২০১৯-১০-২০ ১৩:০৫ বাংলাদেশ সময়
  • মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও (মাঝে), মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড বামে ও  ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কথা বলছেন
    মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও (মাঝে), মার্কিন রাষ্ট্রদূত ডেভিড বামে ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু কথা বলছেন

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও বলেছেন, সিরিয়ার ভেতরে তৎপরতা চালানো এবং সেখানে অভিযান চালানোর স্বাধীনতা ইহুদিবাদী ইসরাইলের মৌলিক অধিকার।

তিনি আরো বলেছেন, সিরিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করা সত্ত্বেও ইরাক ও সিরিয়ার সীমান্তে আমেরিকা গভীরভাবে দৃষ্টি রাখবে। জেরুজালেম পোস্ট পত্রিকাকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে মাইক পম্পেও এসব কথা বলেছেন।  মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার ভাষায় বলেন, “ইসরাইলের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সিরিয়ার ভেতরে কাজ করার অধিকার তেল আবিবের রয়েছে। এটি শুধু কোনো জাতিরাষ্ট্রের অধিকারই নয় বরং এটি করতে যেকোনো রাষ্ট্র বাধ্য।”

ইহুদিবাদী ইসরাইলের যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে দুই ঘণ্টা বৈঠকের পর জেরুজালেমকে ওই সাক্ষাৎকার দেন। নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠকে মাইক পম্পেও সিরিয়ার পরিস্থিতি এবং তাদের ভাষায় সিরিয়ায় ইরানের বিরক্তিকর আচরণ মোকাবেলার বিষয় নিয়ে তারা আলোচনা করেন।

সিরিয়ায় পায়ই ইসরাইল ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলা চালায় (ফাইল ফটো)

সিরিয়া থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করে নেয়ার পর ইসরাইলের রাজনৈতিক নেতারা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন এই ভেবে যে, এতে সিরিয়ায় ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের অবস্থান শক্তিশালী হবে। সাক্ষাৎকারে মাইক পম্পেও বলেন, “ইরানের জনগণের খেয়াল করা উচিত যে, আমেরিকার আগের প্রশাসন এবং বর্তমান প্রশাসন পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে কী ধরনের পরিবর্তন এনেছে। তাদের দেখা দরকার যে, ইরানের বিরুদ্ধে এযাবৎকালের সবচেয়ে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে আমেরিকা যার ফলে আগামী দুই বছরে ইরানের অর্থনীতি শতকরা ১২ ভাগ কমে যাবে। এটি অনেক বড় পদক্ষেপ।”

ইরাক এবং সিরিয়ায় উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর দায়েশের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য দেশ দুটির সরকারি বাহিনীকে ইরানের সামরিক উপদেষ্টা সহযোগিতা দিয়ে আসছেন। অন্যদিকে, উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে ইসরাইল এবং পারস্য উপসাগরীয় কয়েকটি আরব দেশ সহযোগিতা দিচ্ছে।#

পার্সটুডে/এসআইবি/২০

ট্যাগ

মন্তব্য