নভেম্বর ২৯, ২০২১ ১৬:৩৭ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ২৯ নভেম্বর সোমবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি বাবুল আখতার। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

বাংলাদেশের শিরোনাম :

  • ওমিক্রন ঠেকাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৫ দফা নির্দেশনা-প্রথম আলো
  • ওমিক্রন: জরুরি ভিত্তিতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার দাবি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টের- মানবজমিন
  • সরকার খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে হত্যার দিকে নিয়ে যাচ্ছে : সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ- দৈনিক নয়াদিগন্ত
  • হাফ পাস দাবিতে শিক্ষার্থীদের ‘শাহবাগ অবরোধে’ পুলিশের বাধা- যুগান্তর
  • করোনাজয়ীদেরও ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে: ডব্লিউএইচও-দৈনিক সমকাল
  • সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ মাসে রাজধানীতে ১১৯ প্রাণহানি-দৈনিক যায়যায় দিন

ভারতের শিরোনাম:

  • অবশেষে কলকাতা পুরভোটে প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করল বিজেপি, তরুণ মুখ ৪৫, মহিলা ৫০-আনন্দবাজার পত্রিকা
  • বিরোধীদের বৈঠক আসলে নাটক,’ মমতা-সোনিয়াকে নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ -দৈনিক আজকাল
  • অনুপস্থিত কংগ্রেস-তৃণমূল, আলোচনা ছাড়াই সংসদে পাশ কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিস্তারিত:

ওমিক্রন ঠেকাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৫ দফা নির্দেশনা-প্রথম আলো

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসের দক্ষিণ আফ্রিকান ধরন ওমিক্রনের সংক্রমণ দেখা দেওয়ায় অধিকতর সতর্কতার অংশ হিসেবে ১৫ দফা নির্দেশনা জারি করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গতকাল রোববার অধিদপ্তরের রোগনিয়ন্ত্রণ ও লাইন পরিচালক মো. নাজমুল ইসলামের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্দেশনার কথা বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ওমিক্রন সম্পর্কে সতর্ক করেছে। এর জেরে দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, বতসোয়ানা, এসওয়াতিনি ও লেসোথোর সঙ্গে যুক্তরাজ্যসহ কিছু দেশ আকাশপথে যোগাযোগ বন্ধ করেছে।

করোনাভাইরাসের এই ধরন ডেলটার চেয়েও বেশি সংক্রামক বলে বিশেষজ্ঞরা মতামত প্রকাশ করেছেন। তাই এই ভাইরাস দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

ওমিক্রন বিষয়ে অধিকতর সতর্কতার অংশ হিসেবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জারি করা ১৫ দফা নির্দেশনা হলো—১.দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, বতসোয়ানা, এসওয়াতিনি, লেসোথো এবং ডব্লিউএইচও সামনে যেসব আক্রান্ত দেশের নাম ঘোষণা করবে; সেসব দেশ থেকে আগত যাত্রীদের বন্দরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও স্ক্রিনিং জোরদার করতে হবে;

২.সব ধরনের (সামাজিক/রাজনৈতিক/ধর্মীয়/অন্যান্য) জনসমাগম নিরুৎসাহিত করতে হবে;৩.প্রয়োজনে বাইরে গেলে প্রত্যেক ব্যক্তিকে বাড়ির বাইরে সর্বদা সঠিকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরাসহ সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে;৪.রেস্তোরাঁতে বসে খাওয়ার ব্যবস্থা ধারণক্ষমতার অর্ধেক বা তার কম করতে হবে;৫.সব ধরনের জনসমাবেশ, পর্যটনস্থান, বিনোদনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার, সিনেমা হল/থিয়েটার হল ও সামাজিক অনুষ্ঠানে (বিয়ে, বউভাত, জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি) ধারণক্ষমতার অর্ধেক বা তার কমসংখ্যক লোক অংশগ্রহণ করতে পারবে;

