নভেম্বর ২২, ২০২২ ১৩:৪৯ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় শ্রোতা ভাই ও বোনেরা, আপনাদের সবাইকে আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি আপনাদেরই চিঠিপত্রের আসর 'প্রিয়জন'। আজকের আসর উপস্থাপনায় রয়েছি আমি নাসির মাহমুদ, আমি আকতার জাহান এবং আমি আশরাফুর রহমান।

আশরাফুর রহমান: আসরের শুরুতেই আমি একটি মূল্যবান বাণী শোনাব। আমিরুল মোমেনীন হযরত আলী (আ.) বলেছেন, 'ধৈর্য হলো অভাব থেকে বাঁচার বর্ম, কৃপণতা হলো অপদস্থের আবরণ। আর লোভ হলো- অভাবের লক্ষণ।' 

আকতার জাহান: আমরা সবাই ধৈর্যশীল হব এবং কৃপণতা ও লোভ থেকে নিজেদের মুক্ত রাখার চেষ্টা করব- এ কামনায় চিঠিপত্রের দিকে নজর দিচ্ছি। আসরের প্রথম মেইলটি এসেছে ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট ঢাকা কলোনী থেকে। আর পাঠিয়েছেন সিনিয়র শ্রোতা বিধান চন্দ্র সান্যাল।

রেডিও তেহরানের সঙ্গে তার পথচলা শুরু কিভাবে হলো তা উল্লেখ করেছেন এই চিঠিতে। লিখেছেন, "স্কুল জীবনে পড়াশোনা করবার সময় আমার মনটা কোনো এক অজানা কারণেই দারুণ বেতারপ্রেমী হয়ে উঠেছিল। যার ফলে কোনো এক রাতে রেডিওর নব ঘোরাতে ঘোরাতে রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠান আমার মনের আঙিনায় ধরা দেয়। সেদিনটা ছিল ১৯৮৩ অথবা ১৯৮৪ সালের এক বর্ষণমুখর রাত। তারপর থেকে রেডিও তেহরানের সাথে আমার পথচলা শুরু।"

নাসির মাহমুদ: তার মানে বিধান দা আমাদের বাংলা অনুষ্ঠানের একেবারে শুরুর দিককার শ্রোতা। তো প্রায় চার দশক ধরে কেন রেডিও তেহরান শুনে চলেছেন- সে সম্পর্কে তিনি কিছু লিখেছেন কি?

আশরাফুর রহমান: হ্যাঁ, লিখেছেন। আমি বরং তার চিঠি থেকেই কিছু অংশ হুবহু পড়ে শোনাচ্ছি। বিধান দা লিখেছেন, "জ্ঞানের পরিধিকে বাড়াতে, ইরানকে জানতে আর ইসলামি সংস্কৃতিকে বুঝতে প্রতিদিন নিয়মিতভাবে শুনে চলেছি রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠানমালা। রেডিওতে বাংলা অনুষ্ঠানকে অনুভব করি আমার রন্ধ্রে রন্ধ্রে। এ যেন আপনাদের সুনিপুণ দক্ষতায় গড়ে ওঠা এক অপার শিল্পকলা। অনুষ্ঠানের প্রতি আপনাদের মমত্ববোধ ও সারল্যে ছন্দোবদ্ধতা, সমৃদ্ধ প্রাণবন্ত উপস্থাপনা আমাকে ভীষণভাবে আকৃষ্ট করে।"

আকতার জাহান: প্রায় ৪ দশক ধরে রেডিও তেহরান শোনায় বিধান চন্দ্র সান্যাল আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর থানার মশিপুরের সূচনা সমাজ কল্যাণ সংঘের সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান পাঠিয়েছেন আসরের পরের মেইলটি।

আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা গ্রহণ জানানোর পর তিনি লিখেছেন, "মুসলিম বিশ্বে সৌদি যুবরাজের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইছে। ইহুদিবাদী ইসরাইলের পক্ষে সাফাই গাওয়া, গ্যালারীতে বসে নারীদের ফুটবল ম্যাচ দেখা, এ্যালকোহল পানীয় খাওয়া, ক্যাসিনোতে জুয়া খেলা উন্মক্ত করা এবং কাতার, সিরিয়া ও ইরানের প্রতি বৈরি আচরণসহ নানা অনৈসলামি কার্যকলাপ চালু- সৌদি যুবরাজকে বিতর্কিত করেছে। এসব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।"

