সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২২ ১৭:১৬ Asia/Dhaka
  • ইমাম হোসেইন (আ) এর মাজারে সমবেত ভক্তরা
    ইমাম হোসেইন (আ) এর মাজারে সমবেত ভক্তরা

মহানবী হযরত মুহাম্মাদ (স)’র প্রিয় নাতি এবং শিয়া মুসলমানদের তৃতীয় ইমাম হযরত ইমাম হোসেইন (আ) এর শাহাদাত বার্ষিকীর ৪০তম দিনে শোকানুষ্ঠান পালন করছেন কোটি কোটি অনুরাগী ও শোকার্ত মুসলমান।

এ উপলক্ষে নারী, পুরুষ, শিশু, বৃদ্ধ নির্বিশেষে অন্তত দুই কোটি মুসলমান ইরাকের পবিত্র কারবালা নগরীতে সমবেত হন। আজ (শনিবার) এ সমস্ত শিয়া মুসলমানসহ বিভিন্ন মুসলিম মাজহাবের অনুসারীরা কালো কাপড় পরে ইমাম ইমাম হোসেইনের পবিত্র মাজার এলাকায় শোকানুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে প্রায় সপ্তাহব্যাপী এ সমস্ত মুসলমান কারবালা নগরীতে শোক মিছিল করেছেন। আরবি সফর মাসের বিশ তারিখ মহানবীর (সা) ছোট নাতি বেহেশতি যুবকদের অন্যতম সর্দারের শাহাদাত বার্ষিকীর চেহলাম পালন করা হয়। ইরাকে এ উপলক্ষে আগামীকাল সরকারি ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। 

কারবালা অভিমুখী মানুষের ঢল

বার্ষিক এই শোকানুষ্ঠান উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় বিশ মিলিয়ন মুসলমান ইরাকের পবিত্র কয়েকটি শহরে সমবেত হয়েছেন যাদের মধ্যে বেশিরভাগই শিয়া মুসলমান। তাদের অনেকেই ইরাকের পবিত্র শহর নাজাফ থেকে ৮০ কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে কারবালা নগরীতে যান। নাজাফে রয়েছে হযরত আলী (আ.)'র পবিত্র মাজার। ইমাম হোসেনের শাহাদাত বার্ষিকীর ৪০তম দিনে এ সমস্ত ভক্ত-অনুরাগীরা ইমাম হোসেনের প্রতি ভালোবাসা এবং শ্রদ্ধা জানিয়ে আরবাইন বা চেহলাম অনুষ্ঠানের শেষ পর্ব তথা জিয়ারতে আরবাইন পাঠের সমাবেশে যোগদান করবেন।

ইমাম হোসেনের শাহাদাতের চেহলাম বা আরবাইন-বার্ষিকীর সমাবেশ ও পদযাত্রা এখন সারা বিশ্বের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। তবে গত দুই বছর করোনা মহামারীর কারণে বার্ষিক এই বৃহত্তম জমায়েতে লোকজনের উপস্থিতি কিছুটা কম ছিল। আরবাঈনে যোগ দিতে আসা মুসলমানদের বিভিন্ন সংগঠন এবং সংস্থা বিনামূল্যে খাবার-দাবার, চিকিৎসা এবং থাকার ব্যবস্থা করে থাকে।

গত বুধবার ইরান সরকার জানিয়েছে, চলতি বছর ইরান থেকে ৩০ লাখের বেশি মানুষ আরবাইন উপলক্ষে পবিত্র কারবালা শহরে উপস্থিত হয়েছেন।#

পার্সটুডে/এসআইবি/১৭

ট্যাগ