মে ২০, ২০২২ ১৫:২৫ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতা: ২০ মে শুক্রবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি।

বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ শিরোনাম:

  • এমন বক্তব্য ক্ষমতার দম্ভের উগ্র প্রকাশ-প্রথম আলো
  • প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তথ্যভিত্তিক নয়: আনাম-মানবজমিন
  • বন্যার পানিতে ভাসছে সিলেটের সুনামগঞ্জ, চরম দুর্ভোগে সঙ্গী খাদ্য সংকট-যুগান্তর
  • ‘সুষ্ঠু ভোট’ ইস্যুতে হার্ডলাইনে ইসি–ইত্তেফাক
  • ভরা মৌসুমেও চালের দাম বাড়ছে-কালের কণ্ঠ
  • ফিনল্যান্ড-সুইডেনকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস যুক্তরাষ্ট্রের-বাংলাদেশ প্রতিদিন

এবার ভারতের কয়েকটি খবরের শিরোনাম:

  • আম্বানি-আদানিকে টার্গেট করা বন্ধ করুন’, কংগ্রেস ছাড়তেই পুরনো দলকে খোঁচা হার্দিকের-সংবাদ প্রতিদিন
  • জ্ঞানবাপী মসজিদে পদ্ম, ডমরু, শেষনাগের ধ্বংসাবশেষ! বলছেন আদালতের কমিশনার -আজকাল
  • ডিএ মামলায় ধাক্কা রাজ্যের, বকেয়া মেটাতে হবে তিন মাসের মধ্যে, নির্দেশ হাই কোর্টের- আনন্দবাজার পত্রিকা

এবার বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিস্তারিত

এমন বক্তব্য ক্ষমতার দম্ভের উগ্র প্রকাশ-প্রথম আলোসহ বেশ কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত এ খবরে লোখা হয়েছে, ক্ষমতার এই দাপটই শেষ কথা নয়, সেটি বর্তমান সরকার ভুলে যাচ্ছে বলে মনে করে গণসংহতি আন্দোলন। আজ বৃহস্পতিবার দলটির প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি ও নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান এক বিবৃতিতে বলেন, কাউকে পদ্মা সেতু থেকে ‘টুস করে ফেলে দেওয়া’ এবং ‘নদীতে চুবনি দিয়ে ওঠানো’র মতো বক্তব্য দেওয়া কেবল হিংসাত্মকই নয়, ক্ষমতার দম্ভের উগ্র প্রকাশ।

 গণসংহতি  আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি

বর্তমান সরকারপ্রধান ক্ষমতাকে নিজেদের জমিদারি মনে করে বসে আছেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেছে গণসংহতি আন্দোলন।

গতকাল বুধবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে গণসংহতি আন্দোলন বলে, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্‌ফুজ আনামকে নিয়ে যে ভাষায় কথা বলা হয়েছে, তা বাংলাদেশের রাজনীতিতে ন্যক্কারজনক ঘটনার দৃষ্টান্ত হয়ে রইল। জবাবদিহিবিহীন ক্ষমতার জোরেই প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসে দেশের কোনো নাগরিকের প্রতি ভরা মজলিশে এ রকম অসম্মান করা গেল। কোনো একজনের সম্মানহানি কার্যত সব নাগরিকের অসম্মান।

গণসংহতি আন্দোলন বলে, দেশের নাগরিকদের প্রতি নিয়মিত বিরতিতে অসম্মানজনক ও শ্লেষাত্মক মন্তব্য সরকারপ্রধান থেকে শুরু করে নানা কর্তাব্যক্তির কাছ থেকে শোনা যায়। নাগরিকদের ক্ষমতাহীন ভাবাই এ ধরনের মন্তব্যের অন্যতম কারণ। জনগণের জবাব শাসকদের জন্য সর্বদাই করুণ পরিণতিই বয়ে আনে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির তৎপরতায় নিন্দা

এদিকে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির তৎপরতার তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ জানিয়েছে গণসংহতি আন্দোলন। গতকাল পৃথক এক বিবৃতিতে দলটি বলেছে, সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে যখন চরমভাবে ব্যর্থ, তখনই বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের শুনানিতে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ৫৮ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি অনিবার্যভাবে বিদ্যুতের খুচরা দাম বাড়ানোর যুক্তি তৈরি করবে এবং তা সব পণ্যের দাম বাড়াবে।

