জুলাই ২৬, ২০২১ ১৩:০৬ Asia/Dhaka
  • মার্কিন হেলিকপ্টার
    মার্কিন হেলিকপ্টার

ইরাকের জনপ্রিয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পপুলার মোবিলাইজেশন ইউনিট বা পিএমইউ'র নেতা কাসেম আল-কুরাইতি বলেছেন, মার্কিন হেলিকপ্টারে করে উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশ সন্ত্রাসীদেরকে দেশের বিভিন্ন স্থানে নেয়া হয়েছে তার থার্মাল ক্যামেরায রেকর্ড তাদের হাতে রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের মধ্যাঞ্চলীয় সালাহউদ্দিন প্রদেশে এসব থার্মাল ক্যামেরা বসানো হয়েছে।

পিএমইউ নেতা কুরাইতি বলেন, ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের ব্যাপারে আমেরিকা মোটেই আন্তরিক নয়। ইরাকে এখনো মার্কিন সেনা উপস্থিতির মধ্যদিয়ে এ কথা প্রমাণিত হয় যে, এর আগে ইরাক সরকার এবং মার্কিন কর্মকর্তারা যে বিবৃতি দিয়েছেন তা ছিল মিথ্যা এবং বিভ্রান্তিকর। আরবি ভাষার টেলিভিশন চ্যানেল আল-আহাদ নেটওয়ার্ককে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি সুস্পষ্ট করে বলেন, সালাহউদ্দিন প্রদেশের যে থারমাল ক্যামেরা বসানো হয়েছে তাতে ভালোভাবে রেকর্ড করা হয়েছে- কিভাবে দায়েশ সন্ত্রাসীদেরকে ইরাকের বিভিন্ন অঞ্চলে মার্কিন হেলিকপ্টারে করে বহন করা হয়েছে।

ইরাকে মোতায়েন মার্কিন সেনা

ইরাকের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফুয়াদ হোসেইন সম্প্রতি ইরাকে মার্কিন সেনা থাকার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে যে বক্তব্য দিয়েছেন সে সম্পর্কে পিএমইউ নেতা বলেন, ইরাকের মাটিতে মার্কিন সেনারা থাকবে কি না সে সিদ্ধান্ত নেবে ইরাকের জনগণ। তিনি সুস্পষ্ট করে বলেন, ইরাকের মাটিতে বিদেশি সেনাদের উপস্থিতির কোনো প্রয়োজন নেই। ইরাকি নিরাপত্তাবাহিনী এবং হাশদ আশ-শাবির যোদ্ধারা দেশকে রক্ষা করতে সক্ষম।

গত শনিবার নিউইয়র্ক টাইমস পত্রিকা খবর দিয়েছে যে, ইরাকে মার্কিন সেনাদের অবস্থানের ব্যাপারে তেমন কোনো পরিবর্তন আসার সম্ভাবনা নেই যদিও বাগদাদ মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ব্যাপারে চাপাচাপি করছে।

পত্রিকাটি বলেছে, ইরাকে বর্তমানে যে আড়াই হাজার মার্কিন সেনা রয়েছে শুধুমাত্র কাগজপত্রে তাদের ভূমিকা পরিবর্তন করা হবে এবং তাদেরকে লজিস্টিক স্পেশালিস্ট, উপদেষ্টা, প্রশিক্ষক বা অন্য কোনো নামে ডাকা হবে।

ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের ব্যাপারে আলোচনা করার জন্য দেশটির প্রধানমন্ত্রী মুস্তাফা আল-কাজেমি আমেরিকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন এবং আজ (সোমবার) মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে তার আলোচনার কথা রয়েছে।#

পার্সটুডে/এসআইবি/২৬

ট্যাগ