জুলাই ১০, ২০২০ ১৬:৫৩ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: রেডিও তেহরানের প্রাত্যহিক আয়োজন কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আজ ১০ জুলাই শুক্রবারের কথাবার্তার আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি অনিয়মের তদন্ত শুরু -ইত্তেফাক
  • আনন্দবাজারের ‘ভিত্তিহীন’ সংবাদে বিজিবির কড়া প্রতিবাদ-কালের কণ্ঠ
  • স্বাস্থ্য খাতে চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার হবে-দৈনিক যুগান্তর
  • বংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার-চীনের কূটনৈতিক বিজয়-দৈনিক মানবজমিন
  • করোনায় পদ্মা সেতুর কাজে আবার দেরি, ব্যয় বাড়বে -দৈনিক প্রথম আলো
  • চীনকে ঘিরে নেপালে ক্ষমতার লড়াই, চ্যালেঞ্জে প্রধানমন্ত্রী-বাংলাদেশ প্রতিদিন
  • যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আর শীর্ষ বৈঠকের প্রয়োজন দেখছে না উত্তর কোরিয়া-দৈনিক সমকাল

ভারতের শিরোনাম:    

  • আনলক ২ পর্বে বাড়ছে বিপদ, ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লক্ষ ছুঁইছুঁই-সংবাদ প্রতিদিন
  • ইশরাত, সোহরাবুদ্দিন, লাখান.‌.‌ এদেশে পুলিশ এনকাউন্টার নতুন কিছু নয়‌ -দৈনিক আজকাল
  • নেপালে বন্ধ সব ভারতীয় সংবাদ চ্যানেল–দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা

পাঠক/শ্রোতা ! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। 

বাংলাদেশ ভারতসহ বিশ্ব মিডিয়ায় করোনা আপডেটই প্রধান খবর। এর বাইরে লাদাখ ইস্যু, চীনের বিরুদ্ধে আমেরিকা ও ভারতের অবস্থান বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে অনিয়ম –দুর্নীতি এসব খবরই গুরুত্বসহ পরিবেশিত হয়েছে।

বিশ্বে করোনায় বাড়ছে মৃত্যু ও আক্রান্ত

প্রথমে বিশ্ব করোনার আপডেট খবর:  বিশ্বে করোনায় বেড়েই চলেছে মৃত্যু ও আক্রান্তের সংখ্যা। ওয়ার্ল্ডোমিটারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী করোনায় এখন পর্যন্ত বিশ্বে মৃত্যু ৫ লাখ  ৫৭ হাজার ছাড়াল এবং আক্রান্তও ১ কোটি ২৪ লাখ ছুঁইছূঁই। মোট সুস্থ হয়েছেন ৭২ লাখের বেশি মানুষ।

ভারতের করোনা পরিস্থিতি

ভারতের করোনা আপডেট খবরে দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন লিখেছে, আনলক ২ পর্বে বাড়ছে বিপদ, ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৮ লক্ষ ছুঁইছুঁই করছে। একদিনে নতুন সংক্রমণ ২৬ হাজার। এসময় মৃত্যু হয়েছে ৪৭৫ জনের। মোট সুস্থ প্রায় ৫ লাখ। 

বাংলাদেশে করোনার আপডেট- একদিনে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৩৭ জনের। আক্রান্ত ২৯৪৯ জন। সর্বমোট মৃত্যু ২ হাজার ২৭৫ জন। দৈনিক প্রথম যুগান্তর/প্রথম আলোসহ প্রায় সব দৈনিকে এ পরিসংখ্যান এসেছে। সর্বমোট আক্রান্ত হলেন এক লাখ ৭৮ হাজার ৪৪৩ জন। 

