২০১৯-০৯-২৩ ০৭:০২ বাংলাদেশ সময়
  • মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও
    মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও আবারো ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলে ইরানকে সৌদি আরবের দু’টি তেল স্থাপনায় হামলার জন্য দায়ী করেছেন। তিনি মার্কিন টিভি চ্যানেল এবিসি নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌদি তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলার প্রতি ইঙ্গিত করে দাবি করেন, ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ যোদ্ধারা এ হামলা চালায়নি বরং এটি ছিল একটি দেশের বিরুদ্ধে আরেকটি দেশের ‘যুদ্ধ তৎপরতা’।

তিনি নিজে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কূটনৈতিক উপায়ে ইরান সংকট সমাধানের চেষ্টা করছেন বলেও দাবি করেন পম্পেও। তিনি বলেন, “তারপরও কিছু কাজ যদি করার প্রয়োজন দেখা দেয় তাহলে তা করতেও আমরা প্রস্তুত রয়েছি।” তিনি এ বক্তব্যের মাধ্যমে প্রচ্ছন্নভাবে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের কথা বুঝিয়েছেন।

ইরানের বিরুদ্ধে নিজের বিদ্বেষী বক্তব্য উগড়ে দিতে গিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ওয়াশিংটন যুদ্ধ প্রতিহত করার চেষ্টা করার পাশাপাশি সৌদি তেল স্থাপনায় হামলা থেকে সৃষ্ট সংকট সমাধানের চেষ্টা করছে।  পম্পেও আবারও মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট উত্তেজনা কূটনৈতিক উপায়ে সমাধানের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।

সৌদি তেল স্থাপনায় ইয়েমেনের ড্রোন হামলা

গত ১৪ সেপ্টেম্বর শনিবার ভোর রাতে সৌদি আরবের দু’টি তেল স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালায় ইয়েমেনের সেনাবাহিনী ও হুথি আনসারুল্লাহ আন্দোলনের যোদ্ধারা। এতে ওই দুই স্থাপনার মারাত্মক ক্ষতি হয় এবং সৌদি আরবের তেল উৎপাদন অর্ধেকে নেমে আসে। ইয়েমেনের এই হামলা প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়ে সৌদি আরব ও আমেরিকা এর জন্য ইরানকে দায়ী করার সহজ উপায় বেছে নেয়।

ইরান শুরু থেকেই এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলে এসেছে, আমেরিকা ও সৌদি আরবের পক্ষে একথা বিশ্বাস করা কঠিন যে, ইয়েমেনের যোদ্ধারা খালি হাতে যুদ্ধ করতে এসে তাদের বিরুদ্ধে এতবড় হামলা চালাবে। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, গত প্রায় পাঁচ বছর  সৌদি আগ্রাসনে জর্জরিত ইয়েমেনের আত্মরক্ষার্থে যেকোনো হামলা চালানোর ন্যায়সঙ্গত  অধিকার রাখে।#

পার্সটুডে/এমএমআই/২৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

 

ট্যাগ

মন্তব্য