জানুয়ারি ২০, ২০২২ ১৮:০৭ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২০ জানুয়ারি বৃহষ্পতিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ দুটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • মতামত ‘পিয়ন পর্যন্ত আমাদের দাম দেয় না’ কেন-প্রথম আলো
  • শান্তিরক্ষা মিশনে র‌্যাবকে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে জাতিসংঘে ১২ সংস্থার চিঠি -মানবজমিন
  • বড়পুকুরিয়া: খালেদা জিয়ার অভিযোগ গঠনের শুনানি ৬ মার্চ-ইত্তেফাক
  • সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ডিসিদের নির্দেশ-যুগান্তর
  • দেশে চার প্রদেশ চার হাইকোর্ট চেয়ে আইনি নোটিশ-কালের কণ্ঠ

ভারতের শিরোনাম:

  • ফের বিজেপি-তে বিদ্রোহ, কেন্দ্রীয় নেতাদের এ বার চিঠি দিলেন ২ জেলার ৯ বিধায়ক-আনন্দবাজার পত্রিকা
  • গোয়ায় জোটের প্রস্তাব দিয়েছিল তৃণমূল, বিভ্রান্ত করছে কংগ্রেস, দাবি ঘাসফুল শিবিরের-সংবাদ প্রতিদিন
  • ‘রাজ্যের ক্ষমতা কেড়ে নেবেন না’, আমলা নিয়ন্ত্রণ বিতর্কে মোদিকে দ্বিতীয় চিঠি মমতার–আজকাল

শ্রোতাবন্ধুরা! শিরোনামের পর এবার দু'টি খবরের বিশ্লেষণে যাচ্ছি- 

কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:

১. পেটের ভেতর মিলল ইয়াবা, স্বামী স্ত্রীসহ আটক ৩ । দৈনিক মানবজমিন দিয়েছে এই খবর। বিষয়টিকে আপনি কিভাবে দেখবেন?

২. ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রেসিডেন্ট সাইয়েদ ইব্রাহিম রায়িসি রাশিয়া সফর করছেন। এই সফরের কৌশলগত বিশেষ কী গুরুত্ব রয়েছে?

বিশ্লেষণের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবর:

প্রথম আলোর সহকারী সম্পাদক সারফুদ্দিন আহমেদ তার মতামত কলামে লিখেছেন, রাষ্ট্রের মালিক অর্থাৎ জনগণের একজন প্রতিনিধি যখন বলেন, একজন পিয়নও তাঁদের ‘দাম দেয় না’, তখন বুঝতে হবে কর্তার ইচ্ছায় কর্ম হচ্ছে না। কর্ম চলে গেছে কর্মচারীর ইচ্ছার অধীনে। তার মানে, কর্তা আসলে কর্তার জায়গায় নেই। অথবা কর্মচারী মনে করছেন, চেয়ারে বসা থাকলেও আদতে তিনি কর্তাই নন।

‘কর্তার ইচ্ছায় কর্ম’—কথাটার মর্ম যখন কর্মচারী বোঝে না, কর্তার তখন ‘ঘর্ম বহে গাত্রে’। কারণ, তখন কর্তার ইচ্ছাকে বাইপাস করে ছাইপাঁশ মার্কা কর্ম সম্পাদিত হয় কর্মচারীর ইচ্ছায়। তখন কর্তা পড়ে ফাপরে। কর্তা তখন বুঝতে পারে তার ‘ইচ্ছা’র তালুকে তলেতলে কর্মচারী বাঘের মতো ভাগের থাবা বসিয়ে ফেলেছে। ওদিকে তার চাকরি খাওয়াও যায় না, কারণ তদ্দিনে কোপন কর্তার গোপন খবরভরা হাঁড়ি কর্মচারীর বগলের তলে চলে গেছে। কিছু বললে সে সেই হাঁড়ি জুতসই কোনো হাটে গিয়ে ঠাস করে ফাটিয়ে দিতে পারে। ‘না যায় কওয়া, না যায় সওয়া’ টাইপের দুর্গতিতে পড়ে কর্তার তখন ‘আমার প্যাটের ছাও, আমারেই খাতি চাও?’—বলে আছাড়িপিছাড়ি করা ছাড়া গতি থাকে না।

