ডিসেম্বর ০২, ২০২১ ১৬:৫৪ Asia/Dhaka
  • 'বাংলাদেশ আর পিছিয়ে যাবে না, এগিয়ে যাবে’

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি বাবুল আখতার। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

বাংলাদেশের শিরোনাম :

  • আইন-আদালতের প্রতি বিএনপির আস্থা নেই: কাদের-প্রথম আলো
  • বাংলাদেশ আর পিছিয়ে যাবে না, এগিয়ে যাবে’-দৈনিক কালেরকণ্ঠ
  • তালেবান এবং মিয়ানমার জান্তাকে আপাতত জাতিসংঘে প্রবেশ করানো সম্ভব নয়- মানবজমিন
  • ফেসবুকে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের ভাবমূর্তি বিনষ্টের অপচেষ্টা চলছে’ - যুগান্তর
  • স্বাধীনতা নয় আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার চায় পাহাড়ি জনগোষ্ঠী: সন্তু লারমা সমকাল

ভারতের শিরোনাম:

  • কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পুরভোট, রাজ্য বিজেপি-র দাবির প্রতিধ্বনি রাজ্যপালের কণ্ঠে-আনন্দবাজার পত্রিকা
  • জাতীয় সংগীতের ‘‌অবমাননা’‌!‌ মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের বিজেপির  -দৈনিক আজকাল
  • বাংলা বদলে গিয়েছে’, মমতার মডেলের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা মুম্বইয়ের শিল্পপতিদের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিস্তারিত:

আইন-আদালতের প্রতি বিএনপির আস্থা নেই: কাদের-প্রথম আলো

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আইন-আদালতের প্রতি আস্থা নেই বলেই বিএনপির নেতারা খালেদা জিয়ার বিদেশে যাওয়ার বিষয়ে আইন কোনো বাধা নয়, বাধা হচ্ছে সরকার বলে বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আজ বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর সরকারি বাসভবনে বিএনপির নেতাদের বিভিন্ন বক্তব্যের জবাবে এ কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রকৃতপক্ষে বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যে প্রমাণিত হয়েছে যে তাঁরা দেশের আইন-আদালতের কোনো তোয়াক্কা করেন না।

গতকাল বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে একটি সমাবেশে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, কেন সরকার খালেদা জিয়াকে বিদেশে যেতে দিতে চায় না? তারা আইনের কথা বলে। এই আইনের মধ্যেই বলা আছে, ইচ্ছা করলে সরকার তাঁকে যেতে দিতে পারে। বাধা আইন নয়, বাধা হচ্ছে সরকার। এই অবৈধ সরকার তাঁকে (খালেদা জিয়া) রাজনীতি থেকে সরিয়ে দিয়েছে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের এমন বক্তব্যের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘সরকার যদি অবৈধই হয়, তাহলে এই অবৈধ সরকারের কাছে দাবি করছেন কেন?’ মির্জা ফখরুলের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘আর এই সরকার অবৈধই-বা কী করে হয়? সংসদে তো আপনাদেরও বৈধভাবে প্রতিনিধিত্ব রয়েছে।

বাংলাদেশ আর পিছিয়ে যাবে না, এগিয়ে যাবে’-দৈনিক কালেরকণ্ঠ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ আর পিছিয়ে যাবে না, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ ইনশাআল্লাহ সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা গড়ে তুলব।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স কোর্স ২০২১ (এনডিসি)’ এবং ‘আর্মড ফোর্সেস ওয়ার কোর্স ২০২১ (এএফডাব্লিউসি )’-এর গ্র্যাজুয়েশন সিরিমনিতে প্রধান অতিথির ভাষণে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মিরপুর ক্যান্টনমেন্টস্থ ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ (ডিএসসিএসসি) শেখ হাসিনা কমপ্লেক্সে সংযুক্ত হয়ে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। প্রেক্ষিত পরিকল্পনা-২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা ‘অগ্রসেনা’ হিসেবে কাজ করে যাবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে ’৪১-এর প্রেক্ষিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অগ্রসেনা হিসেবে কাজ করে যাবেন।

ফেসবুকে বিএনপির শীর্ষ নেতাদের ভাবমূর্তি বিনষ্টের অপচেষ্টা চলছে’ - যুগান্তর

ষড়যন্ত্রকারীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপির শীর্ষস্থানীয় নেতাদের ভাবমূর্তি বিনষ্টের অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। 

তিনি বলেছেন, কিছু অসাধু ও অপপ্রচারকারী সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া পেজ ব্যবহার করে বিএনপি এবং এর শীর্ষ নেতাদের সম্পর্কে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিমূলক কুৎসা রটাচ্ছে।  মহল বিশেষের প্ররোচনায় গভীর চক্রান্তের অংশ হিসেবেই এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।  অপপ্রচারকারী ও ষড়যন্ত্রকারীরা বিএনপির বিরুদ্ধে সরকারি নীলনকশা বাস্তবায়নের সক্রিয় সদস্য।  বৃহস্পতিবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিএনপি ও দলের নেতাদের সম্পর্কে মিথ্যাচার, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য ছাড়াও উসকানিমূলক বক্তব্য-মন্তব্য প্রচার করা হচ্ছে, যার সঙ্গে বিএনপির বিন্দুমাত্র সংশ্লিষ্টতা নেই। এরা ষড়যন্ত্রকারীদের এজেন্ট হিসেবে বিএনপি নেতাদের ভাবমূর্তি বিনষ্টের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।

