ডিসেম্বর ১৭, ২০২১ ২০:২৪ Asia/Dhaka

রংধনু আসরের কাছের ও দূরের শিশু-কিশোর বন্ধুরা, আমাদের অনেক অনেক প্রীতি আর শুভেচ্ছা নাও। আশা করি যে যেখানে আছো ভালো ও সুস্থ আছো। আজকের আসরে তোমাদের স্বাগত জানাচ্ছি আমি নাসির মাহমুদ  এবং আমি আকতার জাহান।

আকতার জাহান: বন্ধুরা, তোমরা নিশ্চয়ই আমিরুল মুমিনীন হযরত আলী (আ.)-এর নাম শুনেছো। তিনি ছিলেন মুসলিম জাহানের চতুর্থ খলিফা বা শাসক। আসাদুল্লাহ বা ‘আল্লাহর সিংহ' ছিল তাঁর উপাধি। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা:)’র জীবদ্দশায় প্রায় প্রতিটি যুদ্ধে বিজয়ের তিনিই ছিলেন প্রধান স্থপতি।  

নাসির মাহমুদ: শুধু তাই নয়, হযরত আলী (আ.) ছিলেন মজলুমের বন্ধু, মহানবী (সা.)’র জ্ঞান-নগরীর তোরণ, এতিম ও অনাথের সেবক, শ্রেষ্ঠ আবেদ এবং ন্যায়বিচার ও সুশাসনের প্রতীক। সূক্ষ্ম বুদ্ধি ও কৌশলপূর্ণ নিখুঁত বিচারের জন্য হযরত আলীকে রাসূল (সা.)’র পর ইতিহাসের 'সর্বশ্রেষ্ঠ বিচারক' বলা যেতে পারে। তাঁর বিচারবুদ্ধি, মেধা, তাঁর জ্ঞানের কথা প্রবাদতুল্য।

আকতার জাহান: আলী (আ.) ছিলেন নিঃস্ব ও সম্পদহীন, অথচ সর্বশ্রেষ্ঠ দাতা। দানশীল ছিলেন বলেই সম্পদ তাঁর হাতে গচ্ছিত থাকত না। মরহুম ইমাম খোমেনী (রহ.) বলেছেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা বা পদের চাকচিক্য কখনই বিন্দুমাত্র আকর্ষণ সৃষ্টি করতে পারেনি ইমাম আলীর হৃদয়ে। রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা বা পদ তাঁর কাছে কখনও লক্ষ্য ছিল না, ছিল নানা মহৎ উদ্দেশ্য পূরণের মাধ্যম মাত্র। তিনি ইবনে আব্বাসকে বলেছিলেন, “তোমাদের শাসক হওয়া আমার কাছে একটি জুতার চেয়েও কম মূল্যের বিষয়, অবশ্য এই শাসনের মাধ্যমে আমি যদি তোমাদের মধ্যে সত্য বা ইসলামকে প্রতিষ্ঠা ও বাতিল তথা অন্যায্য আইন ও ব্যবস্থাকে বিলুপ্ত করতে পারি তা ভিন্ন কথা।  

আকতার জাহান: অর্থাভাবে নিজে কষ্ট করলেও তিনি কখনো কোনো সাহায্যপ্রার্থীকে বিমুখ করে ফিরিয়ে দেননি। তবে সবকিছু করতেন নিজের সামর্থ্যের মধ্যে। শাসক থাকার সময়েও সবার থেকে প্রতিটি কানাকড়িরও হিসাব সুষ্ঠুভাবে গ্রহণ করতেন। বায়তুলমালকে সমস্ত মুসলমানের অধিকার বলে মনে করতেন তিনি। তাইতো কখনেই বায়তুলমালের অপব্যবহার করেননি। রাষ্ট্রীয় সম্পদের প্রকৃত রক্ষক ছিলেন তিনি।

নাসির মাহমুদ:  বন্ধুরা, আজকের আসরে আমরা এ সম্পর্কেই একটি ঐতিহাসিক ঘটনা শোনাব। এর পর থাকবে একটি গান। আমাদের আজকের অনুষ্ঠানটিও তৈরি করেছেন আশরাফুর রহমান। তাহলে প্রথমেই হযরত আলীর আমানতদারী সম্পর্কে সত্য ঘটনাটি শোনা যাক।  

আকতার জাহান: আমিরুল মুমিনীন হযরত আলী (আ.)-এর শাসনকাল। মুসলিম জাহানের রাজধানী তখন কুফায়। একদিন হযরত আলীর ভাই জনাব আকিল কুফায় তাঁর বাড়িতে মেহমান হলেন। ভাইকে দেখে হযরত আলী তাঁর বড় ছেলে ইমাম হাসানকে ইঙ্গিত করলেন চাচা আকীলকে একটি জামা উপহার দিতে। ইমাম হাসান একটি জামা ও নিজের পক্ষ থেকে একটি চাঁদর চাচার খেদমতে হাদিয়া হিসেবে পেশ করলেন।