কিছুদিন ধরে এই কিসিমের আহাজারি কোনো কোনো এমপি সাহেবের মুখে শোনা যাচ্ছে। তাঁদের কাউকে কাউকে ‘সব গেল, সব গেল’ টাইপের ‘মর্সিয়া মাতমে’ সংসদের বর্তুলাকার কক্ষের বাতাস ভারী করে তুলতে দেখা যাচ্ছে। তাঁদের ক্ষোভ ও হতাশামিশ্রিত ভাষণের চুম্বক কথা হলো, দেশ চালানোর খবরদারি এখন দেশের মালিক ওরফে জনগণ ওরফে জনপ্রতিনিধিদের হাতে আর নেই। তা বেহাত হয়ে জনগণের কর্মচারী ওরফে আমলাদের হাতে চলে গেছে। এই কষ্টের কথা ফেসবুক বা টুইটারে শেয়ার না করে তাঁরা তা সংসদের ‘শেয়ারহোল্ডারদের’ কাছে শেয়ার করছেন।

সর্বশেষ ১৭ জানুয়ারি, ময়মনসিংহ-৩ আসনের সরকারদলীয় সাংসদ নাজিম উদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘একজন এমপির মূল্যায়ন নাই। এমপি হিসেবে একজন সচিবের কাছে গেলে তাঁরা যেভাবে শ্রদ্ধা করবেন, সেই শ্রদ্ধাবোধ নাই। সচিবালয়ে পিয়ন পর্যন্ত আমাদের দাম দেয় না।’

এর আগে ২৮ জুন আওয়ামী লীগের জ্যেষ্ঠ সাংসদ তোফায়েল আহমেদ সংসদে বলেছিলেন, ‘ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী সাংসদেরা সচিবদের ওপরে। এটা খেয়াল রাখতে হবে।’

ওই একই দিন সংসদে জাতীয় পার্টির সাংসদ কাজী ফিরোজ রশীদ বলেছিলেন, ‘দেশ চালাচ্ছে কারা? দেশ চালাচ্ছেন জগৎ শেঠরা। দেশ চালাচ্ছেন আমলারা। আমরা রাজনীতিবিদেরা এখন তৃতীয় লাইনে দাঁড়িয়ে আছি। এই হচ্ছে আমাদের দুর্ভাগ্য। অথচ এই দেশ স্বাধীন করেছেন রাজনীতিবিদেরা।’

করোনার ত্রাণ কার্যক্রম সমন্বয়ে ৬৪ জেলায় একজন করে সচিবকে দায়িত্ব দেওয়ায় ক্ষোভ ঝেড়ে তিনি তখন বলেছিলেন, ‘প্রতিটি জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সচিবদের। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ডিসিদের সঙ্গে কথা বলেন। আর এমপি সাহেবেরা পাশাপাশি বসে থাকেন, দূরে। এরপর বলে, “ডিসি সাব, আমি একটু কথা বলব প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে।” এই হচ্ছে রাজনীতিবিদদের অবস্থা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ডিসিদের সঙ্গে যখন কথা বলেন, তখন এমপিদের কোনো দাম থাকে না।’

ওই জুন মাসেই পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, ‘আমলাতন্ত্র মন্দ নয়, আমলাতন্ত্র ভালো। আমলাতন্ত্রের বিকল্পও তো নাই। (এর বিকল্প) কেউ বাইর করতে পারে নাই। সোভিয়েতও পারে নাই, চীনারাও পারে নাই; ফেরাউনও পারে নাই, খলিফারাও পারে নাই।’ তাঁর আমলাতন্ত্রের অপরিহার্যতার বর্ণনায় আমলাদের প্রশংসা যতটা না ধরা পড়ে, তার চেয়ে শ্লেষ ধরা পড়ে বেশি।

জনপ্রতিনিধিদের এই শ্লেষ কোথাও কোথাও ঝগড়াঝাঁটি, এমনকি মারামারি পর্যন্ত গড়িয়েছে। গত বছর ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা পরিষদের উপনির্বাচনের সময় ফরিদপুর-৪ আসনের সাংসদ নিক্সন চৌধুরীর বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক ও নির্বাচনী দায়িত্ব পালন করা কর্মকর্তাদের হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সে সময় ইউএনও ও সাংসদের একটি ফাঁস হওয়া ফোনালাপ ভাইরাল হয়েছিল। সেখানে সাংসদকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করতে শোনা গিয়েছিল এবং সে ঘটনায় সরকারি কর্মকর্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন নিক্সন চৌধুরীকে আইনের আওতায় আনার দাবিও জানিয়েছিল।

শান্তিরক্ষা মিশনে র‌্যাবকে নিষিদ্ধের দাবি জানিয়ে জাতিসংঘে ১২ সংস্থার চিঠি-প্রথম আলো/মানবজমিন

