জানুয়ারি ০৮, ২০২২ ১৮:৪৮ Asia/Dhaka

মহাবীর শহীদ কাসেম সোলাইমানির দ্বিতীয় শাহাদাত-বার্ষিকী উপলক্ষে সবাইকে জানাচ্ছি গভীর শোক ও সমবেদনা। তিন জানুয়ারি মহাবীর শহীদ কাসেম সোলাইমানির দ্বিতীয় শাহাদাত-বার্ষিকী।

ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস্ ব্রিগেডের সাবেক কমান্ডার শহীদ কাসেম সোলাইমানি  মার্কিন সন্ত্রাসী হামলায় শহীদ হওয়ার আগেই বেশ কয়েক বছর ধরে বিশ্বের বড় বড় সংবাদ মাধ্যম ও মিডিয়ায় আলোচিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি অর্জন করেছিলেন। মূলতঃ তার নেতৃত্বে পশ্চিমা মদদপুষ্ট আইএসআইএল বা দায়েশের মত তাকফিরি বা ধর্মান্ধ সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর-বিরোধী বহুজাতিক জিহাদে  অকল্পনীয় সাফল্য লাভই ছিল এর কারণ। সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলতেন, লে. জেনারেল কাসেম সোলাইমানি  বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সেনাপতি ও রণ-কৌশলী।

শাহাদাত লাভের পর সোলাইমানি হয়ে ওঠেন বিশ্বের মুক্তিকামী জাতি, জনগণ ও নেতৃবৃন্দের কাছে শীর্ষস্থানীয় প্রধান প্রিয় ব্যক্তিত্ব বা চোখের মনি। এর একটা বড় কারণ হল বিশ্বের প্রধান সাম্রাজ্যবাদী, তাগুতি ও শয়তানি শক্তি মার্কিন সরকারের এক বেআইনি, চরম অন্যায্য, কাপুরুষোচিত ও নির্লজ্জ হামলায় শহীদ হন এই বিপ্লবী ইরানি সমরবিদ।

ইরানের ও পশ্চিম এশিয়ার ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলনগুলোর  ঘরোয়া পরিসরে তাঁকে বলা হত এ যুগের মালিক আশতার। মালিক আশতার ছিলেন আমিরুল মুমিনিন হযরত আলীর (আ)  প্রধান সেনাপতি ও অন্যতম গভর্নর এবং অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ প্রিয় ব্যক্তিত্ব। দক্ষতা ও খোদাভীরুতা ছাড়াও হযরত আলীর প্রতি তাঁর অসাধারণ আনুগত্য ছিল প্রবাদতুল্য। অন্যদিকে বিশ্বের অনেক বড় বড় বিশেষজ্ঞ ও লেখক সোলাইমানিকে তুলনা করেছেন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী শ্রেষ্ঠ সমরনায়কদের সঙ্গে।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আদেল আল মাহদির রাষ্ট্রীয় মেহমান হিসেবে ইরাক সফরের সময় ২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি ভোর রাতের দিকে বাগদাদ বিমানবন্দরে মার্কিন ড্রোনের বোমা হামলায় শহীদ হন জেনারেল সোলাইমানি। ওই একই হামলায় শহীদ হন ইরাকের জনপ্রিয় আধা-সামরিক বাহিনী হাশদ্ আশ শাব্‌য়ি বা পপুলার মোবিলাইজেশন ইউনিটের উপপ্রধান আবু মাহদি আল মুহানদিস। কয়েকজন ইরানি ও ইরাকি সেনা কর্মকর্তাও শহীদ হন সন্ত্রাসী মার্কিন হামলায়।

ইরাক ও ইরানের সর্বস্তরের কোটি কোটি মানুষ সন্ত্রাস-বিরোধী যুদ্ধের এই দুই জনপ্রিয় কমান্ডারের প্রতি শ্রদ্ধা দেখাতে, শোক প্রকাশ করতে এবং মার্কিন বিরোধী গণ-বিক্ষোভে অংশ নিতে রাজপথগুলোতে নেমে আসেন। কেবল ইরান, ইরাক, সিরিয়া, ইয়েমেন ও লেবানন নয় বিশ্বের অন্য অনেক অঞ্চলেরও কোটি কোটি মানুষ অশ্রুসিক্ত নয়নে স্মরণ করেছেন এই বীরদের। কিন্তু কোনো কোনো পশ্চিমা গণমাধ্যমের বিশ্লেষণের বিপরীতে অনেকেই বলছেন জীবন্ত কাসেম সোলাইমানিদের চেয়ে মৃত সোলাইমানিরা অনেক বেশি বিপজ্জনক হবেন সাম্রাজ্যবাদী, সন্ত্রাসী ও তাগুতি গোষ্ঠীগুলোর জন্য এবং এ ধরনের আরও অনেক বীরের আবির্ভাব ঘটবে ইরান ও পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে। মধ্য এশিয়ার দ্বার আফগানিস্তান থেকে বিতাড়িত হয়েছে মার্কিন ও পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদী সেনাশক্তি। ইয়েমেন, সিরিয়া ও ইরাক থেকেও বিশ্ব-সাম্রাজ্যবাদ এবং তাদের অনুচর শক্তিগুলো ক্রমেই বিপর্যস্ত হচ্ছে ও শিগগিরই এইসব অঞ্চল থেকে নির্মূল হবে ইহুদিবাদের দোসর মার্কিন শক্তিসহ সব সাম্রাজ্যবাদী শক্তি সোলাইমানির সাফল্যে অনুপ্রাণিত প্রতিরোধ শক্তির অগ্রযাত্রার কারণে।

ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস্ ব্রিগেডের সাবেক কমান্ডার শহীদ কাসেম সোলাইমানি সাম্রাজ্যবাদী ও তাগুতি শক্তিগুলোর ইঙ্গিতে ইরানের ওপর ইরাকের চাপিয়ে দেয়া ৮ বছরের যুদ্ধের সময়ই সাহসী ও শাহাদত-পিয়াসী দক্ষ কমান্ডার হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। তার একনিষ্ঠতা, ধার্মিকতা, উদারতা, সাহসিকতা, বিনয়, নম্রতা ও অন্য অনেক মহান গুণ সহযোদ্ধা এবং অনুগত সেনাদের গভীরভাবে আকৃষ্ট করেছিল তাঁর প্রতি। তাই তিনি যদি বলতেন তাহলে তার জন্যও জীবন দিতে প্রস্তুত থাকত তার সহযোদ্ধা বা অনুগত যোদ্ধারা। কিন্তু যে কথা মনে রাখা বেশি জরুরি তা হল ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস্ ব্রিগেডের সাবেক কমান্ডার শহীদ কাসেম সোলাইমানি হলেন খাঁটি ইসলামী আদর্শেরই ফসল। তার সাফল্যগুলোর রহস্যই হল এই আদর্শ। তিনি ছিলেন ইরানের ইসলামী বিপ্লবের রূপকার ইমাম খোমেনি (র) ও বর্তমানে এই বিপ্লবের কাণ্ডারি  আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ির একান্ত অনুরাগী ও একনিষ্ঠ অনুসারী। আর এ দুই মহান নেতাও হচ্ছেন ইসলামের ঐতিহ্যবাহী সংগ্রামী ধারারই অনুসারী। অন্য কথায় তারা হচ্ছেন বিশ্বনবী (সা) ও তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের আদর্শের খাঁটি অনুসারী।

আসলে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস্ ব্রিগেডের সাবেক কমান্ডার শহীদ কাসেম সোলাইমানি মহান আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল বা একনিষ্ঠ নির্ভরতার পাঠ নিয়েছেন বিশ্বনবী (সা) ও তাঁর পবিত্র আহলে বাইতের আদর্শের খাঁটি অনুসারী হিসেবে খ্যাত ঐতিহ্যবাহী বিপ্লবী আলেমদের কাছ থেকেই। এই ধারার আলেমরাই তথা খোমেনী ও খামেনির মত ব্যক্তিত্বরাই হচ্ছেন বর্তমান যুগে হযরত ইমাম হুসাইনের (আ) রেখে যাওয়া পবিত্র প্রতিরোধ ও শাহাদাতের সংস্কৃতির সংরক্ষক এবং এই সংস্কৃতির অনন্য বিকাশকারী। ফলে সোলাইমানিরা যুদ্ধ ও ষড়যন্ত্রে কখনও বিচলিত হন না। কুরআনের এ বক্তব্যে তাদের গভীর আস্থা ছিল যে: তোমরাই বিজয়ী হবে যদি তোমরা মুমিন হও। অন্যদিকে দায়েশসহ ধর্মান্ধ ও তাগুতি শক্তিগুলো হুসাইনি আদর্শে উজ্জীবিত গণ-বাহিনীর জিহাদের জোয়ারে পশ্চিম এশিয়ার ইতিহাসের আস্তাকুড়ে ঠাঁই নিচ্ছে।

