আগস্ট ১৪, ২০২২ ০৯:১০ Asia/Dhaka
  • ১৯৮৮ সালে রুশদির মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে বিশ্বব্যাপী বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়
    ১৯৮৮ সালে রুশদির মৃত্যুদণ্ডের দাবিতে বিশ্বব্যাপী বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়

ইসলাম অবমাননাকারী কুখ্যাত মুরতাদ লেখক সালমান রুশদির ওপর চাকু নিয়ে হামলার ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছে আফগানিস্তানের আপামর জনসাধারণ।

মহানবী (সা.)-এর অবমাননা করে লেখা বই স্যাটানিক ভার্সেসের লেখক সালমান রুশদির ওপর গত শুক্রবার নিউ ইয়র্কের একটি অনুষ্ঠানে হামলা হয়।চাকু হাতে এক মার্কিন যুবকের হামলায় গুরুতর আহত হয় খোদাদ্রোহী রুশদি।

এ সম্পর্কে ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার সংস্থা আইআরআইবির সংবাদদাতার কাছে নিজেদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন আফগান নাগরিকরা। কাবুলের কয়েকজন অধিবাসী বলেছেন, যারা ইসলামি বিশ্বাস ও চেতনায় আঘাত হানবে তাদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই এবং তাদেরকে তাদের অপরাধের শাস্তি পেতে হবে। কয়েকজন আফগান নাগরিক বলেছেন, শুক্রবার রাতের হামলায় সালমান রুশদি মরে গেলেই ভালো হতো।

এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও সালমান রুশদের ওপর হামলাকে স্বাগত জানিয়ে বিভিন্ন পোস্ট দিয়েছেন আফগান নাগরিকরা। তারা হামলাকারী হাদি মাতারের ছবি প্রকাশ করে তাকে ‘মুসলিম বিশ্বের বীর’ বলে উল্লেখ করেছে।

গত শুক্রবার নিউ ইয়র্কের একটি অনুষ্ঠানের মঞ্চে রুশদির ওপর হামলা হয়

আফগানিস্তানের জনগণ ইসলাম অবমাননাকর যেকোনো কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে অত্যন্ত স্পর্শকাতর। তারা এর আগেও বিভিন্ন সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশেষ করে কিছু ইউরোপীয় দেশে ইসলাম অবমাননার বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেছেন।

১৯৮৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রুশদির লেখা ‘স্যাটানিক ভার্সেস’ বা ‘শয়তানের পদাবলী’ নামক বই প্রকাশিত হয়। বইটিতে মানবতার মুক্তির দূত মহানবী (সা.)-এর অবমাননা করে এই মুরতাদ ভারতীয় লেখক। সারাবিশ্বের মুসলমানরা এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং রুশদির মৃত্যুদণ্ড কামনা করে বিক্ষোভ মিছিল করেন। ভারতসহ বিশ্বের বহু দেশে বইটি নিষিদ্ধ করা হয়।এরপর এক সময়কার উপনিবেশবাদী দেশ ব্রিটেন সালমান রুশদিকে রাজনৈতিক আশ্রয় দেয় এবং তখন থেকে গত তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে পশ্চিমা দেশগুলোর আশ্রয়-প্রশ্রয়ে ছিল এই মুরতাদ লেখক। ব্রিটেন, ফ্রান্স ও আমেরিকার শীর্ষ নেতারা তার ওপর হামলার নিন্দা জানিয়েছে।#

পার্সটুডে/এমএমআই/১৪

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

 

ট্যাগ