সরকার ইতিমধ্যেই বিদ্যুৎ খাতকে ‘লুটপাটের স্বর্গরাজ্যে’ পরিণত করেছে এমন অভিযোগ করে বিবৃতিতে বলা হয়, অব্যাহত লুটপাটের টাকা জোগান দিতেই উপর্যুপরি বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তি।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ইউনূসকে চুবানি দিয়ে পদ্মা সেতুতে তোলা, আর খালেদাকে টুস করে নদীতে ফেলা উচিত। 

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তথ্যভিত্তিক নয়: আনাম-মানবজমিন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া একটি বক্তব্যের বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন ডেইলি স্টার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম। 

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো ব্যাখ্যায় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৮ই মে বুধবার তার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে দেয়া বক্তব্যে আমাকে নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘ ড. ইউনূস এবং যেটা আমরা শুনেছি--মাহফুজ আনাম। তারা আমেরিকা চলে যায়, স্টেট ডিপার্টমেন্টে যায়, হিলারির কাছে ই-মেইল পাঠায়। যাহোক... ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের মিস্টার জোয়েলিক যিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন তার শেষ কর্মদিবসে, কোনো বোর্ড সভায় না, পদ্মা সেতুর টাকা বন্ধ করে দেয়।’ 

ডেইলি স্টার সম্পাদক ও প্রকাশক মাহফুজ আনাম

আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই যে, আমি এ ধরনের উদ্দেশ্য নিয়ে কখনো যুক্তরাষ্ট্র সফরে যাইনি, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যাইনি, কখনো হিলারি ক্লিনটনকে কোনো ই-মেইল পাঠাইনি, ওয়াশিংটনে বা বিশ্বের অন্য কোনো জায়গায় বা শহরে পদ্মা সেতুর অর্থায়নের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত কোনো বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কোনো ধরনের বৈঠক বা যোগাযোগ করিনি।

বিনয়ের সঙ্গে বলতে চাই,  আমার বিষয়ে করা মন্তব্য তথ্যভিত্তিক নয়।

প্রধানমন্ত্রীর কথার মধ্যে খালেদা জিয়াকে হত্যার হুমকি ছিল-ফখরুল-মানবজমিন

পদ্মা সেতু কারও বাপের টাকায় তৈরি হয়নি মন্তব্য করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, বাংলাদেশের মানুষের ট্যাক্সের টাকায় পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে। এ ছাড়াও বিভিন্ন খাতে মানুষের কাছে টাকা নিয়ে এই সেতু তৈরি করা হয়েছে। এখানেও তারা লুটপাট করেছে। ১০ হাজার কোটি টাকার কাজ ৪০ হাজার কোটি টাকায় করেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টায় শহরের বিএনপি কার্যালয়ে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল ঠাকুরগাঁও জেলা শাখার আয়োজনে মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ ও তীব্র নিন্দা জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, দেশের একজন প্রধানমন্ত্রী হয়ে তিনি এসব কথা বলতে পারেন না। একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের নেত্রীকে এভাবে বলা মানে সরাসরি হত্যার হুমকির শামিল। সেতু থেকে ফেলে দেয়া এটা কখনো স্বাভাবিক বিষয় হতে পারে না। তার এই উক্তির জন্য আমরা প্রচণ্ড নিন্দা জানাই এবং এরকম অরাজনৈতিক, অশালীন বক্তব্য কখনো আশা করি না। এই ধরনের মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি, না হলে এ ধরনের উক্তির জন্য আইনগত ব্যবস্থা নেব। বিদেশিদের সঙ্গে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বিএনপি এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ তো নির্বাচন লুট করে নিয়ে যায়

‘সুষ্ঠু ভোট’ ইস্যুতে হার্ডলাইনে ইসি-ইত্তেফাক

‘সুষ্ঠু ভোট’ ইস্যুতে হার্ডলাইনে অবস্হান গ্রহণ করেছে কাজী হাবিবুল আউয়াল নেতৃত্বাধীন বর্তমান নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বিশেষ করে আগামী ১৫ জুন কুমিল্লা সিটিসহ স্হানীয় সরকারের অন্যান্য নির্বাচন সুষ্ঠু করার ব্যাপারে ব্যাপক তত্পরতা শুরু করেছেন ইসির সংশ্লিষ্টরা।