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র‍্যাব) জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন থেকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছে ১২টি আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা। সংস্থাগুলো এমন দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল জ্যাঁ পিয়েরে ল্যাকরোইক্সকে চিঠি দিয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার এই চিঠির বিষয়টি হিউম্যান রাইটস ওয়াচের (এইচআরডব্লিউ) ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

 চিঠিতে এই এক ডজন মানবাধিকার সংস্থা বলেছে, জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম বিভাগের উচিত র‌্যাবকে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন থেকে নিষিদ্ধ করা।

 চিঠিতে স্বাক্ষর করেছে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, এশিয়ান ফেডারেশন অ্যাগেইন্স ইন-ভলান্টারি ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স (আফাদ), এশিয়ান ফোরাম ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বা ফোরাম এশিয়া, এশিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশন, এশিয়ান নেটওয়ার্ক ফর ফ্রি ইলেকশনস (আনফ্রেল), ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট জাস্টিস প্রজেক্ট, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন ফর হিউম্যান রাইটস, রবার্ট এফ কেনেডি হিউম্যান রাইটস, দ্য অ্যাডভোকেটস ফর হিউম্যান রাইটস, ওয়ার্ল্ড অর্গানাইজেশন অ্যাগেইস্ট টরচার (ওএমসিটি)।

 গত বছরের ৮ নভেম্বর জ্যাঁ পিয়েরে ল্যাকরোইক্সকে এই চিঠি পাঠানো হয়। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা কার্যক্রম বিভাগ এখনো এই চিঠির আনুষ্ঠানিক উত্তর দেয়নি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচারকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ডিসিদের নির্দেশ-যুগান্তর

সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘গুজব’ রটানো ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে তথ্য মন্ত্রণালয়সংক্রান্ত কার্য অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া প্রচারের একটি বড় ক্ষেত্র। আবার অপপ্রচারেরও একটি বড় ক্ষেত্র এ মাধ্যম। গত ৭-৮ বছরের পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, দেশে যত দুর্ঘটনা ঘটেছে, গুজব রটেছে, রটানো হয়েছে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে, সেগুলোর প্রায় সবই এ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে করে হয়েছে। তাই দেশের সব জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে আমরা বিষয়গুলো তুলে ধরে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছি।’

ইত্তেফাক/কালের কণ্ঠ/ মানবজমিনের খবর-বিয়ের অনুষ্ঠানসহ সব সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, বিয়ে-শাদিসহ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠান, সামাজিক অনুষ্ঠান এখন বন্ধ রাখতে হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে ডিসিদের সঙ্গে স্বাস্থ্য ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধিবেশন শেষে ব্রিফিংকালে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনার উর্ধ্বমুখী সংক্রমণের মধ্যে বাস, ট্রেন ও স্টিমারে যখন লোক চলবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। মাস্ক পরতে হবে। সামাজিক দূরত্ব যতটুকু সম্ভব মানতে হবে। বিয়েসহ সামাজিক অনুষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে। এ বিষয়গুলো আমরা তুলে ধরেছি। আমরা বলেছি যে, বিভিন্ন বন্দরে স্ক্রিনিং চলছে, সেগুলো যেন তারা ঠিকমতো দেখান। যারা কোয়ারেন্টিনে আছেন, তারা অনেক সময় এটা ঠিকমতো মানেন না। এ বিষয়ে ডিসিদের নজরদারি করতে বলেছি। যারা স্বাস্থ্যবিধি মানবে না, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলেছি।

দেশে চার প্রদেশ চার হাইকোর্ট চেয়ে আইনি নোটিশ-কালের কণ্ঠ

জনসংখ্যা বিবেচনায় দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাস তথা চারটি প্রদেশ চেয়ে সরকারের পাঁচটি দপ্তরে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগীয় অঞ্চলকে প্রদেশ করার দাবি জানানো হয়েছে এ নোটিশে।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব, মন্ত্রীপরিষদসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব ও আইন সচিবের কাছে এ নোটিশটি পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অশোক কুমার ঘোষ। আজ বৃহস্পতিবার রেজিস্ট্রি ডাকে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে।  

চারটি প্রদেশ হলে চারটি হাইকোর্ট হবে। আর চারটি হাইকোর্ট হলে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা দ্রুত কমবে। তা ছাড়া প্রাদেশিক সরকার হলে দেশের উন্নয়ন কাজ আরো গতিশীল হবে বলে মনে করেন এ আইনজীবী।

