জুন ২০, ২০২২ ১৬:২৮ Asia/Dhaka
  • 'আমার দৃষ্টিতে কুরআনের আলো রেডিও তেহরানের সেরা অনুষ্ঠান'

জনাব, আমার অনেক অনেক প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানবেন। রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগ থেকে ১৫ জুন, বুধবার প্রচারিত অনুষ্ঠানগুলো হল- বিশ্বসংবাদ, দৃষ্টিপাত, স্বাস্থ্যকথা, কথাবার্তা ও কুরআনের আলো। এসব অনুষ্ঠানের মধ্যে কুরআনের আলো আমাদের খুব ভালো লেগেছে।

নিঃসন্দেহে ‘কুরআনের আলো’ রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগের সবচেয়ে সেরা অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআনের তেলাওয়াত, তেলাওয়াতকৃত অংশের তরজমা ও বিশ্লেষণ প্রচারিত হয়। মুসলমানদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ পবিত্র কুরআন শরিফ, আর এটি পাঠ করা আমাদের জন্য অবশ্য কর্তব্য। অবশ্য কর্তব্য অর্থবুঝে পাঠ করা। কিন্তু আমরা বাংলাভাষী মুসলমানেরা আরবি পাঠ করতে পারলেও অনেকেই অর্থ বুঝি না। ফলে কুরআনের প্রকৃত মর্ম অনুধাবন করা সম্ভব হয়ে উঠে না।

আমাদের এ দূরাবস্থা দূরকরণে এগিয়ে এসেছে রেডিও তেহরান। দীর্ঘদিন ধরে প্রতি বুধবারে প্রচার করছে 'কুরআনের আলো' শীর্ষক অনুষ্ঠান। এর ফলে আমরা শ্রোতারা কুরআনের সুন্দর তেলাওয়াত শোনার সুযোগ পাচ্ছি, সুযোগ পাচ্ছি তেলাওয়াতকৃত আয়াতের অর্থ ও তাৎপর্য জানার। আবার ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞান বৃদ্ধির সাথে সাথে সওয়াবের অংশীদার হওয়ারও সুযোগ হচ্ছে। তাই আমার দৃষ্টিতে কুরআনের আলো রেডিও তেহরানের সেরা অনুষ্ঠান।

 ১৫ জুন কুরআনের আলোর উপস্থাপনায় ছিলেন আকতার জাহান ও সোহেল আহমেদ। আজ এতে সূরা তুরের ৩২ থেকে ৪০ নম্বর পর্যন্ত আয়াতের তেরাওয়াত, তরজমা ও বিশ্লেষণ প্রচারিত হয়।

এ অনুষ্ঠান থেকে আমরা কাফেরদের কর্তৃক মহানবী (সা.) সম্পর্কে ভুল বক্তব্য প্রদানের বিষয়ে জানতে পারি। এসব কাফেররা ইমান আনতে চায় না বলে নিজেদের মনগড়া কথা প্রচারে স্বচেষ্ট হয়। অথচ তারা মহানবী (সা.) এর মত অনুরূপ কোন আয়াত সৃষ্টি করতে সমর্থ নয়। আসলে আল্লাহর বাণী অস্বীকার করার মাধ্যমে কাফেররা তাদের নিজেদের দৈন্যতাই প্রকাশ করে।

উক্ত অনুষ্ঠানে আরো আলোচনা করা হয় যে, রাসুল (সা.) এর বিরুদ্ধাচরণকারীরা সীমিত জ্ঞানের অধিকারী। কত ক্ষুদ্র জ্ঞান নিয়ে তারা মহানবী (সা.) এর বিরুদ্ধাচরণ করছে। আসলে যেসব কাফেরেরা আল্লাহর প্রতি অপবাদ দিতে কুণ্ঠিত হয় না, তারা রাসুল (সা.) এর অপবাদ দিতেও বিন্দুমাত্র কুণ্ঠিত হবে না।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে এ আয়াতগুলো তাৎপর্য আরো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেননা সম্প্রতি ভারতের হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের কিছু নেতা-নেত্রী আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সম্পর্কে কটুক্তি করেছেন। মহান আল্লাহ আজ থেকে চৌদ্দশত বছর আগে পবিত্র কুরআনের মাধ্যমে, তাঁর প্রিয় বন্ধুর মাধ্যমে এসব কটুক্তিকারী সম্পর্কে আমাদের সতর্ক ও সচেতন করেছেন। সুবহানাল্লাহ। আল্লাহ মহান ও সর্বজ্ঞাত। আমরা শুধু তাঁরই অনুগত্য স্বীকার করব।      

 

ধন্যবাদান্তে,

শরিফা আক্তার পান্না

(অর্থ-সম্পাদক, আইআরআইবি ফ্যান ক্লাব, কিশোরগঞ্জ)

ছায়াপ্রস্থ, ২০৬/১ খড়ম পট্টি, কিশোরগঞ্জ-২৩০০, বাংলাদেশ।

 

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২০

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

ট্যাগ