আগামী দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে অনুষ্ঠিত সব নির্বাচন সুষ্ঠু করে রাজনৈতিক দলসহ ভোটারদের মধ্যে আস্হা ফেরাতে চায় সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানটি। তারা বলছেন, ভোটের অনৈতিক প্রভাব বিস্তার রোধ এবং সহিংসতা প্রতিরোধে কঠোর থাকার জন্য মাঠ প্রশাসনকে হুঁশিয়ার করা হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর ইত্তেফাককে বলেন, সুষ্ঠু ভোটের বিকল্প নেই। আসন্ন কুমিল্লা সিটিসহ অন্যান্য স্হানীয় সরকারের ভোট সুষ্ঠু করার জন্য সবধরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

পি কে হালদারের সব শেয়ার ফ্রিজ করার নির্দেশ-যুগান্তর

দেশের আর্থিক খাতের শীর্ষ জালিয়াত প্রশান্ত কুমার (পি কে) হালদারের কোম্পানির সব ধরনের শেয়ার ফ্রিজ করার জন্য সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডকে (সিডিবিএল) নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ সিকিউারিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার আসামি পি কে হালদারের শেয়ার ফ্রিজ করার বিষয়ে আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়, পি কে হালদারের অস্থাবর সম্পদ কোম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধ বা ফ্রিজ করার নির্দেশ দেওয়া হলো। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা মামলার আসামি পি কে হালদারের শেয়ার ফ্রিজ করার বিষয়ে আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে কমিশন এ নির্দেশ দিয়েছে।

ফিনল্যান্ড-সুইডেনকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস যুক্তরাষ্ট্রের-বাংলাদেশ প্রতিদিন

নর্ডিক অঞ্চলের দুই দেশ ফিনল্যান্ড ও সুইডেন পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোতে যোগ দিতে চায়। চলতি সপ্তাহে দুই দেশই ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন জানিয়েছে। দেশ দুটিকে ন্যাটোতে যোগদানের সিদ্ধান্তে সমর্থন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ন্যাটোতে যোগদানের বিষয়ে  বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট সাউলি নিনিস্তো ও সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বৈঠক হয়। বৈঠকের আগে বুধবার দেওয়া এক বিবৃতিতে বাইডেন বলেন, আমি ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটোতে যোগদানের জন্য আবেদনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করি।

তবে এই মুহূর্তে ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটোতে যোগদানে সবচেয়ে বড় বাধা তুরস্ক। পশ্চিমা সামরিক জোটে দেশ দুটি যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশের পর আপত্তি জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান।তবে ইউরোপের এই দুই দেশ মনে করছে, পশ্চিমা মিত্ররা তুরস্কের বাধা কাটিয়ে উঠবে।তবে প্রেসিডেন্ট এরদোগান গতকাল টুইটারে এক ভিডিও বার্তায় বলেন, তুরস্ক নিজের মিত্রদের জানিয়ে দিয়েছে, তারা ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটোতে যোগদানের আবেদন প্রত্যাখ্যান করবে।

 এবার ভারতের কয়েকটি খবরের বিস্তারিত

আম্বানি-আদানিকে টার্গেট করা বন্ধ করুন’, কংগ্রেস ছাড়তেই পুরনো দলকে খোঁচা হার্দিকের-সংবাদ প্রতিদিন

বুধবারই কংগ্রেস (Congress) ছেড়েছেন। আর তারপরই নিজের প্রাক্তন দলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন হার্দিক পটেল (Hardik Patel)। আর তাও আম্বানি, আদানির মতো দুই ধনকুবের শিল্পপতিকে ‘আক্রমণে’র অভিযোগ তুলে! ক্রমশই জোরাল হচ্ছে তাঁর বিজেপিতে যোগদানের জল্পনা। যদিও তা উড়িয়ে দিয়েছেন তরুণ নেতা।

সংবাদ সংস্থা এএনআইকে তিনি বলেছেন, ”একজন ব্যবসায়ীর উত্থান ঘটে তাঁর নিজের কঠোর শ্রমের জোরে। প্রতিবারই আপনারা আদানি বা আম্বানিকে অপমান করবেন তা হতে পারে না। গুজরাট থেকে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন বলে সেই রাগটা আপনারা আম্বানি-আদানির উপরে দেখাবেন? এভাবে তো মানুষকে বিভ্রান্তই করা হচ্ছে।” সেই সঙ্গে হার্দিকের আফসোস, ”জীবনের তিনটে বছর নষ্ট করেছি কংগ্রেসে এসে।” তাঁর মতে, কংগ্রেসে না থাকলে তিনি গুজরাটের হয়ে আরও কাজ করতে পারতেন।উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের ঠিক আগে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন হার্দিক। কিন্তু গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই তিনি নানা অভিযোগ করছিলেন কংগ্রেস নিয়ে। মন্তব্য করেছিলেন , ”আমি যেন নাসবন্দি হওয়া বর!”