৬.মসজিদসহ সব উপাসনালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে;৭.গণপরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে;৮.আক্রান্ত দেশগুলো থেকে আগত যাত্রীদের ১৪ দিন কোয়ারেন্টিন নিশ্চিত করতে হবে;৯.সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান (মাদ্রাসা, প্রাক্‌-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক, বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান) ও কোচিং সেন্টারে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে;১০.সব স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে সেবাগ্রহীতা, সেবা প্রদানকারী ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সর্বদা সঠিকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরাসহ সব স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা নিশ্চিত করতে হবে;১১.স্বাস্থ্যবিধি মেনে টিকা কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে;

১২.করোনার উপসর্গ বা লক্ষণযুক্ত সন্দেহজনক ও নিশ্চিত করোনা রোগীর আইসোলেশন ও করোনা পজেটিভ রোগীর ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসা অন্যদের কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে;১৩.করোনার লক্ষণযুক্ত ব্যক্তিকে আইসোলেশনে রাখা এবং তাঁর নমুনা পরীক্ষার জন্য স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে সহায়তা করা যেতে পারে;১৪.অফিসে প্রবেশ ও অবস্থানকালে বাধ্যতামূলকভাবে নাক-মুখ ঢেকে মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা দাপ্তরিকভাবে নিশ্চিত করতে হবে;১৫.করোনা নিয়ন্ত্রণ ও কমানোর জন্য কমিউনিটি পর্যায়ে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার সচেতনতা তৈরির জন্য মাইকিং ও প্রচার চালানো যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, প্যাগোডার মাইক ব্যবহার করা যেতে পারে এবং ওয়ার্ড কাউন্সিলর, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যসহ নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করা যেতে পারে।

সরকার খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে হত্যার দিকে নিয়ে যাচ্ছে : সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ- দৈনিক নয়াদিগন্ত

সরকার তিনবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে তিলে তিলে হত্যার দিকে নিয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, যদি খালেদা জিয়াকে বাঁচতে দেয়া না হয়, তাহলে এই সরকারও বাঁচতে পারবে না। এদের কাউকে আর বিদেশে চিকিৎসা করতে দেয়া হবে না।

সোমবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ডিইউজে ও বিএফইউজের উদ্যোগে আয়োজিত খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে মানববন্ধন থেকে এসব কথা বলা হয়। এ সময় সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া সাংবাদিক সমাজের জন্য একটা সুদিন। তিনি সকল ক্ষেত্রেই সাংবাদিকদের অবদান নিয়ে কথা বলেছেন। সাংবাদিক সমাজ তাই সব সময় তার সাথে ছিল আর এখনো থাকবে।

খালেদা জিয়ার এই অবস্থানের জন্য সরকারকে দায়ী করে তিনি বলেন, সরকার তাকে কোনো চিকিৎসার ব্যবস্থা করছে না। আর এটা হচ্ছে সরকারের প্রতিহিংসার কারণে। উচ্চ আদালতের জামিন না দেয়ায় আজ মৃত্যুর দিকে ধাবিত হচ্ছেন খালেদা জিয়া। এর জন্য ওদেরও (সরকারের মন্ত্রী, এমপিদের) আইনের আওতায় আনা হবে।

হাফ পাস দাবিতে শিক্ষার্থীদের ‘শাহবাগ অবরোধে’ পুলিশের বাধা- যুগান্তর

ণপরিবহণে অর্ধেক ভাড়া কার্যকর করাসহ তিন দফা দাবিতে শিক্ষার্থীদের শাহবাগ অবরোধ কর্মসূচিতে পুলিশ বাধা দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।  প্রগতিশীল আটটি ছাত্র সংগঠন এই কর্মসূচির আয়োজক ছিল।  

তিন দফা দাবিতে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে শাহবাগ অবরোধের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি থেকে মিছিল বের করেন শিক্ষার্থীরা।

মিছিলটি শাহবাগের দিকে গেলে পুলিশ সদস্যরা বাধা দেন।  এ সময় নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়।  একপর্যায়ে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশ শুরু করেন।

শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছে-ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্র ফ্রন্ট, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, ছাত্র ফেডারেশন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, ছাত্র ফেডারেশন, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ এবং বিপ্লব ছাত্র-যুব আন্দোলন।

পুলিশি বাধার বিষয়ে বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক দিলীপ রায় বলেন, ‌সড়কে মিছিলে হামলা করে পুলিশ আবারও প্রমাণ করেছে যে, তারা নিরাপদ সড়ক চায় না।  তারা এর আগেও আমাদের ওপর হামলা করেছে।

