এপ্রিল ০৮, ২০২১ ১৬:৫২ Asia/Dhaka

রংধনু আসরের শিশু-কিশোর বন্ধুরা, কেমন আছো তোমরা? আশা করি যে যেখানে আছো ভালো ও সুস্থ আছো। আজকের আসরে তোমাদের স্বাগত জানাচ্ছি আমি নাসির মাহমুদ এবং আমি আকতার জাহান।

আকতার জাহান: বন্ধুরা, তোমরা নিশ্চয়ই জানো যে, জীবন ধ্বংসকারী একটি মারাত্মক স্বভাব হলো অহংকার। যারাই নিজেকে বড় ভাবে তাদেরকে অহংকারী বলা হয়। এই স্বভাবের লোকেরা তাদের উন্নতি ও সফলতা বেশিদিন ধরে রাখতে পারে না। আত্মীয়-স্বজন ও কাছের মানুষের ভালোবাসা হারিয়ে ফেলে তারা। তাদের কারণে প্রতিষ্ঠান, সমাজ, সংগঠন, রাষ্ট্র এমনকি নিজ পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নাসির মাহমুদ: পবিত্র কুরআনের বক্তব্য অনুযায়ী সৃষ্টি জগতে অহংকারের প্রকৃত উদাহরণ হলো 'ইবলিস' মানে শয়তান। ইবলিস ছিল জিনদের অন্তর্ভুক্ত এবং ছয় হাজার বছর পর্যন্ত সে আল্লাহর ইবাদাতে মশগুল ছিল। ফেরেশতাদের কাতারেও তার একটা বিশেষ পদমর্যাদা ছিল। কিন্তু যখনই এই ইবলিস আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করে অহংকার দেখালো তখনই সে প্রত্যাখ্যাত হয়ে গেল। একেবারে চিরদিনের জন্য পথভ্রষ্ট হয়ে গেল সে। 

আকতার জাহান: এ ঘটনাটি সূরা সোয়াদের ৭৪ থেকে ৭৬ নম্বর আয়াতে বর্ণনা করা হয়েছে। 'মহান আল্লাহ বললেন, হে ইবলিস! আমি আমার দু’হাত দিয়ে যাকে তৈরি করেছি তাকে সিজদা করতে তোমাকে কিসে বাধা দিয়েছে? তুমি কি বড়াই করছো, না তুমি কিছু উচ্চ মর্যাদার অধিকারী? সে জবাব দিল, আমি তার তুলনায় শ্রেষ্ঠ, তুমি আমাকে সৃষ্টি করেছো আগুন থেকে এবং তাকে মাটি থেকে।”

নাসির মাহমুদ: আল্লাহতায়ালা ইবলিশের এই অহংকার পছন্দ করলেন না। তাকে দরবার থেকে করে দিলেন। এ ঘটনা থেকে প্রমাণিত হয় যে, 'আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কোনো অহংকারীকেই পছন্দ করেন না।

তো বন্ধুরা, তোমাদের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে- তাহলে এই অহংকার থেকে নিজেকে মুক্ত রাখা যায় কীভাবে? কী করলে আমাদের অন্তরে গর্ব অহংকার বাসা বাঁধতে পারবে না? আর অহংকারী হয়ে ওঠার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির উপায়ইবা কী?

আকতার জাহান: কুরআনের দৃষ্টিতে অহংকারের ঘাড় ভেঙে দেয়ার একটা উপায় হলো- মানুষ যার কাছেই যাবে, তাকেই সালাম করবে। সালাম ও শিষ্টাচার মানুষের ভেতর থেকে অহংকারের জীবানুগুলোকে ধীরে ধীরে দূর করে দিতে সাহায্য করে। কেননা পবিত্র কুরআনের সূরায়ে ফোরকানের ৬৩ নম্বর আয়াতে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেছেন: "রহমানের বান্দা তারাই, যারা পৃথিবীর বুকে নম্রভাবে চলাফেরা করে এবং মূর্খরা তাদের সাথে কথা বলতে থাকলে বলে দেয়: তোমাদের সালাম।"

নাসির মাহমুদ: বন্ধুরা, অহংকারের পরিণতি এবং অহংকার থেকে বেঁচে থাকার উপায় সম্পর্কে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি জানলে। আজকের আসরে আমরা অহংকারের পরিণতি সম্পর্কেই দুটি গল্প শোনাব। এছাড়া থাকবে একটি গান। আমাদের আজকের অনুষ্ঠানটিও তৈরি করেছেন আশরাফুর রহমান। তাহলে প্রথমেই এক অহংকারি গোলাপের গল্প শোনা যাক। 