সোলাইমানিদের মত কৌশলী ও খোদাভীরু সমর নেতার আবির্ভাব না ঘটলে আজ ওয়াহাবি-তাকফিরিবাদ বা ধর্মান্ধতা-আশ্রিত বিকৃত ইসলামের ছায়াতলে আশ্রয় নেয়া পশ্চিমা মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী ও প্রতারিত হওয়া সরলমনা যুবকরা ইসলামের প্রকৃত চেহারাকে পুরোপুরি আড়াল করে ফেলত মুসলিম বিশ্ব থেকে। মুসলিম দেশগুলোতো বটেই এমনকি পাশ্চাত্যেও তাকফিরি সন্ত্রাসের বিস্তার ঘটতো। ফলে পাশ্চাত্যের অমুসলিম শিক্ষিত সমাজে ইসলামের প্রতি যে আকর্ষণ দিনকে দিন বাড়ছিল তা ব্যাপক মাত্রায় বাধাগ্রস্ত হত। অন্যদিকে ইহুদিবাদ, সাম্রাজ্যবাদ ও নব্য-উপনিবেশবাদ বিশ্বব্যাপী আরও ভয়ানক ও বিস্তৃত হয়ে উঠত। কাসেম সোলাইমানির মত বিচক্ষণ ও দূরদর্শী সমর-নেতারা শাহাদাতের সংস্কৃতি, ইসলামী ঐক্য ও কূটনৈতিক প্রজ্ঞাকে কাজে লাগিয়ে কেবল সিরিয়া ও ইরাককেই মুক্ত করেননি একইসঙ্গে লেবাননে এবং গাজায় ইহুদিবাদী ইসরাইলের মত দানবীয় শক্তিকেও বার বার পরাজয়ের স্বাদ গ্রহণে বাধ্য করেছে। সোলাইমানির কূটনৈতিক প্রজ্ঞার কারণে রাশিয়া ও চীনের মত শক্তিগুলোও প্রতিরোধ সংগ্রামের সহযোগী হয়েছে খুব কঠিন প্রয়োজনের সময়ে। -বাজনা

লেবাননের শহীদ মুগনিয়া, হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহ এবং ইরাকের আবু মাহদি আল মুহানদিসের মত নেতারা মুসলিম বিশ্বে খাঁটি জিহাদি আদর্শের ধারাকে বেগবান করতে সক্ষম হয়েছেন। আর এসবেরই মূল কৃতিত্বের অধিকারী হল মরহুম ইমাম খোমেনীর নেতৃত্বে সূচিত ইরানের ইসলামী বিপ্লব এবং এর বর্তমান দক্ষ কাণ্ডারি আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ির নেতৃত্বে একই বিপ্লবের অব্যাহত জয়যাত্রা। অন্য কথায় সোলাইমানির মত ব্যক্তিত্বরা হলেন আশুরা সংস্কৃতির ফসল। আর এ জন্যই তারা ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তাদের সাফল্যের রহস্যগুলো জানতে হলে জানতে হবে প্রকৃত মোহাম্মাদি ইসলামকে এবং জানতে হবে ইসলামের প্রকৃত ইতিহাস ও এর মহানায়কদের আদর্শের গভীরতাকে।

মার্কিন সন্ত্রাসী হামলায় শহীদ-হওয়া সন্ত্রাস-বিরোধী বহুজাতিক জিহাদের কিংবদন্তীতুল্য সফল ইরানি সমরবিদ লে. জেনারেল কাসেম সোলাইমানি বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সেনাপতি ও রণ-কৌশলী হিসেবে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এবং ব্যাপক জনপ্রিয়তার অধিকারী হওয়া সত্ত্বেও অত্যন্ত বিনয়ী ও নম্র ছিলেন।

শহীদ হওয়ার জন্য সব সময় প্রস্তুত ও ব্যাকুল এই সেনাপতি শাহাদতের অনেক আগেই ওসিয়তনামা লিখে রেখেছিলেন। ওসিয়তনামার একাংশে অসাধারণ খোদাভীরু এই সেনাপতি লিখেছিলেন, তাঁকে যেন ৮ বছরের প্রতিরোধ যুদ্ধের সময় শহীদ-হওয়া তাঁর সহযোদ্ধাদের কবরের পাশেই দাফন করা হয় এবং তাঁর কবরকেও ওইসব শহীদ সহযোদ্ধাদের কবরের মতই যেন সাধারণ রাখা হয়। আর তাঁর কবরের ফলকে বড় কোনো বিশেষণ না লিখে শুধু যেন লেখা হয় ‘সৈনিক কাসেম সোলাইমানি!-