বাংলাদেশ ছাত্র ফেড়ারেশনের সভাপতি মিতু সরকার বলেন, শিক্ষার্থীদের মিছিল দেখে তারা ভয় পেয়েছে। আমাদের অনেক আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীকে তুলে নেওয়া হয়েছে। এই আন্দোলন চলবে।

ওমিক্রন: জরুরি ভিত্তিতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার দাবি দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টের- মানবজমিন

ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের আরোপ করা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার দাবি করেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা। তার দেশ ও প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নসহ বিভিন্ন দেশের আরোপিত নিষেধাজ্ঞার নিন্দা জানিয়েছেন। এমন পদক্ষেপে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামাফোসা। এ ধরনের আচরণকে তিনি অন্যায় বলে আখ্যায়িত করে তা প্রত্যাহার দাবি করেছেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।দক্ষিণ আফ্রিকা এ মাসেই নতুন ও অত্যন্ত ভয়াবহ ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত করে এবং বুধবার তারা বিষয়টি অবহিত করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে। এরপর সংস্থাটি এই ভ্যারিয়েন্টকে ‘ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন’ হিসেবে আখ্যায়িত করে। প্রাথমিক তথ্যে বলা হচ্ছে, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টসহ এর আগে যেসব ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে ওমিক্রন তার চেয়েও অনেক বেশি ভয়াবহ। দক্ষিণ আফ্রিকায় গত দুই সপ্তাহে যেসব মানুষ নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, তার জন্য এই ভ্যারিয়েন্টই দায়ী।

করোনাজয়ীদেরও ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে: ডব্লিউএইচও-দৈনিক সমকাল

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন 'ওমিক্রন' নিয়ে প্রাথমিক তথ্য বিশ্লেষণের পর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলছে, ইতোমধ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়া ব্যক্তিদেরও নতুন এই ধরনে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

রোববার ডব্লিউএইচও এই তথ্য-উপাত্ত প্রকাশ করেছে। খবর এনডিটিভি ও দ্য হিন্দুর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, করোনার 'ডেলটা' ধরনের চেয়ে 'ওমিক্রন' দ্রুত ছড়ায় কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে আরটি-পিসিআর পরীক্ষায় ওমিক্রনে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়।

সংস্থাটি বলেছে, করোনার নতুন ধরনে আক্রান্ত ব্যক্তিরা গুরুতর অসুস্থ হন কি-না, তা এখনো পরিষ্কার নয়। তবে দক্ষিণ আফ্রিকায় সম্প্রতি হাসপাতালে করোনা রোগী ভর্তি হওয়ার সংখ্যা বাড়ছে। এর কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, সেখানে করোনার সার্বিক সংক্রমণ বাড়ছে।

সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ মাসে রাজধানীতে ১১৯ প্রাণহানি-দৈনিক যায়যায় দিন

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত রাজধানীতে ১১৪টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১১৯ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে পথচারী ৬২ জন, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ৩৩ জন এবং অন্যান্য যানবাহনের যাত্রী ও আরোহী ২৪ জন। রোববার (২৮ নভেম্বর) নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতে কাজ করা ‘রোড সেফটি ফাউন্ডেশন’ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন তাদের প্রতিবেদনে নগরীতে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনার জন্য ১২টি কারণ উল্লেখ করেছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে- পরিকল্পিত নগরায়ণ ও অপ্রতুল সড়ক, একই সড়কে অযান্ত্রিক-যান্ত্রিক, স্বল্প ও দ্রুতগতির যানবাহনের চলাচল এবং দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, সড়ক ব্যবহারকারীদের মধ্যে সচেতনতার অভাব, যথাস্থানে ফুটওভার ব্রিজ ও আন্ডারপাস না থাকা, রাজধানীর যাত্রীবাহী বাস টার্গেটভিত্তিক চালানোর ফলে চালক-শ্রমিকরা পথে পথে যাত্রী উঠানোর জন্য বেপরোয়া প্রতিযোগিতায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ নির্দিষ্ট স্থানে বাস-বে ও বাস স্টপেজ না থাকা, ঢাকা শহরের পাশ দিয়ে বাইপাস না থাকার ফলে রাত ১০টা থেকে সকাল পর্যন্ত পণ্যবাহী যানবাহন রাজধানীর ভেতরে বেপরোয়াভাবে চলাচল ইত্যাদি।