বাংলাদেশের করোনা পরিস্থিতি

করোনা সম্পর্কিত অন্যান্য খবরে দৈনিক যুগান্তর লিখেছে, বলিভিয়ার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট আনেজ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।করোনার জন্য আগাম ১৫ লাখ কবর খুঁড়ে রাখছে দক্ষিণ আফ্রিকা। বাংলাদেশসহ ১৩ দেশ থেকে ইতালি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। ইত্তেফাক লিখেছে, রিজেন্টের ভুয়া টেস্ট-ই কাল হলো ইতালিতে ফেরা বাংলাদেশিদের জন্য। ১৬৫ জনকে ফেরত পাঠিয়েছে ইতালি, ৫ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশিদের ঢুকতে দেবে না করোনায় বাংলাদেশে  ৬৩ চিকিৎসকের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৮৬৮ জন। 

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ

রিজেন্ট সাহেদ সমাচার- নিয়ে প্রায় সব দৈনিকে নানামুখী খবর পরিবেশিত হয়েছে। দেশের বাইরেও চলছে তাকে নিয়ে তোড়পাড়। সাহেদের হাত বিস্তৃত ছিল আরো বিভিন্ন দপ্তরে এ শিরোনামের খবরে দৈনিক ইত্তেফাক লিখেছে, রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক মোহাম্মদ সাহেদ শুধু স্বাস্থ্য খাতেই লুটপাটের ফাঁদ পাতেননি, সরকারের আরো কয়েকটি দপ্তরেও ছিল তার প্রভাব-প্রতিপত্তি। নগদ অর্থসহ নানা ধরনের উপঢৌকনের বিনিময়ে বিভিন্ন টেলিভিশনের টকশোতে নিয়মিত অংশগ্রহণের সুযোগে এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ তথা সরকারের ‘প্রভাবশালী’পরিচয়ে নৌপরিবহন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ অনেক দপ্তরেই বিস্তৃত ছিল সাহেদের হাত। প্রথম আলোর একটি খবরে সুখবর দেয়া হয়েছে। খবরটি এরকম- করোনার ভ্যাকসিন মাত্র দুটি মাস পরই বললেন ফাইজার নির্বাহী কর্মকর্তা অ্যাবার্ট বোরলা। মার্কিন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি ফাইজার ও জার্মান কোম্পানি বায়ো এন টেক ভ্যাকসিনের ব্যাপারে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাস দেখাচ্ছে।

আনন্দবাজারের ‘ভিত্তিহীন’ সংবাদে বিজিবির কড়া প্রতিবাদ-দৈনিক কালের কণ্ঠ

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ

ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকায় গত ৭ জুলাই ‘অরক্ষিত জমিতে পা পড়ছে বাংলাদেশির’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত সংবাদটি ভিত্তিহীন, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করে এর কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী। আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) দুপুরে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়। প্রতিবাদ লিপিতে বলা হয়, পত্রিকায় ঘটনাস্থল রানীনগর সীমান্তের কথা বলা হয়েছে কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সেখানে কোনো ঘটনা ঘটেনি। উল্লেখিত এলাকাটি রাজশাহী বিজিবি এর দায়িত্বপূর্ণ এলাকা চারঘাট বিওপি হতে শুরু করে তালাইমারি বিওপি পর্যন্ত বিস্তৃত এবং এখানে পদ্মা নদী বরাবর শূন্য লাইন অতিক্রম করেছে। এর উভয় পার্শ্ব বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল।

বাংলাদেশে বাণিজ্যে চীনের কূটনৈতিক জয়

বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার: চীনের কূটনৈতিক বিজয়-দৈনিক মানবজমিনের এ প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, যেই দেশটি কিনা ভারতের ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী। তবে চীনা সিদ্ধান্তকে ঘিরে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক পর্যালোচনা করলে চিন্তার উদ্রেক হয় যে, চীনের এই সিদ্ধান্ত কি নতুন কিছু? নাকি সকল স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে দেয়া সুবিধার মতোই বাংলাদেশকে এই সুবিধা দেয়া হয়েছে?

চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক শুরু হয়েছে ১৯৭৫ সালের পর। বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট ও স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকান্ডের স্বল্পসময় পর। সম্পর্ক শুরু হওয়ার পর গত ৪ দশকে এটি কেবল ধারাবাহিকভাবে সামনে এগিয়েছে। চীনকে বাংলাদেশ ‘সবসময়ের বন্ধু’ মনে করে। দুই দেশ একটি কৌশলগত আংশিদারিত্বেও শামিল হয়েছে। এছাড়া চীনের বহুল আলোচিত বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই)-এ বাংলাদেশ প্রথিতযশা আংশিদার।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক প্রস্ফুটিত হওয়ার পেছনে অর্থনৈতিক সম্পর্ক একটি বড় কারণ ছিল সবসময়। চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম বাণিজ্যিক আংশিদার। দেশটি বাংলাদেশের আমদানির প্রধান উৎস। ২০১৯ সালে দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৮০০ কোটি ডলার। এর বৃহৎ অংশই চীন থেকে আমদানি। বাণিজ্য ব্যাপকভাবেই চীনের দিকে ঝোঁকা। বাণিজ্যের দিক থেকে এই ব্যাপক ভারসাম্যহীনতার কারণে বাংলাদেশ অনেকদিন ধরেই চীনকে বাণিজ্য ভারসাম্য কমিয়ে আনার তাগিদ দিয়ে যাচ্ছে। ২০১৫ সালে চীন বাংলাদেশের ৩০৯৫টি পণ্য আমদানির ওপর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান করে। বর্তমান ঘোষণায় ৫১৬১টি পণ্যকে একই সুবিধা দেয়া হয়েছে। এছাড়া এশিয়া-প্যাসিফিক বাণিজ্য চুক্তির সদস্য অনুযায়ী বাংলাদেশ অগ্রাধিকারমূলক ট্যারিফ সুবিধা পেয়ে আসছে।

দৈনিকটির অন্য একটি প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, বাংলাদেশের সঙ্গে বাণিজ্য বৃদ্ধিতে বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করছে ভারত

বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নে বহুমুখী কৌশলে যাচ্ছে ভারত

বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যাবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য বহুমুখী কৌশল গ্রহণ করতে যাচ্ছে ভারত। সম্প্রতি বাংলাদেশের ৯৭ ভাগ পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশ সুবিধা দিয়েছে চীন। এরইপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশকে কাছে টানার চেষ্টা করছে ভারতও। এ খবর দিয়েছে দ্য ইকোনোমিক টাইমস।

খবরে বলা হয়, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের এমন ঘনিষ্টতা বাংলাদেশকে বাণিজ্য ঘাটতি ও ঋণের ফাঁদে ফেলতে পারে। তাই ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে আগ্রহ দেখাচ্ছে। দেশটি তার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশি পণ্যের বাধাহীন প্রবেশ নিশ্চিত করতে চায়। একইসঙ্গে বাংলাদেশকে ভুটান ও নেপালের সঙ্গে সড়ক ও রেলপথে পণ্য পরিবহণের সুবিধা দিতে চায় ভারত। এরফলে আভ্যন্তরীণ নৌরুট ও বন্দরগুলো ব্যবহার করে বাংলাদেশের পণ্য পরিবহণে দারুণ সুবিধা নিশ্চিত হবে।

ভারত ও বাংলাদেশ উভয় দেশই ১৯৬৫ সালের পূর্বেকার রেল লাইন পুনরায় জীবিত করার পরিকল্পনা করছে।

ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শংকর বুধবার বাংলাদেশি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে এক বার্তায় এসব পরিকল্পনার কথা জানান। চীনের নতুন এ সুবিধা দেয়ার কয়েক দশক পূর্ব থেকেই ভারত বাংলাদেশকে এমন সুবিধা দিয়ে আসছে। এরফলে বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য ঘাটতি কমে আসে। বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের সবথেকে বড় বাণিজ্য সহযোগি রাষ্ট্র। গত এক দশকে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ক্রমেই বেড়েছে। ২০১৮-১৯ সালে বাংলাদেশে ভারত প্রায় ৯.২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। অপরদিকে বাংলাদেশ থেকে আমদানি করেছে ১.০৪ বিলিয়ন ডলার।