নাসির মাহমুদ:  তখন ছিল গ্রীষ্মকাল। হযরত আলী (আ.) ও তাঁর ভাই আকিল দারুল ইমারাহ নামক সরকারি ভবনের ছাদে বসে আলাপ আলোচনা করছিলেন। কথাবার্তার মধ্য দিয়ে রাতের খাবারের সময় হলো। জনাব আকিল নিজেকে খলিফার মেহমান হিসেবে ভাবছিলেন। তাই তার আশা ছিল যে, আজ দস্তরখানায় নানা পদের মজাদার খাবার সাজানো থাকবে। কিন্তু তার আশার বিপরীতে অত্যন্ত সাধারণ খাবার দস্তরখানে দেখতে পেলেন। অবাক হয়ে দস্তরখানের দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করলেন: "আজকের রাতের খাবার কি এগুলোই নাকি আরও কিছু আছে?"

আকতার জাহান: আলী (আ.) বললেন: "ভাইজান, এগুলো কি খোদার নেয়ামত নয়? আমিতো খোদার এ নেয়ামতগুলোর জন্যই লাখো লাখো শুকর আদায় করি।"

নাসির মাহমুদ: আলীর কথা শুনে আকিল বললেন: "তোমার যে অবস্থা তাতে এটাই আমি ভালো মনে করছি যে, আমার প্রয়োজনের কথাটা তোমাকে বলব এবং তাড়াতাড়ি এখান থেকে বিদায় নেবো। আসল কথা হলো যে, আমি ঋণের বোঝার নিচে ডুবে আছি। এখন তুমি একটি হুকুম জারী করে দাও যে, তাড়াতাড়ি যেন বায়তুলমাল থেকে আমার ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করা হয়। এ ছাড়াও ভাই হিসেবে যতদূর তোমার পক্ষে সম্ভব আমাকে সাহায্য করো যাতে করে আমি ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি লাভ করে খুশি মনে বাড়ি ফিরতে পারি।"

আকতার জাহান: হযরত আলী (আ.) জানতে চাইলেন: "আপনার ঋণ কত?"

নাসির মাহমুদ:  জনাব আকিল বললেন: "এক লাখ দিরহাম"।

আকতার জাহান:  হযরত আলী বললেন, "ওরে আল্লাহ্! এক লাখ দিরহাম! ভাইজান এটাতো বিরাট অংকের অর্থ? অত্যন্ত আফসোসের সাথে বলতে হচ্ছে যে, আমার কাছে এতো পরিমাণ অর্থ নেই যে, আপনার ঋণ পরিশোধ করতে পারি। কিন্তু কিছুদিন অপেক্ষা করুন। আমার মাসিক ভাতা পাওয়ার সময় নিকটবর্তী। আমার ভাতার টাকা থেকে আমার নিজের অংশটা আপনাকে দিয়ে দেবো। ভাইয়ের প্রতি ভাইয়ের যে অধিকার রয়েছে সে ব্যাপারে আমি বিন্দুমাত্র কার্পন্য করব না। যদি পরিবার-পরিজনের দায়-দায়িত্ব আমার ওপর না থাকতো তাহলে আমি আমার সব পয়সাই আপনাকে দিয়ে দিতাম। আমার নিজের জন্য এক কপর্দকও রাখতাম না।"

নাসির মাহমুদ:  আকিল ইবনে আবি তালিব বললেন: "তুমি এসব কি বলছো? আমি তোমার বেতন পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করব? তুমি এ ধরণের কথাবার্তা কেন বলছ? দেশের সমস্ত সম্পদ ও বায়তুলমাল তোমার হস্তগত। আর তুমি কিনা আমাকে বলছ- আমার বেতনের সময় নিকটবর্তী। অথচ বায়তুলমাল তোমার হাতেই, আর তুমি আমাকে বেতনের অপেক্ষা করতে বলছো। আর কত টাকাইবা তুমি বায়তুলমাল থেকে বেতন পাও? ধরে নাও তুমি তোমার সমস্ত বেতনটাই আমাকে দিয়ে দিলে, তাতেও তো আমার উদ্দেশ্য হাসিল হচ্ছে না।"

আকতার জাহান: হযরত আলী (আ.) বললেন: "আপনার চিন্তা-ভাবনার দেখে আমি অবাক হচ্ছি। রাষ্ট্রের বায়তুলমালে টাকা-পয়সা আছে কী নেই, তাতে আমার আর আপনার কি আসে যায়? আমার ও আপনারতো ততখানিই অধিকার যতখানি আর সব মুসলমানের রয়েছে। এ কথা সত্য যে, আপনি আমার ভাই। অতএব আমার কর্তব্য রয়েছে- যথাসাধ্য আপনাকে সাহায্য করা। কিন্তু সে সাহায্য বায়তুলমাল থেকে নয় বরং ব্যক্তিগত অর্থ থেকে।"