এবার ভারতের বিস্তারিত খবর তুলে ধরছি

 অবশেষে কলকাতা পুরভোটে প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করল বিজেপি, তরুণ মুখ ৪৫, মহিলা ৫০-আনন্দবাজার পত্রিকা

অবশেষে কলকাতা পুরভোটে প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করছে বিজেপি। তরুণ মুখ ৪৫, মহিলা ৫০। আইনজীবী রয়েছেন পাঁচ জন, চিকিৎক তিন জন, শিক্ষক চার জন।

কলকাতা পুরভোটে সবার আগে প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করেছিল বামফ্রন্ট। তার পর শাসকদল তৃণমূল। সবার শেষে প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। ১০২ নম্বর ওয়ার্ডে রিঙ্কু নস্করকে প্রার্থী করল না বিজেপি। বিধানসভা ভোটের আগে সিপিএম থেকে বিজেপি-তে আসেন তিনি। ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী সজল ঘোষ। ১০২ নম্বর ওয়ার্ডে ইন্দিরা গঙ্গোপাধ্যায়।

১৯ ডিসেম্বর কলকাতায় পুরভোট। ১ ডিসেম্বর, মানে আগামী বুধবার মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। তার আগে শনিবার দুপুর পর্যন্ত প্রার্থী তালিকা নিয়ে কোনও আলোচনাতেই বসেননি রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। বৃহস্পতিবার ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার দুপুরেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বামেরা। রাতে শাসক দল তৃণমূল। কিন্তু রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি শিবিরে খুব একটা তাপ উত্তাপ দেখা যায়নি। বিজেপি-র অবস্থা দেখে অনেকেরই মনে হয়েছিল, এই পরিস্থিতিতে কলকাতা পুরভোটকে যেন ‘লড়তে হয় তাই লড়া‍’ হিসেবে নিয়েছে পদ্মশিবির। সোমবার প্রার্থিতালিকায় তেমন কোনও বড় চমক না থাকলেও অন্তত এর ফলে সমালোচকদের মুখ যে কিছুটা বন্ধ হবে, তা বলা যায়।

বিরোধীদের বৈঠক আসলে নাটক,’ মমতা-সোনিয়াকে নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ -দৈনিক আজকাল

আজ থেকে শুরু সংসদের শীতকালীন অধিবেশন। তবে তার আগে সোমবার বিরোধী দলের নেতাদের নিয়ে বৈঠক ডেকেছেন রাজ্যসভায় কংগ্রেসের নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে। বৈঠকের উদ্দেশ্য বিভিন্ন দাবিতে বিরোধী ঐকমত্য তৈরি। তবে এই বৈঠকে যোগ দেবে না তৃণমূল। এবার বিরোধীদের বৈঠক নিয়ে কটাক্ষ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর কথায়, ‘মমতা ব্যানার্জি এখন নেতা হতে চাইছেন। সোনিয়ার দিন শেষ।’

রবিবারই অধীর চৌধুরী তৃণমূলের নাম না করে কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘কোনও কোনও বিরোধী দল এমনও আছে, প্রকাশ্যে হয়তো তারা বিরোধী। কিন্তু আসলে তারা সরকার পক্ষের সঙ্গেই রয়েছে। সরকারের সঙ্গে সংঘাতের পরিবেশ তৈরি হলে তারা সরে দাঁড়ায়। কিন্তু কংগ্রেস এমন করে না।’এরপর টুইটে লেখেন, ‘সংসদে বিরোধী ঐক্য থাকবে। সাধারণ বিষয়গুলো বিরোধীদের ঐক্যবদ্ধ করবে।’ 

বিরোধীদের ঘাত-প্রতিঘাতকেই নিশানা করে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘ওরা ঠিক করুক, কে কার সঙ্গে থাকবে না থাকবে। বিরোধীদের বৈঠক আসলে নাটক। ওদের বৈঠক নিয়ে বিজেপির কোনও মাথাব্যথা নেই। কে বৈঠক ডাকবে, কংগ্রেস না তৃণমূল, কোনটা মূল কোনটা নয়, ওরাই ঠিক করুক। এ সব করতে করতেই এই মরসুম কেটে যাবে।’

