জুলাই ১৯, ২০১৯ ১৭:২৬ Asia/Dhaka
  • মার্কিন সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ক্যাথরিন হুইলবার্জার
    মার্কিন সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ক্যাথরিন হুইলবার্জার

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক জোট গঠনের কথা অস্বীকার করছে আমেরিকা। সম্প্রতি ইরান-বিরোধী জোট গঠনের ঘোষণা দেয়ার পরও দেশটি এখন বলছে- তারা ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক জোট গঠন করতে চায় না। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ তেমন কোনো দেশ সম্ভাব্য জোটে যোগ দিতে আগ্রহ প্রকাশ না করায় আমেরিকা এখন এ অবস্থান নিয়েছে।

গতকাল (বৃহস্পতিবার) মার্কিন সেনা সদরদপ্তর পেন্টাগনের একজন শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় সমুদ্রভিত্তিক জোট গঠনের প্রস্তাব কোনো ইরান-বিরোধী সামরিক জোট গঠনের প্রচেষ্টা নয়। পেন্টাগনের অন্যতম শীর্ষ নীতি নির্ধারণী কর্মকর্তা ক্যাথরিন হুইলবার্জার বলেন,  “এটি ইরান-বিরোধী কোনো জোট নয়, আপনি যদি ইরানের সঙ্গে সামরিক সংঘাতে জড়ান তাহলে তা ঠিক হবে না।” হুইলবার্জার দাবি করেন, পারস্য উপসাগরে যাতে বাণিজ্যিক জাহাজের ওপর কোনো হামলা না হয় তার ওপর গুরুত্ব দিতেই আমরা একটি জোট করতে চাইছি।

জেনারেল জোসেফ ডানফোর্ড

এর আগে, গত ৯ জুলাই মার্কিন সেনাপ্রধান জেনারেল জোসেফ ডানফোর্ড বলেছিলেন, পারস্য উপসাগরে ইরানি হুমকি বানচাল করা ও স্বাধীনভাবে জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করার জন্য একটি জোট সামরিক গঠন করা হবে এবং আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পরিষ্কার হবে যে, কোনো কোন দেশ এ জোটে যোগ দেবে।

এদিকে, অন্তত ছয়টি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, মিত্রদের সমর্থন পেতে আমেরিকাকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। কারণ মিত্র দেশগুলো মনে করছে এ ধরনের জোটে যোগ দিলে ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা আরো বাড়বে। আমেরিকা চাইছে ভবিষ্যত সংঘাত মিত্র দেশকে যুক্ত থাকতে হবে কিন্তু এসব এমন সংঘাতে জড়াতে ইচ্ছুক নয়।

ফ্রান্সের একজন সরকারি কর্মকর্তা বলেছেন, আমেরিকার মতো বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে এস্কর্ট দেয়ার কোনো পরিকল্পনা তাদের নেই। প্যারিস মনে করে এ ধরনের পদক্ষেপ হিতে বিপরীত হবে এবং ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়াবে। ব্রিটিশ নিরাপত্তা সূত্র বলছে, প্রতিটি বাণিজ্যিক জাহাজকে এস্কর্ট দেয়া সম্ভব হবে না। একই রকম দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করে আরো কয়েকটি দেশ। সূত্রগুলো রয়টার্সকে বলেছে, চীন ও জাপান এ জোটে যোগ দেবে বলে মনে হয় না।#

পার্সটুডে/এসআইবি/১৯

ট্যাগ

মন্তব্য