নাসির মাহমুদ: এভাবে দু'ভাইয়ের মধ্যে কথাবার্তা চলতে থাকল। আকিল ইবনে আবি তালিব নিজ ভাই হযরত আলীকে বার বার বলতে থাকলেন যে, বায়তুলমালের দ্বার খুলে দিয়ে সেখান থেকে তার প্রয়োজনীয় অর্থ তাকে দিয়ে দিতে। কিন্তু হযরত আলী কিছুতেই তার প্রস্তাবে রাজি হলেন না। এরপর কী হলো- তা বলছি খানিকটা মিউজিক বিরতির পর।

আকতার জাহান: হযরত আলী ও তার বড় ভাই যেখানে বসে কথাবার্তা বলছিলেন সেখান থেকে কুফার বাজার পরিস্কার দেখা যাচ্ছিল। ব্যবসায়ীদের নিজেদের টাকা-পয়সা রাখার সিন্ধুকগুলোও দৃষ্টিগোচর হচ্ছিল। জনাব আকিল বার বার তার ভাই আলীর কাছে জিদ ধরে বলছিলেন, "আমাকে বায়তুলমাল থেকে প্রয়োজনীয় টাকা পয়সা দিয়ে দাও, যাতে করে আমি ঋণমুক্ত হতে পারি"।

নাসির মাহমুদ:  অন্যদিকে হযরত আলী (আ.) বলছিলেন: "আপনি খালি খালি জিদ করছেন আর আমার কথা বুঝতে চাচ্ছেন না। আপনি যদি আমার কথা বুঝতে না চান তাহলে আসুন আমি আপনাকে একটা উপায় বলে দিচ্ছি। যদি সে পন্থা অবলম্বন করতে পারেন, তাহলে আপনার সমস্ত ঋণ পরিশোধ হয়ে যাবে। শুধু তাই নয়, আপনার নিজের খরচাদির জন্যও অনেক টাকা বেঁচে যাবে।"

আকতার জাহান জনাব আকিল বললেন: তুমি কোন্‌ উপায়ের কথা বলছ?"

নাসির মাহমুদ:  হযরত আলী বললেন: "দেখুন এ বাজারের খোলা জায়গায় অনেক টাকার সিন্ধুক পড়ে আছে। এখন রাত্রিবেলা। সমস্ত বাজার নিরব নিস্তব্ধ। আপনি নিচে চলে যান। বাজারে গিয়ে সিন্ধুকগুলোর তালা ভেঙ্গে আপনার যত টাকা প্রয়োজন নিয়ে নিন।"

আকতার জাহান: আকিল বললেন: "এ সিন্ধুকগুলা কার"?

নাসির মাহমুদ:  আলী (আ.) বললেন: "এগুলো ব্যবসায়ীদের নিজস্ব সিন্ধুক। তারা সারা দিন কেনাবেচা করে যা টাকা আমদানি করেছে তা ওই সিন্ধুকগুলোতেই রেখে বাড়ি চলে গেছে।"

আকতার জাহান: আকিল বললেন: "বড় আশ্চর্যের কথা! তুমি আমাকে পরামর্শ দিচ্ছো যে, লোকদের সিন্ধুকের তালা ভেঙ্গে সেসব লোকের টাকা-পয়সা নিয়ে নেব যারা সারাদিন খেটে, কষ্ট ক্লেশ করে টাকা পয়সা উপার্জন করে! আরে, যারা নিজেদের সমস্ত কামাই পুঁজি আল্লাহর উপর ভরসা করে এ সিন্ধুকগুলোতে রেখে চলে গেছে- তুমি কি করে আমাকে তাদের অনুপস্থিতিতে তাদের জমাকৃত টাকা-পয়সা চুরি করে নিয়ে যেতে বলছ?"

নাসির মাহমুদ:  আলী (আ.) বললেন: তাহলে আপনি আমাকে এ পরামর্শ কেন দিচ্ছেন যে, আমি সমস্ত মুসলমানদের বায়তুলমালের তালা খুলে আপনার প্রয়োজনীয় টাকা-পয়সা আপনাকে দিয়ে দেবো? আপনি নিজেই বলুন, এ বায়তুলমাল কার? এ সম্পদ তো তাদের যারা নিজেদের ঘর-বাড়িতে আরামে শুয়ে আছে। আপনি খুব ভালোভাবেই জানেন যে, বায়তুলমাল আমার নিজস্ব সম্পদ নয়। যেভাবে রাতের অন্ধকারে ব্যবসায়ীদের সিন্ধুক ভাঙ্গা একটি অবৈধ কাজ, তেমনি ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বায়তুলমালের দরজা খেলাও অপরাধ! আপনি যদি বিষয়টি বুঝতে সক্ষম না হন তাহলে আচ্ছা আসুন! আমি আপনাকে আর একটা পন্থাও বলছি। যদি আপনার পছন্দ হয় তাহলে এ প্রস্তাবটি গ্রহণ করতে পারেন।"

আকতার জাহান: আকিল বললেন: "তোমার দ্বিতীয় প্রস্তাবটি কী?"

