আগস্ট ০১, ২০২২ ০৯:০৪ Asia/Dhaka
  • নৌ ডকট্রিনের সই করছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন
    নৌ ডকট্রিনের সই করছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তার নৌবাহিনীর জন্য এমন একটি ডকট্রিনে স্বাক্ষর করেছেন যেখানে আমেরিকাকে সরাসরি রাশিয়ার ‘প্রধান হুমকি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া ওই ডকট্রিনে আর্কটিক এবং কৃষ্ণ সাগরের মতো গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র অঞ্চলে রাশিয়ার বৈশ্বিক সামুদ্রিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাও নির্ধারণ করা হয়েছে।

সাবেক সোভিয়েত সাম্রাজ্যের রাজধানীতে সেন্ট পিটার্সবার্গে গতকাল (রোববার) রাশিয়ার নৌবাহিনী দিবসে বক্তৃতা দিতে গিয়ে পুতিন আগামী কয়েকমাসের মধ্যে রাশিয়ার নৌবাহিনীতে জিরকন ক্রুজ মিসাইল যুক্ত  হবে বলে ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি রাশিয়াকে একটি ‘বিশাল সমুদ্র শক্তিতে’ পরিণত করার জন্য জার পিটার দ্য গ্রেটের প্রশংসা করেন।

ডকট্রিনে স্বাক্ষরের পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শুইগোর সঙ্গে নৌমহড়া পরিদর্শন করেন পুতিন

পুতিনের স্বাক্ষরিত ডকট্রেইনে মহাসাগরগুলোর ওপর আধিপত্য প্রতিষ্ঠা ও ন্যাটোকে সম্প্রসারণের মার্কিন প্রচেষ্টাকে রাশিয়ার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ৫৫ পৃষ্ঠার ওই দলিলে বলা হয়েছে, বিশ্বের মহাসাগরগুলোর ওপর আধিপত্য বিস্তারের জন্য ওয়াশিংটন যে কৌশলগত লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে এবং রাশিয়া অভিমুখে ন্যাটোর সামরিক অবকাঠামো বিস্তারের যে চেষ্টা করা হচ্ছে তা এখন মস্কোর সামনে ‘প্রধান চ্যালেঞ্জ ও হুমকি’।

দলিলে আরো বলা হয়েছে, রাশিয়ার স্বাধীন অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতি আমেরিকা ও তার মিত্রদের বিদ্বেষী নীতির কবলে পড়েছে। মহাসাগরগুলোসহ গোটা বিশ্বের ওপর পশ্চিমা দেশগুলো আধিপত্য বিস্তার করতে চায়।

মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর পূর্ব অভিমুখী বিস্তারের তীব্র সমালোচনা করছে রাশিয়া ও চীনসহ আরো কিছু দেশ। তাদের বক্তব্য, তিন দশকেরও বেশি সময় আগে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ন্যাটো জোট ভেঙে দেয়া উচিত ছিল।#

পার্সটুডে/এমএমআই/১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

 

ট্যাগ