ডিসেম্বর ০৯, ২০১৯ ০৭:৪৮ Asia/Dhaka
  • জোসেপ বোরেল
    জোসেপ বোরেল

ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক নয়া প্রধান কর্মকর্তা জোসেপ বোরেল দায়িত্ব গ্রহণ করেই ইরানের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে হস্তক্ষেপ করেছেন। মানবাধিকারের প্রতি সমর্থন জানানোর অজুহাতে তিনি ইরানের সাম্প্রতিক বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর আচরণকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে বর্ণনা করেছেন।

গত ১ ডিসেম্বর ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা ইইউ’র পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক সাবেক প্রধান কর্মকর্তা ফেডেরিকা মোগেরিনির মেয়াদ শেষ হয় এবং একই দিন ওই দায়িত্ব গ্রহণ করেন স্পেনের রাজনীতিবিদ জোসেপ বোরেল। এর আগে পাশ্চাত্যের সঙ্গে ইরানের পরমাণু সমঝোতা স্বাক্ষরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন মোগেরিনি।

বোরেল গতকাল (রোববার) এক বিবৃতিতে দাবি করেন, ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষেত্রে ‘সহিষ্ণুতা’ প্রদর্শন করেনি বরং ‘অনুপযুক্তভাবে বলপ্রয়োগ’ করেছে।

পাশ্চাত্যের সঙ্গে ইরানের পরমাণু সমঝোতা স্বাক্ষরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন মোগেরিনি

ইরানে গত ১৫ নভেম্বর জ্বালানী তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হলে এর প্রতিবাদ জানাতে জনগণ রাস্তায় নেমে আসে। সাধারণ মানুষ যখন পেট্রলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ করছিলেন তখন তাদের ভিড়ে মিশে গিয়ে কিছু দুস্কৃতকারী ব্যাপক লুট-পাট, অগ্নিসংযোগ ও নাশকতামূলক তৎপরতা চালায়। এতে কোটি কোটি ডলার মূল্যের রাষ্ট্রীয় সম্পদ ধ্বংস হয়।

কিন্তু পশ্চিমা দেশগুলো ইরানের সাম্প্রতিক কথিত বিক্ষোভের এই ধ্বংসাত্মক দিকটি আমলে না নিয়ে ঢালাওভাবে নিরাপত্তা বাহিনীর কথিত ‘সহিংস আচরণ’কে দায়ী করে বিবৃতি দিয়ে যাচ্ছে।#

পার্সটুডে/এমএমআই/৯

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

ট্যাগ

মন্তব্য