আকতার জাহান:  বসন্তের চমৎকার একটি দিনে এক বনের মধ্যে ফুটলো লাল টুকটুকে এক গোলাপ। ফোটার পর থেকেই গোলাপটি তার আপন সৌরভে নজর কেড়ে নিল আশপাশের সবার। ছোট-বড় সব গাছ গোলাপের সৌন্দর্য আর সুগন্ধে মুগ্ধ হয়ে গেল।

আকতার জাহান: গোলাপের কাঁটা দেখে যে পাইন গাছ একদিন টিটকারি দিয়েছিল সেও বলে উঠল- "আহ্‌! কী চমৎকারই না ফুলটি! আমি যদি এমন সুন্দর হতে পারতাম তবে আমার সৌরভ ছড়িয়ে পড়ত আরো অনেক দূর।

নাসির মাহমুদ: পাইনের দুঃখ দেখে অন্য একটি গাছ তাকে সান্ত্বনা দিল। এদিকে সকলের প্রশংসা আর অভিভূত দৃষ্টি দেখে গোলাপ ধীরে ধীরে অহংকারী হয়ে উঠল। সে গর্বভরে বলল, 'এই বনের মধ্যে আমিই সবচেয়ে সুন্দর ও আকর্ষণীয় গাছ।'

আকতার জাহান: গোলাপের এই কথায় পাইন গাছ বলল,  'কেন তুমি এমন কথা বলছ? এই বনে তোমার মতো আরো অনেক সুন্দর সুন্দর তরুলতা আছে। তুমি কেবল তাদের একজন, এর চেয়ে বেশী কিছু নয়।'

নাসির মাহমুদ: এ কথার পরও গোলাপের গর্ব কমল না। সে উত্তর দিল, 'তুমি যা-ই বল না কেন, আমার তুলনা কেবল আমি। দেখ না আমার দিকে সবাই কেমন অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে!'

আকতার জাহান: একটু পর গোলাপটি তার পাশের একটি ক্যাকটাস বা ফণীমনসা গাছের দিকে ইশারা করে বলল, 'দেখতো এটা কত কুৎসিত একটি গাছ। ওর সমস্ত শরীরজুড়ে শুধু কাঁটা আর কাঁটা।'

নাসির মাহমুদ: গোলাপের কথা শেষ না হতেই পাইন গাছটি বিরক্ত হয়ে বলল, ' এসব কী ধরনের কথা! তোমার কাছে যা সুন্দর অন্যের কাছে তাই অসুন্দর মনে হতে পারে। আর তাছাড়া, তোমার গায়েও তো কাঁটা আছে।'

আকতার জাহান: পাইনের কথায় অপমান বোধ করল গোলাপ। ভীষণ রেগে গেল সে। বলল, ' হে পাইন, আমি এতদিন ভাবতাম তোমার রুচি বোধহয় অন্যদের চেয়ে ভালো। এখন দেখছি সৌন্দর্য সম্পর্কে তোমার তেমন কোন ধারণাই নেই! আমার কাঁটা আর ফণীমনসার কাঁটাকে তুমি এক করে ফেললে!'

নাসির মাহমুদ: এই বলে কপাল কুঁচকে গোলাপ তার মূলটিকে ফণীমনসার কাছ থেকে দূরে সরিয়ে নিতে চাইল। কিন্তু একচুলও নড়ালে পারল তার মূলকে। ফণীমনসার কাছ থেকে দূরে সরতে না পেরে তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতে তাকাতে লাগল গোলাপ। তবে ফণীমনসা কিন্তু গোলাপের বাঁকা চাহনিতে একটুও মন খারাপ করল না। বরং গোলাপকে বুঝানোর চেষ্টা করল যে, আল্লাহ কোনো কিছুকেই উদ্দেশ্যহীনভাবে সৃষ্টি করেননি।

আকতার জাহান: এ ঘটনার পর বেশ কিছুদিন চলে গেল। বসন্ত শেষে শুরু হলো গ্রীষ্ম। আবহাওয়া গরম হতে থাকায় মাটি শুকিয়ে ফেটে যেতে লাগল। পানির অভাবে অনেক ছোট ছোট গাছের সঙ্গে অহংকারী গোলাপ ফুলটিও শুকিয়ে যেতে লাগল। এতে গোলাপের সৌন্দর্য দিন দিন কমে যেতে থাকল।

নাসির মাহমুদ: একদিন গোলাপটি দেখতে পেল- কয়েকটি চড়ুই পাখি তাদের ঠোঁট ফণীমনসার শাখা-প্রশাখায় প্রবেশ করিয়ে কী যে চুষে নিয়ে উড়ে যাচ্ছে তৃপ্তির সঙ্গে। এই দৃশ্য দেখে গোলাপ অবাক হয়ে গেল।

আকতার জাহান: পাখিদের আসা-যাওয়ার কারণ সম্পর্কে সে পাইন গাছের কাছে জানতে চাইল- ‘প্রতিদিনই দেখছি তোমার কাছে অনেক পাখি যাওয়া-আসা করছে। তোমার মত একটা কুৎসিত গাছের কাছে তারা কেন আসছে আমি ভেবে পাই না। বলতো কেন আসে তারা?'