গরম বক্তৃতায় বিপদ বাড়বে, চীনের নতুন চেহারা দেখা গেল লাদাখে-নিরুপমা রাও

এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি: লাদাখ ইস্যু- নিয়ে দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকায় ভারতের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব নিরুপমা রাওয়ের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হয়েছে। তিনি বলেছেন গরম বক্তৃতায় বিপদ বাড়বে, চীনের নতুন চেহারা দেখা গেল লাদাখে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার লাদাখ সেক্টরের কিছু পকেটে মে মাসের গোড়া থেকেই অশনিসঙ্কেত পাওয়া যাচ্ছিল। বাষট্টির সংঘাতের পর সেখানে কোনও অশান্তির শোনা যায়নি। কিন্তু ২০২০ সালের ১৫ জুন যা ঘটল, তা এক সঙ্গে অনেক কিছু বদলে দিল। প্রথমত, গত সাড়ে চার দশকে চিনের সঙ্গে ওই এলাকায় আমাদের সেনা কখনও কোনও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েনি। সেই সময়কালের অবসান ঘটল। দ্বিতীয়ত, সাম্প্রতিক ওই ঘটনা চিনের সঙ্গে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে গুরুতর ছাপ ফেলল। আমার এখন চিনের যে শত্রুভাবাপন্ন এবং হিংস্র আগ্রাসী মুখ দেখতে পাচ্ছি, তা গত তিন দশকে তাদের সঙ্গে আমাদের গঠনমূলক সহযোগিতার ছবিটার তুলনায় অনেকটাই ভিন্ন। এ ব্যাপারে কোনও সন্দেহই নেই যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে বড় ধাক্কা দিয়েছে ওই ঘটনা। এদিকে দৈনিক সংবাদ প্রতিদিনের একটি খবরে লেখা হয়েছে, অবশেষে পিছু হটছে ‘ড্রাগন’, পূর্ব লাদাখের তিন এলাকা থেকে সরল চীনা সেনা।

গ্যাংস্টার বিকাশ দুবে'র এনকাউন্টারে মৃত্যু

‘গাড়ি না ওল্টালে গদি উল্টে যেত’, দুবে কাণ্ডেও নিশানা ‘এনকাউন্টার রাজ’-দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা। বিস্তারিত খবরে লেখা হয়েছে,আদৌ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বেধেছিল, নাকি পরিকল্পনামাফিক সরিয়ে দেওয়া হল তাকে?  কুখ্যাত গ্যাংস্টার বিকাশ দুবের এনকাউন্টার নিয়ে  বিরোধী শিবির থেকে এ বার এমনই প্রশ্ন উঠতে শুরু করল। কনভয়ের গাড়ি উল্টে যাওয়া সংক্রান্ত পুলিশের দাবি নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির (এসপি) নেতা অখিলেশ যাদব।

ভারতে এনকাউন্টার

টুইটারে তিনি যোগী সরকারকে নিশানা করে লেখেন, ‘‘আসলে গাড়ি ওল্টায়নি। রহস্য ফাঁস হয়ে গেলে সরকার উল্টে যেত। সেটা ঠেকানো গিয়েছে।’ বিভিন্ন দৈনিকে লেখা হয়েছে, কানপুরের কাছে গাড়ি দুর্ঘটনা, পালাতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে ‘সংঘর্ষে নিহত গ্যাংস্টার বিকাশ দুবে। আর আজকাল লিখেছে, ধরা পড়ে পালানোর জন্য পুলিশকে পাল্টা আক্রমণ। তার পর পুলিশের গুলিতেই হত অভিযুক্ত। অভিযোগ, সবটাই নাকি ‘সাজানো’। পরিসংখ্যান বলছে, দেশে সবথেকে বেশি এনকাউন্টার হয় উত্তরপ্রদেশেই।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

মহামারি করোনাকালেও ভারতের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াচ্ছে, প্রধানমন্ত্রীর দাবি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলরছেন, প্রধানমন্ত্রী ফেরি করছেন মসৃণ লগ্নির স্বপ্ন। কিন্তু টাকা ঢালতে আসা বিদেশি লগ্নিকারী বাস্তবের মাটিতে তার প্রতিফলন পাবেন তো?#  

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/১০
 

ট্যাগ

মন্তব্য