শিশু শিল্পী হুমায়রা আফরিন ইরা ও নুসরাত জেরিনের কণ্ঠে হামদে এলাহী দারুণ উপভোগ্য ছিল। ধন্যবাদ আশরাফুর রহমানকে এমন সুন্দর অনুষ্ঠান গ্রন্থনা করবার জন্য।

 

ধন্যবাদান্তে

বিধান চন্দ্র সান্যাল

ঢাকা কলোনী, বালুরঘাট, দক্ষিণ দিনাজপুর, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।

 

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৩১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন। 

ট্যাগ