নাসির মাহমুদ: পাইন গাছ জানাল, পাখিরা ফণীমনসার শরীরে ঠোঁট ঢুকিয়ে পানি সংগ্রহ করে।

বিস্মিত গোলাপ জানতে চাইল-‘পাখিরা যখন ফণীমনসার শরীরের ঠোঁট ঢুকিয়ে দেয় তখন সে ব্যথা পায় না?'

আকতার জাহান: পাইন জানাল: ব্যথা পায় বটে, কিন্তু সে কোনো পাখির কষ্ট দেখতে চায় না।

নাসির মাহমুদ: পাইনের কাছ থেকে গোলাপ যেন এক নতুন তথ্য আবিষ্কার করল। সে বলল: 'হায়! এই গাছটির মধ্যে পানি আছে! অথচ আমি পানির জন্য কষ্ট পাচ্ছি।'

আকতার জাহান: এ কথা শুনে পাইন গাছ বলল: 'ফণীমনসার শরীর থেকে তুমিও পানি পান করতে পার। তুমি যদি ওর কাছে পানি চাও তাহলে চড়ুইরা ওর শরীর থেকে তোমাকে পানি এনে দিতে পারবে।'

নাসির মাহমুদ: ক'দিন আগে ফণীমনসাকে যেভাবে অপমান করেছিল তা ভুলে যায়নি গোলাপ। তাই ওর বেশ লজ্জা হচ্ছিল ফণীমনসার কাছে পানি চাইতে। ওদিকে জীবনও তার যায় যায় অবস্থা। এ অবস্থায় বাধ্য হয়ে ফণীমনসার কাছে পানি চাইল গোলাপ।

আকতার জাহান: ফণীমনসা হাসিমুখে গোলাপকে পানি দিতে রাজি হলো। এরপর চড়ুইরা তাদের ঠোঁট ভর্তি করে পানি এনে গোলাপ গাছের গোড়ায় ঢালতে লাগল। কিছুক্ষণের মধ্যেই গোলাপের মনে স্বস্তি ফিরে এল।

নাসির মাহমুদ: এ ঘটনা থেকে গোলাপ গাছ উপযুক্ত শিক্ষা পেল। সে আর কখনো অহংকার ও তাচ্ছিল্য করে কারো সম্পর্কে কোনো বাজে মন্তব্য করেনি। ফণীমনসার উদারতা থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেকে অন্যভাবে গড়ে তুলল গোলাপ।

আকতার জাহান: বন্ধুরা, অহংকারী গোলাপের গল্পটি শুনলে। এ গল্পের আলোকে আমরা বলতে পারি যে, আল্লাহর কোনো সৃষ্টিরই অহংকার করা সাজে না। গর্ব ও অহংকার একমাত্র আল্লাহর জন্য প্রযোজ্য।

 নাসির মাহমুদ: বন্ধুরা, আজকের আলোচনা ও গল্প থেকে তোমরা নিশ্চয়ই বুঝতে পেয়েছো যে, অহংকার একটি মন্দ গুণ। তেমনি কাউকে গালি দেওয়া এবং অহেতুক ঝগড়া-ফ্যাসাদে লিপ্ত হওয়াও মন্দ কাজ। এসব না করে আমাদের উচিত সবার সাথে উত্তম আচরণ করা।

আকতার জাহান: বন্ধুরা, আসরের এ পর্যায়ে এ সম্পর্কেই রয়েছে একটি গান। গানের কথা লিখেছেন গাজী নয়ন ইসলাম, সুর করেছেন আবদুল্লাহ আল নোমান। আর গেয়েছে শিশুশিল্পী জাইমা, নাবিহা, মালিকা, তাহমিদ, পারিশা, আফরা, তালহা, জারিফ প্রমুখ।

নাসির মাহমুদ: ছোট্টবন্ধুদের কণ্ঠে উপদেশমূলক গানটি শুনলে। বন্ধুরা, এবারে রয়েছে অহংকারের পরিণতি সম্পর্কে ঈশপের একটি গল্প

আকতার জাহান: এক বনের কিনারে ছিল বিরাট একটি গাছ। তার শিকড় যেমন মাটির অনেক গভীরে পৌঁছেছিল তেমনি ডালপালাও চারপাশের অনেকখানি জায়গা জুড়ে ছড়িয়েছিল। গাছটির ঘন পাতার রাশি সূর্যের আলো প্রতিরোধ করে মানুষকে ছায়া দিত। গাছটিতে অসংখ্য পাখি বাস করত। মানুষ ও পাখির সমাগমে গাছটির চারপাশের এলাকা মুখরিত থাকত।