নাসির মাহমুদ: ভাই মোঃ মিজানুর রহমান, আপনি মুসলমানদের মনের প্রকৃত অবস্থাই তুলে ধরেছেন। মুসলমানরা সৌদি শাসকগোষ্ঠীর এসব বিতর্কিত কর্মকাণ্ড সমর্থন করে না; তারা চায় আমেরিকা-ইসরাইলের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক না করে সৌদি আরব মুসলিম উম্মাহ'র ঐক্য প্রতিষ্ঠায় কাজ করুক। তো সমসাময়িক বিষয়ে মতামত জানানোয় আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আশা করি আমাদের অনুষ্ঠান সম্পর্কেও লিখবেন।

আশরাফুর রহমান: ভারতের ওড়িশার ভুবনেশ্বর থেকে আলোক দাস পাঠিয়েছেন এবারের মেইলটি। চিঠির শুরুতেই তিনি গত ২৪/১০/২০২২ চিঠিপত্রের আসর প্রিয়জন অনুষ্ঠানে তার সাক্ষাৎকার প্রচার করার জন্য আমাদেরকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এরপর লিখেছেন, "১ নভেম্বর সান্ধ্য অধিবেশনে বিশ্বসংবাদ, দৃষ্টিপাত, দর্পন, কথা-বার্তা, গল্প ও প্রবাদের গল্প প্রতিটি অনুষ্ঠান খুব ভালো লাগলো। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নানাভাবে ইরানবিরোধী অপপ্রচার চালানো হলেও, রেডিও তেহরান থেকে আসল সত্য বারবার প্রকাশ পেয়েছে। তার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।"

আকতার জাহান: আপনাকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি- অনুষ্ঠান শোনার পাশাপাশি মতামত জানিয়ে চিঠি লিখার জন্য।

এবারের মেইলটি এসেছে বাংলাদেশের কিশোরঞ্জের গুরুদয়াল সরকারি কলেজ থেকে আর পাঠিয়েছেন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ সহকারী অধ্যাপক মোঃ শাহাদত হোসেন।

সালাম, প্রীতি আর শুভেচ্ছা জানাবার পর তিনি লিখেছেন, "গত ২৯ অক্টোবর তারিখে প্রচারিত অনুষ্ঠানগুলো হল- বিশ্বসংবাদ, দৃষ্টিপাত, জ্ঞান-বিজ্ঞানে ইরানিদের অবদান, কথাবার্তা ও ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস। প্রচারিত প্রতিটি অনুষ্ঠানই আমাদের খুব ভালো লেগেছে। তবে সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান জ্ঞান-বিজ্ঞানে ইরানিদের অবদান ও ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস ছিল অসাধারণ। উক্ত দুটি অনুষ্ঠানই আমাদের ইরানকে বুঝতে, ইরানের মনোবল, শক্তি ও ঐক্য বুঝতে দারুণভাবে সহায়তা করে থাকে। এমন চমৎকার তথ্যবহুল, শিক্ষণীয় ও অনুপ্রেরণামূলক একটি অনুষ্ঠান উপহার দেয়ায় রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই।"

নাসির মাহমুদ: আমাদের দুটি সাপ্তাহিক অনুষ্ঠান সম্পর্কে মতামত জানিয়ে চিঠি লিখায় শাহাদত হোসেন ভাই আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থেকে মনীষা রায় পাঠিয়েছেন এবারের মেইলটি।

রেডিও তেহরান বাংলা অনুষ্ঠানের সকল কলাকুশলী এবং প্রিয় শ্রোতাবন্ধুদের একরাশ হৈমন্তিক শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি চিঠিটি শুরু করেছেন। লিখেছেন, "৯ নভেম্বর প্রচারিত রেডিও তেহরানের স্বাস্থ্যকথা অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ডা. তাইফুর রহমান উচ্চ রক্তচাপ সম্পর্কে অনেক তথ্য দিলেন যা স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখার ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আজ ছিল উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে আলোচনার দ্বিতীয় পর্ব। সমগ্র অনুষ্ঠানটি আমি বিশেষ মনোযোগসহকারে শুনেছি। তিনি যা বললেন তা হল- উচ্চ রক্তচাপ হল নীরব ঘাতক। রোগটি সম্পর্কে তা পরামর্শগুলো আমার কাছে খুবই দরকারী ও প্রয়োজনীয় মনে হয়েছে। অনুষ্ঠানটি শুনে 'ঘরে বসে ডাক্তারের পরামর্শ নিন এবং নিজেকে সুস্থ রাখুন'- রেডিও তেহরানের এই স্লোগান আমার কাছে যুক্তিযুক্ত মনে হয়েছে।"  