নয়া দুর্নীতির অভিযোগ, লালু ও তাঁর মেয়ের বাড়ি-সহ ১৭ জায়গায় তল্লাশি সিবিআইয়ের

বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদবের (Lalu Prasad Yadav) বিরুদ্ধে নতুন দুর্নীতির অভিযোগ। পাটনায় লালুর বাড়ি-সহ বিহার ও দিল্লির ১৭টি ঠিকানায় তল্লাশি সিবিআইয়ের। তল্লাশি চালানো হয়েছে লালুর এক মেয়ের ঠিকানাতেও।বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, রেলমন্ত্রী থাকাকালীন একাধিক নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় দুর্নীতিতে যুক্ত ছিলেন তিনি। একাধিক পদে অর্থ বা জমির বিনিময়ে নিয়োগ করার অভিযোগ ছিল লালুর মেয়ের বিরুদ্ধেও। তবে, ঠিক কোন নিয়োগে বা কত টাকার দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় গত মাসেই জেল থেকে মুক্তি পেয়েছেন লালু। তারপরই তাঁর বিরুদ্ধে নয়া মামলা প্রকাশ্যে এল।প্রসঙ্গত, এর আগে পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে (Fodder Scam) মোট পাঁচটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন লালুপ্রসাদ যাদব। ওই মামলায় ২০১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে প্রথমবার জেলে যেতে হয় তাঁকে। তারপর থেকে দীর্ঘদিন জেলেই ছিলেন বিহারের প্রবীণ নেতা। এর মধ্যে শারীরিক অসুস্থতার কারণে একাধিকবার হাসপাতালেও ভরতি করতে হয় লালুকে। ২০২০ বিহার বিধানসভা নির্বাচনেও আরজেডিকে লড়তে হয় তাঁর অনুপস্থিতিতেই।

ডিএ মামলায় ধাক্কা রাজ্যের, বকেয়া মেটাতে হবে তিন মাসের মধ্যে, নির্দেশ হাই কোর্টের-আনন্দবাজার পত্রিকা

ডিএ মামলায় কলকাতা হাই কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য। বিচারপতি হরিশ টন্ডন এবং বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, তিন মাসের মধ্যে বকেয়া ডিএ মেটাতে হবে। আদালতে রাজ্য জানায়, তহবিলে টাকা নেই বলে উঁচু হারে ডিএ দেওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু রাজ্যের এই যুক্তি গ্রাহ্য করেনি ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত তাদের নির্দেশে জানিয়েছে, আগামী তিন মাসের মধ্যে স্টেট অ্যাডমিনস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালের (স্যাট)-এর রায় কার্যকর করতে হবে। শুধু তাই-ই নয়, আদালত বলেছে, মহার্ঘ ভাতা আইনত অধিকার, মৌলিক অধিকার। ফলে, স্যাট-এর রায় বহাল রাখল ডিভিশন বেঞ্চ।

জ্ঞানবাপী মসজিদে পদ্ম, ডমরু, শেষনাগের ধ্বংসাবশেষ! বলছেন আদালতের কমিশনার-আজকাল

জ্ঞানবাপী মসজিদ

আজ, বৃহস্পতিবার (১৯ মে), জ্ঞানবাপী মসজিদ মামলায় হিন্দু আবেদনকারীদের পক্ষে আইনজীবী অজয় মিশ্র বলেছেন, এই সপ্তাহের শুরুতে আদালতের নির্দেশিত সার্ভের সময় হিন্দু দেবদেবীর বেশ কয়েকটি মূর্তির ভাঙা টুকরো পাওয়া গেছে। তিনি বলেছিলেন যে ধ্বংসাবশেষ, যা মন্দিরের ধ্বংসস্তূপের মতো মনে হয়েছিল, তার মধ্যে একটি শেষনাগের ফণা ছিল। মিশ্র বলেন, ‘আমাকে বেসমেন্টে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ধ্বংসাবশেষটি ৫০০-৬০০ বছরের পুরানো বলে মনে হচ্ছে।’ 

জ্ঞানবাপী মসজিদের সার্ভে এবং ভিডিও সমীক্ষার দলে ছিলেন হিন্দু পক্ষের আইনজীবী অজয় মিশ্র। তিনি অভিযোগ করেন, প্রশাসন সার্ভের কাজে সহায়তা করেনি এবং দায়িত্ব এড়িয়ে চলেছে।#

পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২০

ট্যাগ