মে ১২, ২০২১ ০৫:৩৮ Asia/Dhaka
  • তেল আবিবে মঙ্গলবার রাতে হামাসের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও গাড়ি
    তেল আবিবে মঙ্গলবার রাতে হামাসের ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক ও গাড়ি

ইহুদিবাদী ইসরাইলের নৃশংস দমন অভিযানের জবাবে এই অবৈধ রাষ্ট্রের রাজধানী তেল আবিবে নজিরবিহীন রকেট হামলা চালিয়েছে গাজা-ভিত্তিক ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগ্রামীরা।মঙ্গলবার রাতে তেল আবিবকে লক্ষ্য করে তারা অন্তত ১৩০টি রকেট নিক্ষেপ করেছে।

গাজা থেকে তেল আবিবের দূরত্ব প্রায় ৯৩ কিলোমিটার এবং ইসরাইলের এত গভীর অভ্যন্তরের লক্ষ্যবস্তুতে এত বিপুল সংখ্যক রকেট নিক্ষেপের ঘটনা এই প্রথম।

সোমবার রাত থেকে এ পর্যন্ত গাজা থেকে ইসরাইল অভিমুখে কমপক্ষে ৪০০ রকেট নিক্ষেপ করা হয়েছে। ফিলিস্তিনি সংগ্রামীদের এসব রকেট হামলায় অন্তত চার ইসরাইলি নিহত ও শতাধিক ইহুদিবাদী আহত হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে তেল আবিব অভিমুখে ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ও ইসলামি জিহাদের রকেট বৃষ্টি শুরু হলে গোটা নগরী ও এর আশপাশের এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সাইরেনের বিকট শব্দ শুনে মানুষ ছোটাছুটি করে ভূগর্ভস্থ আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে চলে যায়।

গাজা থেকে ইসরাইল অভিমুখে ছুটছে রকেটের বৃষ্টি

হামাস এক বিবৃতিতে বলেছে, “আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছি…গাজার আবাসিক এলাকায় শত্রুর হামলার জবাবে আমরা তেল আবিব ও এর আশপাশে ১৩০টি রকেট দিয়ে এ যাবতকালের মতো বৃহত্তম হামলা চালিয়েছি।"

হামাস বলেছে, তারা মাত্র ৫ মিনিটে ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলীয় আশকেলন শহর ও বন্দরনগরী এশদুদে ১৩৭টি রকেট নিক্ষেপ করেছে। সংগঠনটি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, ইহুদিবাদী ইসরাইল তার আগ্রাসন বন্ধ না করলে তার জন্য ‘আরো বিস্ময় অপেক্ষা করছে।’

ইসরাইলি সূত্রগুলো তেল আবিবের বেন গোরিয়েন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সাময়িক বন্ধ ঘোষণা করার খবর দিয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে যাতে ফিলিস্তিনি রকেট প্রতিহত করা যায় সেজন্য এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে বলে সূত্রগুলো দাবি করেছে। তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে ফিলিস্তিনিদের বেশিরভাগ রকেটই ধ্বংস করা সম্ভব হচ্ছে না বরং তার বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানছে।

এদিকে, ইহুদিবাদী ইসরাইল গাজা উপত্যকায় বিমান হামলা চালানোর জন্য ৮০টি জঙ্গিবিমান কাজে লাগাচ্ছে বলে জানা গেছে। এছাড়া, গাজা সীমান্তে বিপুল সংখ্যক ট্যাংক মোতায়েনেরও খবর পাওয়া গেছে।#

পার্সটুডে/এমএমআই/১২

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

 

ট্যাগ