নাসির মাহমুদ: এই বিরাট গাছের নিচে একটি গাছের চারা গজিয়ে ওঠে। এটি ছিল একটি নমনীয় ও নাজুক হলদি গাছ। সামান্য একটু বাতাসেই তা নুয়ে পড়ত।

আকতার জাহান: একদিন দু প্রতিবেশী গাছ কথা বলছিল। হলদি গাছকে লক্ষ্য বড় গাছটি বলল: ওহে খুদে প্রতিবেশী, তুমি তোমার শিকড়গুলো মাটির আরো গভীরে প্রবেশ করাও না কেন? কেন আমার মত মাথা উঁচু করে দাঁড়াও না?

নাসির মাহমুদ: হলদি গাছ মৃদু হেসে বলল: তার কোনো প্রয়োজন দেখি না। আসলে এ ভাবেই আমি নিরাপদ আছি।

আকতার জাহান: বড় গাছ বলল: নিরাপদ! তুমি কি মনে কর যে, তুমি আমার চেয়ে নিরাপদ আছ? তুমি কি জান আমার শিকড় কত গভীরে প্রবেশ করেছে? আমার কাণ্ড কত মোটা ও শক্ত? এমনকি দুজন লোক মিলেও আমার কাণ্ডের বেড় পাবে না। আমার শিকড় উৎপাটিত করবে ও আমাকে ধরাশায়ী করবে- এমন কে আছে?

নাসির মাহমুদ: গাছটি হলদি গাছের দিক থেকে বিরক্ত হয়ে মুখ ফিরিয়ে নিল। কার ভাগ্যে কখন কী ঘটে তা কে বলতে পারে?

আকতার জাহান: একদিন সন্ধ্যায় ওই এলাকার ওপর দিয়ে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় বয়ে গেল। ঘূর্ণিঝড়ে শিকড়সহ গাছ উপড়ে পড়ে, বনের গাছপালা একেবারে ধ্বংস হয়ে গেল।

নাসির মাহমুদ: ঝড়ের পর গ্রামবাসী ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ দেখতে বের হল। আকাশচুম্বী গাছগুলোর অবস্থা একেবারে শোচনীয়। সেগুলো হয় উপড়ে পড়েছে অথবা ভেঙে চুরে শেষ হয়ে গেছে। সারা বনের মধ্যে যেন গাছপালার কঙ্কাল ছড়িয়ে আছে।

আকতার জাহান: এর মধ্যে শুধু একটি ব্যতিক্রম সবার নজর কাড়ে। তা হলো হলদি গাছ। সেও ঘূর্ণিঝড়ের প্রবল ঝাপটার শিকার হয়ে এদিক ওদিক হেলে পড়েছে কিংবা মাটিতেও লুটিয়ে পড়েছে। ঝড় শেষ হয়ে যাবার পর সে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছে ও আবার মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু তার বিরাট প্রতিবেশী গাছটির কোনো চিহ্নও দেখা গেল না।

নাসির মাহমুদ: বন্ধুরা এ গল্পের নীতিকথা হলো, অহংকারীর ধ্বংস অনিবার্য। তাই হযরত লোকমান তাঁর ছেলেকে অহংকার থেকে দূরে থাকার আদেশ দিয়ে বলেছেন, "ঘৃণা ও অবজ্ঞাভরে মানুষের কাছ থেকে তোমার দৃষ্টি ফিরিয়ে নিও না, গর্ব ও অহংকারের সঙ্গে দুনিয়াতে চলো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ অহংকারী লোকদেরকে পছন্দ করেন না।"

আকতার জাহান: অন্যদিকে হযরত আলী (আ.) বলেছেন, "আল্লাহ যদি কাউকে অহংকার করার অনুমতি দিতেন তাহলে তিনি সে অনুমতি দিতেন নবী-রাসূল ও আউলিয়াদের। কিন্তু আল্লাহপাক অহমিকাকে তাদের জন্য ক্ষতিকর হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং বিনয়কে তাদের জন্য গ্রহণযোগ্য করেছেন।"

নাসির মাহমুদ: তো বন্ধুরা, দেখতে দেখতে আমাদের সব আয়োজন এক এক করে ফুরিয়ে গেল। তোমরা সবাই ভালো ও সুস্থ থেকো আবারো এ কামনা করে গুটিয়ে নিচ্ছি রংধনুর আজকের আসর। কথা হবে আবারো আগামী আসরে।

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৮

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

 

ট্যাগ