আশরাফুর রহমান: স্বাস্থ্যকথা অনুষ্ঠানে ডা. তাইফুর রহমানের আলোচনা থেকে উপকৃত হয়েছেন জেনে আমাদেরও ভালো লাগল। আশা করি আমাদের অন্যান্য অনুষ্ঠান সম্পর্কেও লিখবেন।

শ্রোতাবন্ধুরা, অনুষ্ঠানের এ পর্যায়ে আমরা সরাসরি কথা বলব বাংলাদেশের এক সিনিয়র শ্রোতার সঙ্গে। প্রথমেই তার পরিচয় জানা যাক।  

আকতার জাহান: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার চাপড়া থানার গোংড়া গ্রাম থেকে আল-আমিন সেখ হিরামন পাঠিয়েছেন পরের মেইলটি।

তিনি লিখেছেন, "গত ৩ অক্টোবর প্রিয়জন আসরে আশরাফ ভাইয়া একটি হাদিস  শুনিয়েছিলেন। হাদিস হলো- 'শেষ জামানায় সবচেয়ে কম যে জিনিসগুলো থাকবে তা  বিশ্বস্ত ভাই হালাল অর্থ'। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই দুটি জিনিসের বড় অভাব। আল্লাহ তায়ালার কাছে এই কামনা করি, তিনি যেন পৃথিবীর সকল মানব জাতিকে  সঠিক পথে চলার তৌফিক দান করেন।"  

চিঠির শেষাংশে এ শ্রোতাবন্ধু, 'প্রাকৃতিক পরিবেশ' নিয়ে অনুষ্ঠান করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

নাসির মাহমুদ: ভাই আল-আমিন সেখ হিরামন, আপনার পরামর্শটি আমাদের বিবেচনায় থাকল। চিঠি লিখার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

ভারতের পর আবারো বাংলাদেশের চিঠি। এটি এসেছে রাজশাহীর বোয়ালিয়া থেকে। আর পাঠিয়েছে মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি লিখেছেন, "সুঅভ্যাস গড়ার অনুষ্ঠান 'সুন্দর জীবন' সম্পর্কে বিশেষভাবে কিছু কথা বলতে চাই। নাসির মাহমুদ এবং আকতার জাহানের উপস্থাপনা প্রতিবারই অনুষ্ঠানকে নাটকীয় রূপদান করে। শুনে মনে হয় যেন কোন বেতার নাটক শুনছি। কত সাবলীলভাবে তারা বলে দিলেন, পারস্পরিক যোগাযোগ করার ক্ষমতা হলো একটা দক্ষতা, তাই যে কেউ এটি অর্জন করতে পারে! দক্ষতা বৃদ্ধি একটা প্রশিক্ষণ। প্রকৃতপক্ষে এমনই একটা প্রশিক্ষণ দিলেন তারা দু’জন! স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার নানা ব্যবহারিক দিক তারা অত্যন্ত সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দিলেন। কথাগুলো অন্য যেকোন সম্পর্কের ক্ষেত্রেও প্রয়োগযোগ্য। যেমনঃ অনুমান করে কথা বলা যাবেনা, ভালোবাসা প্রকাশ করতে হবে কাজ ও কথার মাধ্যমে, পরস্পরকে অকারণে সন্দেহ করা যাবে না, গুরুত্ব দিতে হবে ইত্যাদি। আমাদের জীবন গঠনে কথাগুলো দারুণ কার্যকরী।"

আশরাফুর রহমান: সুন্দর জীবন অনুষ্ঠান সম্পর্কে সুন্দর মতামতটির জন্য মোস্তাফিজুর রহমান ভাই, আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ইসলামপুর থেকে তরুণ মৈত্র পাঠিয়েছেন এবারের মেইলটি।

রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগের সকল কলাকুশলী ও শ্রোতাবন্ধুদেরকে আগাম শীতের শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, "আমি রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগের নিয়মিত শ্রোতা। গত ৬ নভেম্বর মুর্শিদাবাদ জেলায় অনুষ্ঠিত আহলে বাইত সম্মেলন সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগের ওয়েব সাইটে দেখলাম। সম্মেলনে মুর্শিদাবাদ জেলার ছোট নবাবের ইতিহাস সকলের কাছে পৌঁছানোর জন্য মনিটর নাজিম উদ্দিন ভাই ও রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগকে সাধুবাদ জানাই। আমাদের মুর্শিদাবাদ জেলা অনেক ইরানি বংশোদ্ভুত মানুষ বসবাস করেন। আগামীতে তাদের জীবনকথা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করার অনুরোধ রইল।"

আকতার জাহান: মুর্শিদাবাদে বসবাসরত ইরানিদের নিয়ে প্রতিবেদন প্রচারের অনুরোধটি আমাদের বিবেচনায় থাকল। তো অনেকদিন পর চিঠি লিখায় তরুণ মৈত্র আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আজকের আসরের শেষ মেইলটি এসেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা থেকে। আর পাঠিয়েছেন কবি জাফর পাঠান। তিনি আমাদের ওয়েবসাইটে নিয়মিত মন্তব্য করলেও আজ কেবল 'আল্লাহু আকবার' শিরোনামে একটি কবিতা লিখে পাঠিয়েছেন। তার কবিতাটি নাসির ভাই পড়ে শোনান না!

নাসির মাহমুদ: ঠিক আছে আমি চেষ্টা করছি।

 

আল্লাহু আকবার- আল্লাহু আকবার- আল্লাহু আকবার

বলেই যাবো আমি- বলেই যাবো অনিবার,

আল্লাহু আকবার- আল্লাহু আকবার- আল্লাহু আকবার।

কে আছিস রুখিবার- অসুর কসুর- উদগ্রে দুর্নিবার

হাত ও পা বেঁধে এঁটে দিবি জবান আমার !

আমি বখতিয়ারের ঘোড়ায় বসা- নাঙ্গা কৃপাণ ‘মুক্তার’।

মিথ্যার সদম্ভে কাঁপুক বুক বসুধার- আসুক আঁধার

ভাসুক লহু নহরে জিহাদীর শবাধার !

তবু জাগিবেনা ভয়- হবোনা ক্ষয়, রে ধরার দুরাচার।

আদ- সামুদ, ফেরাউন- নমরূদ, দুশমন আল্লাহর

তুলেছিল সত্যের শিরে এন্তার তলোয়ার,

ওরা মরেছে, মরেনি জিহাদীরা, গর্জে উঠবেই আবার।

আল্লাহু আকবার- আল্লাহু আকবার- আল্লাহু আকবার

বলেই যাবো আমি- বলেই যাবো বারেবার,

আল্লাহু আকবার- আল্লাহু আকবার- আল্লাহু আকবার।

তুলবো-ই সত্যের নিশান- ওপরে সবার

তুলবো-ই সত্যের নিশান- ওপরে সবার

আল্লাহু আকবার- আল্লাহু আকবার- আল্লাহু আকবার।

 

আশরাফুর রহমান: বাহঃ খুব চমৎকার একটি কবিতা শুনলাম আমরা। সুন্দর কবিতাটির জন্য জাফর পাঠান ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। শ্রোতাবন্ধুরা, অনুষ্ঠান থেকে বিদায় নেওয়ার আগে কয়েকটি ইমেইলের প্রাপ্তিস্বীকার করছি।

  • বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার দক্ষিণ বালুবাড়ি থেকে শাহ মো. মোকাররম হোসাইন রনি
  • আবদুল কুদ্দুস মাস্টার কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী থেকে
  • ঝিনাইদহের মহেশপুর থেকে নজরুল ইসলাম
  • পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থানার দক্ষিণ বন্দর থেকে কৃষ্ণ কর্মকার কৌশিক
  • এবং ভারতের মুর্শিদাবাদের বহরমপুর থানার নওপাড়া শিমুলিয়া থেকে জাকির হোসেন

আকতার জাহান: চিঠি লিখার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। তো বন্ধুরা, অনুষ্ঠান থেকে বিদায় দেওয়ার আগে আপনাদের জন্য রয়েছে একটি গান। 'প্রেমের হেরেম' শিরোনামের গানটির গীতিকার কাউছার হামিদ ছুন্নাহ আর সুর ও কণ্ঠ মাহবুব রিয়াজের।

নাসির মাহমুদ: তো বন্ধুরা, আপনারা গানটি শুনতে থাকুন। আর আমরা বিদায়ই নিই চিঠিপত্রের আজকের আসর থেকে।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২২

ট্যাগ