শহীদ কাসেম সোলাইমানি প্রায়ই বলতেন, আমকে সেনাপতি বলবেন না, 'আমি সাধারণ সৈনিক মাত্র ! তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল আপনি কি ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হবেন? জবাবে তিনি বলেছিলেন, আমি শাহাদাতের প্রার্থী। ..... তিনি আরও বলেছেন, আর যারা আল্লাহর রাহে নিহত হয়, তাদেরকে তুমি কখনো মৃত মনে করো না। বরং তারা নিজেদের পালনকর্তার নিকট জীবিত ও জীবিকাপ্রাপ্ত। - তো এটা প্রমাণ করছে শাহাদাত হল প্রাপ্তির বিষয়, অর্জনের বিষয়, পরাজয় কিংবা হারানোর কোনো বিষয় নয়।  

শহীদ সোলাইমানি ইরানের ওপর মার্কিন উস্কানিতে চাপিয়ে দেয়া ইরাকের ৮ বছরের যুদ্ধের সময় শহীদ-হওয়া তার সহযোদ্ধাদের কথা স্মরণ করে প্রায়ই অশ্রু-সজল হতেন এবং তাদের সঙ্গে শহীদ হতে পারেননি বলে গভীর দুঃখ প্রকাশ করতেন । তিনি নিজে ও ওই শহীদ যোদ্ধারা ছিলেন   ‘সারাল্লাহ’ বা ‘আল্লাহর কুরবানি’ নামক একটি বিশেষ ইউনিট বা গ্রুপের সদস্য। এই গ্রুপের সদস্য হিসেবেই সোলাইমানি বেশ কয়েকটি অভিযানে সফল কমান্ডার হিসেবে খ্যাতি অর্জন করেন এবং পরবর্তীকালে ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কুদস্ ব্রিগেডের কমান্ডার হওয়ার গৌরব অর্জন করেন।

ইহুদিবাদী ইসরাইলের হাত থেকে মুসলমানদের প্রথম কিবলা তথা আল-আক্‌সা মসজিদসহ পবিত্র শহর বায়তুল মোকাদ্দাসকে মুক্ত করা কুদস্‌ ব্রিগেডের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা সোলাইমানির শাহাদাতের কিছুকাল আগে তার সঙ্গে এক সাক্ষাতে শাহাদাতের জন্য এই মহান কমান্ডারের ব্যাকুল আকাঙ্ক্ষার কারণে দোয়া করে বলেছিলেন: মহান আল্লাহ আপনাকে শহীদ হিসেবে কবুল করবেন। মহান আল্লাহ এই দোয়া কবুল করেছেন।

শহীদ কাসেম সোলাইমানি কেবল ইরানের গৌরব নন। তিনি গোটা বিশ্ব-মানবতার ও বিশেষভাবে মুসলিম উম্মাহর গৌরব। সংকীর্ণ জাতিগত স্বার্থের চিন্তা তার চিন্তা-চেতনায় গুরুত্ব পায়নি, বরং মুসলিম উম্মাহর গৌরব ও স্বার্থ এবং বিশ্বের যে কোনো প্রান্তের মজলুমদের সহায়তা দেয়াকে তিনি তার দায়িত্ব বলে মনে করতেন। আর এ জন্যই মুসলমানদের প্রথম কিবলা তথা আল-আক্‌সা মসজিদসহ পবিত্র শহর বায়তুল মোকাদ্দাসকে মুক্ত করার লক্ষে গঠিত কুদস ব্রিগেডের প্রধান হওয়ার গৌরব অর্জন করেছিলেন তিনি।

লেবাননের কিংবদন্তীতুল্য ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর মহাসচিব সোলাইমানির শাহাদাতে গভীর শোক প্রকাশ করে বলেছিলেন, মহান আল্লাহ যদি বলতেন তোমার আয়ু থেকে বয়স কেটে নেয়ার শর্তে সোলাইমানির আয়ু বাড়ানোর প্রার্থনা কবুল করব তাহলে আমি তাই করতাম! ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে হিজবুল্লাহর সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল সোলাইমানির।

ফিলিস্তিনের জনপ্রিয় প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ও ইসলামী জিহাদের অনেক সাফল্যেরও নেপথ্যের অন্যতম রূপকার ছিলেন সোলাইমানি। তাই হামাসের প্রধান ইসমাইল হানিয়া সোলাইমানিকে পবিত্র কুদসের শহীদ বলে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। সোলাইমানি নিজে ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের ক্ষেপণাস্ত্র বিষয়ক প্রশিক্ষণের তদারকি করতেন তেহরানে!  

মহান আল্লাহর দরবারে শহীদ সোলাইমানির অমর আত্মার যথাযোগ্য সম্মানের প্রার্থনা জানিয়ে শেষ করছি আজকের এই বিশেষ আলোচনা।#

পার্সটুডে/এমএএইচ/আবুসাঈদ/০৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

ট্যাগ