কালের কণ্ঠকে তিনি বলেন, জনস্বার্থে নোটিশটি পাঠানো হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার ছয় মাসের মধ্যে চারটি প্রদেশ ঘোষণাসহ যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট করা হবে।

গোয়ায় জোটের প্রস্তাব দিয়েছিল তৃণমূল, বিভ্রান্ত করছে কংগ্রেস, দাবি ঘাসফুল শিবিরের-সংবাদ প্রতিদিন

তৃণমূল-কংগ্রেস জোট নিয়ে লাগাতার বিভ্রান্ত করছে কংগ্রেস। গোয়া নির্বাচনে (Goa Election 2022) একসঙ্গে লড়তে কংগ্রেসকে প্রস্তাব দিয়েছিল তৃণমূল। বৃহস্পতিবার ফের এই দাবি করল তৃণমূল। দলীয় নেতা পবন বর্মার দাবি, জোট প্রস্তাব নিয়ে দিল্লিতে পি চিদাম্বরমের সঙ্গে দেখা করেছিলেন তিনি নিজে।

১৪ ফেব্রুয়ারি গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচন। বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে লড়তে এই প্রথমবার আরব সাগরের তীরের রাজ্যে পা রেখেছে ঘাসফুল শিবির। তাঁদের দাবি, বিজেপিকে হারাতে ব্যর্থ কংগ্রেস। তাই তাঁরা লড়াইয়ের ময়দানে নেমেছে। কংগ্রেস চাইলে একসঙ্গে লড়াই করা যেতে পারে বলেও বারবার দাবি করেছে তৃণমূল নেতৃত্ব। উলটো দিনে কংগ্রেসের দাবি, তৃণমূল কোনও ‘সরকারিভাব’ জোট প্রস্তাব দেয়নি। দলের তরফে কোনও চিঠি আসেনি।

এবার ভারতের কয়েকটি খবর তুলে ধরছি:

‘রাজ্যের ক্ষমতা কেড়ে নেবেন না’, আমলা নিয়ন্ত্রণ বিতর্কে মোদিকে দ্বিতীয় চিঠি মমতার-আজকাল

আমলাদের নিয়ন্ত্রণে আইএএস (ক্যাডার) রুল সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র।

আর এরই প্রতিবাদে প্রধানমন্ত্রীকে দ্বিতীয়বার চিঠি দিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এর আগে সেই সংশোধনীর প্রতিবাদ জানিয়ে ১৩ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার ফের চিঠি দিলেন তিনি।

প্রস্তাবিত এই আইনকে ‘দানবীয়’ বলে উল্লেখ করে দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রীকে চিঠিতে লিখেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতে তিনি লেখেন, ‘কেন্দ্রের এই সংশোধনী প্রস্তাব যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর পরিপন্থী। এই সংশোধনী কার্যকর হলে আমলাদের মধ্যে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হবে যা তাঁদের কাজে প্রভাব ফেলবে। রাজ্যের প্রতি আর তাঁদের আনুগত্য থাকবে না।’ তাঁর আরও দাবি, ‘কেন্দ্র এই সংশোধনীকে আইনে পরিণত করলে কেন্দ্র-রাজ্যের সম্পর্ক আরও খারাপ হতে পারে।কেন্দ্রে যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসবে, তারা নিজেদের মতো করে এই আইনকে ব্যবহার করবে। দয়া করে রাজ্যের ক্ষমতা কেড়ে নেবেন না।’

ফের বিজেপি-তে বিদ্রোহ, কেন্দ্রীয় নেতাদের এ বার চিঠি দিলেন ২ জেলার ৯ বিধায়ক-আনন্দবাজার পত্রিকা

রাজ্য বিজেপি-তে বিদ্রোহ থামছেই না। দলের সাংগঠনিক রদবদল নিয়ে অসন্তোষ দেখা দিয়েছিল প্রথমে। যার জেরে দলের একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়ে দিয়েছিলেন রাজ্যের বেশ কয়েক জন বিজেপি বিধায়ক। সেই আগুন যে নেভেনি তার প্রমাণ মিলল। এ বার সরাসরি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে চিঠি লিখেছেন বাঁকুড়া এবং পুরুলিয়ার মোট ৯ বিধায়ক। চিঠির বিষয়বস্তু নিয়ে বিশদে মুখ খোলেননি বিদ্রোহীদের কেউই। তবে চিঠি পাঠানোর বিষয়টি স্বীকার করে নিয়েছেন ওই বিধায়কদের একাংশ।#

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২০

ট্যাগ