তালেবান এবং মিয়ানমার জান্তাকে আপাতত জাতিসংঘে প্রবেশ করানো সম্ভব নয়- মানবজমিন

বুধবার ১৯৩টি দেশ নিয়ে গঠিত জাতিসংঘের একটি কমিটির বৈঠকে স্থির হয়েছে আফগানিস্তানের তালেবান বা মিয়ানমারের জান্তাকে আপাতত তাদের দেশের প্রতিনিধিত্ব করার অনুমতি দেয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। এমনটাই বলছেন কূটনীতিকরা। তালেবান এবং মিয়ানমারের জান্তা জাতিসংঘে উভয় আসনে নিজেদের প্রতিনিধি নিয়োগ করতে চাইছে। এদিকে তাদের ক্ষমতাচ্যুত সরকার দ্বারা নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত এখনো জাতিসংঘেই রয়েছেন।তালেবান বা মিয়ানমারের জান্তার গ্রহণযোগ্যতা যদি জাতিসংঘে স্বীকৃত হয় তাহলে তা হবে তাদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দিকে একটি বড় পদক্ষেপ। রাশিয়া, চীন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে গঠিত ৯ সদস্যের জাতিসংঘের শংসাপত্র কমিটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বর্তমান অধিবেশনের মধ্যেই ১৯৩টি দেশের মতামত বিবেচনা করার জন্য বৈঠক করবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চারজন কূটনীতিক রয়টার্সকে বলেছেন, কমিটি সম্ভবত আফগানিস্তান ও মিয়ানমারের প্রতিনিধিত্বের বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্থগিত করতে পারে।

স্বাধীনতা নয় আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার চায় পাহাড়ি জনগোষ্ঠী: সন্তু লারমা সমকাল

নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্যই পাহাড়ি জনগোষ্ঠী লড়াইয়ে নেমেছিল ৷ রাষ্ট্রের আশ্বাসে তারা শান্তিচুক্তি করেছিল ৷ কিন্তু রাষ্ট্র আজও শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন করেনি ৷ ভূমির অধিকার ফিরে পায়নি ৷ পাহাড়ি জাতিগোষ্ঠীর ওপর নানা জুলুম চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে ৷ জুম চাষ বন্ধের চক্রান্ত হচ্ছে ৷ এভাবে চললে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা কঠিন হয়ে পড়বে ৷ আদিবাসিরা কখনো স্বাধীনতা চায়নি ৷ তারা নিজেদের সংস্কৃতি ভাষা স্বাতন্ত্র রক্ষায় আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার চায় ৷ পার্বত্য চট্টগ্রাহ জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) প্রধান, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের চেয়ারম্যান জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় (সন্তু) লারমা এসব কথা বলেছেন ৷ পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তির দুই যুগ পূর্তিতে ঢাকার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন ৷ জেএসএস ও আদিবাসী ফোরাম এই আলোচনা সভার আয়োজন করে ৷

অনুষ্ঠানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সাদেকা হালিম বলেন, চুক্তির বেশ কিছু অংশ বাস্তবায়ন করতে পারছে না সরকার৷ পর্যটন উন্নয়নের নামে নানা কার্যক্রম আঞ্চলিক পরিষদকে পাশ কাটিয়ে করা হচ্ছে ৷ আদিবাসীদের সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি৷ 

কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পুরভোট, রাজ্য বিজেপি-র দাবির প্রতিধ্বনি রাজ্যপালের কণ্ঠে-আনন্দবাজার পত্রিকা

কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে কলকাতা পুরভোট করানোর দাবি বুধবারই জানিয়েছিলেন রাজ্য বিজেপি-র সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তার ঠিক ২৪ ঘণ্টার মধ্যে একই সুর শোনা গেল রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের গলায়। বৃহস্পতিবার সকালে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসের সঙ্গে প্রায় ৪৫ মিনিট বৈঠক করেন রাজ্যপাল। বৈঠকে ধনখড় কলকাতা পুরভোট প্রস্তুতির গতি-প্রকৃতি নিয়ে কমিশনারের কাছে জানতে চান। ওই বৈঠকে রাজ্যপাল সুষ্ঠু ভাবে পুরভোট করানোর জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনি নামানোর পক্ষে সওয়াল করেন।

রাজভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, আসন্ন নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ভাবে করানোর জন্য রাজ্যপাল রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে জানতে চান, কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সৌরভ দাস তাঁকে জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট করানোর জন্য সমস্ত ব্যবস্থাই নেওয়া হবে।

জাতীয় সংগীতের ‘‌অবমাননা’‌!‌ মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের বিজেপির  -দৈনিক আজকাল

মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে জাতীয় সংগীত অবমাননার অভিযোগ তুলল বিজেপি। মুম্বইয়ের এক বিজেপি নেতা সেই অভিযোগ করে এফআইআর দায়ের করলেন। চেয়ারে বসেই নাকি জাতীয় সংগীত গেয়েছেন তিনি। ওই বিজেপি নেতার অভিযোগ, জাতীয় সংগীতের প্রতি সম্পূর্ণ অসম্মান দেখানোর জন্য অভিযোগ করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘‌বসা অবস্থায় জাতীয় সংগীত গেয়েছেন মমতা এবং তারপর ৪ বা ৫টি শ্লোকের পরে হঠাৎ জাতীয় সংগীত থামিয়ে দেন তিনি।’‌

বঙ্গ বিজেপির তরফেও সেই ভিডিও প্রকাশ করা হয়েছে। লেখা হয়েছে, ‘‌মমতা ব্যানার্জি প্রথমে বসেছিলেন। তারপর উঠে দাঁড়ান। তারপর মাঝপথেই জাতীয় সংগীত গাওয়া বন্ধ করে দেন। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে আজ উনি বাংলার সংস্কৃতি, জাতীয় সংগীত, দেশ এবং গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে অপমান করেছেন।’‌ পাশাপাশি তোপ দেগেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। তিনি লেখেন, ‘‌বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মুম্বইয়ে একটি সম্মেলনে সংবিধানিক পদে বসে জাতীয় সংগীতের অবমাননা করেছেন। তিনি কি জাতীয় সংগীতের শিষ্টাচার সঠিকভাবে জানেন না?‌ নাকি জেনে শুনে এমনটা করেছেন?’‌ 

যদিও এর পাল্টা দিয়েছেন তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। জাতীয় সঙ্গীত নিয়ে মমতা ব্যানার্জির বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন কুৎসা করছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী ‘‌জন গণ’‌ গাননি। গানের শব্দ ধরে ভাবার্থ বিশ্লেষণ করে দেশের ঐক্য, ঐতিহ্য, সম্প্রীতি, সংহতির কথা তুলে ধরছিলেন। বিজেপি না বোঝে প্রকৃত জাতীয়তাবাদ, না বোঝে জাতীয় সংগীত, না বোঝে জাতীয় সংহতি।’‌

বাংলা বদলে গিয়েছে’, মমতার মডেলের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা মুম্বইয়ের শিল্পপতিদের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

বাণিজ‌্যনগরীতে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা মমতা-মডেলের। বিদ্বজ্জনদের সভা থেকে শিল্পবাণিজ্যের মঞ্চ, সর্বত্রই বাংলার মুখ‌্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ‌্যায়ের (Mamata Banerjee) সামাজিক প্রকল্পগুলির জয়গান। সেই সঙ্গে রাজ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁর নেতৃত্বের সরকারের সাফল‌্যগুলিও বারবার উঠে এল আলোচনায়।

বুধবার সন্ধ‌েয় মুম্বইয়ের একটি বেসরকারি হোটেলে ইয়ং প্রেসিডেন্টস অর্গানাইজেশনের (ওয়াইপিও) আয়োজনে একটি শিল্পসভায় যোগ দেন মুখ‌্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাৎপর্যপূর্ণভাবে অনুষ্ঠান মঞ্চের ব‌্যাকগ্রাউন্ডে মমতাকে ‘বাংলার বাঘিনী’ বলে উল্লেখ করা হয়। অনুষ্ঠানে মমতার সঙ্গে কথোপকথনে ছিলেন বিশিষ্ট শিল্পপতি নিরঞ্জন হীরানন্দানি।

সেখানে কথাপ্রসঙ্গে উঠে আসে, মমতা কীভাবে তৃণমূল স্তর থেকে উঠে এসেছেন, তাঁর একেবারে শুরুর দিনের আন্দোলনের অধ‌্যায়। তাঁরই নেতৃত্বে বাংলা কীভাবে সর্বক্ষেত্রে সারা দেশের কাছে ‘মডেল’ হয়ে উঠেছে। মমতাও সেখানে ব‌্যাখ‌্যা করেন, তিনি কীভাবে নিয়মানুবর্তিতার সঙ্গে জীবনযাপন করেন, তিনি কীভাবে রাজ্যের জন‌্য কাজ করেছেন, কীভাবে তাঁর প্রকল্পগুলি মডেল হয়ে উঠেছে। কথোপকথনে মমতা বলেন, “শুধু বাংলার উন্নয়ন করেছি তা-ই নয়, রেলমন্ত্রী হিসাবে আমি যে কাজ করেছিলাম সেগুলো দেখেও মানুষের মনে আমার প্রতি আস্থা এসেছিল এবং মানুষ আমাকে সমর্থন করেছিল।” তিনি আরও বলেন, “সিপিএমকে হারানো সোজা ছিল না, কিন্তু আমি কখনও হতাশ হইনি। লড়াই চালিয়ে গিয়েছি।”#

 

পার্সটুডে/বাবুল আখতার/২

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

ট্যাগ