নাসির মাহমুদ:  আলী বললেন, "আপনি যদি ভালো মনে করেন তাহলে আপনি আপনার তলোয়ার হাতে নিন। আমিও আমার তলোয়ার তুলে নেব। কুফার নিকটেই পুরাতন শহরের নাম 'হাইরাহ'। সেখানে বড় বড় বণিক-সওদাগরের বাড়ি-ঘর। রাতের অন্ধকারে আমরা দুই ভাই মিলে সেখানে যাব। আর সওদাগরদের কোনো একজনের বাড়িতে হামলা করে পর্যাপ্ত টাকা পয়সা ডাকাতি করে নিয়ে আসব।"

আকতার জাহান: আকিল বললেন, "হে আমার প্রিয় ভাই! আমি এখানে চুরি-ডাকাতি করার জন্য আসিনি। তুমি আমাকে এসবের প্রস্তাব কেন দিচ্ছো? আমিতো কেবল তোমাকে এ কথা বলছি যে, আমাকে রাষ্ট্রীয় বায়তুলমাল থেকে প্রয়োজনীয় টাকা-পয়সা দান করো যে, আমি ঋণের বোঝা থেকে মুক্ত হতে পারি।"

নাসির মাহমুদ:  আলী (আ.) বললেন, "আমরা দু'ভাই মিলে এক ব্যক্তির মাল চুরি করা উত্তম নাকি হাজার হাজার মুসলমানের তথা সমস্ত মুসলমানের অধিকার চুরি করা উত্তম? এটা আপনার কোন্‌ ধরণের চিন্তা-ভাবনা যে, তলোয়ারের সাহায্যে এক ব্যক্তির মালামাল চুরি করা চুরি কিন্তু বায়তুলমাল থেকে সাধারণ মুসলমানের টাকা তুলে নেয়া চুরি নয়? আমার মনে হয় আপনার নিকট চুরি-ডাকাতির অর্থ হচ্ছে- কোনো লোক নিজের শক্তি প্রয়োগ করে কারো কাছ থেকে তার মাল ছিনিয়ে নেয়া। ভাইজান! আপনি বায়তুল মালের দরজা খুলে টাকা-পয়সা বের করার কথা বলছেন। কিন্তু আপনার জানা থাকা উচিত যে, সব চাইতে নিকৃষ্ট চুরি হচ্ছে এটাই, যা আপনি এখন আমাকে করার জন্য বলছেন।"

আকতার জাহান: বায়তুলমাল রক্ষায় হযরত আলীর দৃঢ়তা দেখে আকিল ইবনে আবি তালিব ব্যর্থ মনোরথ হয়ে নিজ বাড়িতে ফিরে যান। ভাইকে খালি হাতে ফিরিয়ে দিয়ে নিজে  কষ্ট পেলেও আল্লাহর অবাধ্য হতে রাজি ছিলেন না হযরত আলী। তিনি বলতেন, "আল্লাহর কসম, আমাকে সপ্ত আকাশ ও জমিনের রাজত্ব দিলেও আমি পিপীলিকার মুখে বাহিত যবের দানা পরিমাণও আল্লাহর অবাধ্য হতে পারব না। তোমাদের দুনিয়া আমার কাছে একটা পতঙ্গের মুখে চর্বিত পাতা অপেক্ষাও মূল্যহীন। যে সম্পদের কোনো স্থায়িত্ব নেই এবং যে আনন্দ-উপভোগ সহসাই চলে যাবে তা দিয়ে আমি কী করব?"

নাসির মাহমুদ: বন্ধুরা, এবারে রয়েছে হযরত আলী (আ.)-কে নিয়ে একটি আরবী গান। 'আমিরুনা ইয়া আলী' শিরোনামের গানটির গীতিকার সাইয়্যেদ আলাভি আল-গারিফি। আর গেয়েছে ইরাকি শিশুশিল্পী আম্মার আল-হালওয়জি ও তার সঙ্গীরা। 

আকতার জাহান: বন্ধুরা, তোমরা গানটি শুনতে থাকো আর আমরা বিদায় নিই রংধনুর আজকের আসর থেকে।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৭

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

 

ট্যাগ