দিলীপের এমন মন্তব্যে সরব হন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। তিনি কটাক্ষ করে বলেন, ‘আমাদের দলের একটা বৈঠক আছে। যেখানে আমাদের উপস্থিত থাকতে হবে। তাছাড়া দিলীপ কী বলছেন, তা নিষ্প্রয়োজন। বাংলায় ভোটে গোহারা হেরেছে। এবার ওরা নিজেদের দলের ব্যর্থতা নিয়ে বরং ভাবুক।’

আলোচনার দাবি খারিজ করে ৪ মিনিটে বিল পাশ, মোদি সরকারের দিকে আঙুল TMC সহ বিরোধীদের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের (Parliament Winter Session) শুরুতে সংসদ ভবনের ঐতিহ্য নিয়ে বার্তা দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। যদিও সোমবার বিরোধীদের প্রতিবাদ স্লোগান, হই-হট্টগোলে দুপুর ১২টা অবধি মুলতুবি হয়ে যায় সংসদের দুই কক্ষের অধিবেশন। সংসদ ভবনের গান্ধী মূর্তির পাদদেশে প্রতিবাদ বিক্ষোভে সামিল হন তৃণমূল সাংসদরা। বিরোধীদের অভিযোগ, কৃষকদের সুবিধা-অসুবিধা নিয়ে কোনওরকম আলোচনা চায় না মোদী সরকার। এরপর তৃণমূল ও কংগ্রেসের অনুপস্থিতিতেই ধ্বনিভোটে পাশ হয়ে গেল কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল। 

এই বিষয়ে তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ ব্রায়েন টুইট করে কটাক্ষ করেছেন মোদীকে। ডেরেকের বক্তব্য, “আপনিই আলোচনা থেকে সরে থাকেন। সমস্যা হল, আপনার মন্ত্রীদের মধ্যে কেউ আপনাকে বোঝাতে পারেননি যে সংসদ ভবন মন কি বাতের জায়গা নয়। “ যদিও বিরোধীদের বিক্ষোভকে আমল না দিয়ে তৃণমূল ও কংগ্রেসের অনুপস্থিতিতেই পাশ হয়ে গেল কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল। লোকসভায় কংগ্রেসের নেতা অধীর চৌধুরি বললেন, ‘‌আমরা বিল পেশের সময় লখিমপুর খেরির ঘটনা নিয়ে আলোচনা চেয়েছিলাম। কোনও আলোচনা ছাড়াই বিল পাশ হয়ে গেল। এর আগেই আইন প্রত্যাহারের ছ’‌টি বিল পাশ হয়েছে সংসদে। প্রতি ক্ষেত্রেই আলোচনা হয়েছিল।’‌

একই সুর শোনা গেল এনসিপি সাংসদ সুপ্রিয়া সুলের গলায়। তিনি বললেন, ‘‌এই সরকার আলোচনা চায় না। ওদের বিতর্ক নিয়ে সমস্যা রয়েছে।’‌কংগ্রেসের আর এক সাংসদ শশী থারুর বললেন, ‘‌ওরা যা করল, তা ভুল। আমরা কৃষকদের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য, আন্দোলনে মৃতদের জন্য ক্ষতিপূরণের দাবি তুলে ধরতে চেয়েছিলাম। সরকার সেই সুযোগই দিল না।’‌ এসব অভিযোগ যদিও উড়িয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশি। তিনি বললেন, ‘‌বিরোধীদের উদ্দেশ্য আসলে কী, বুঝতেই পারছি না। দাবি ছিল, কৃষি আইন প্রত্যাহার। এমনকী বিরোধী দলগুলোও তাই চেয়েছিল। আমরা যখন বিল আনলাম, তখন ওরা ভেস্তে দিতে শুরু করল। ওরা কেন প্রতিবাদ করছে?‌ ইচ্ছাকৃত।’‌#

পার্সটুডে/বাবুল আখতার/২৯

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

ট্যাগ