আগস্ট ২৪, ২০২১ ১৮:১৮ Asia/Dhaka

শ্রোতা বন্ধুরা, আপনাদের সবাইকে প্রীতি আর শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি চিঠিপত্রের সাপ্তাহিক আসর 'প্রিয়জন'। আজও অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় রয়েছি আমরা তিনজন। আমি গাজী আবদুর রশীদ, আমি আকতার জাহান এবং আমি আশরাফুর রহমান।

আশরাফুর রহমান: আসরের শুরুতেই আমি একটি হাদিস শোনাতে চাই। রাসূলে খোদা (সা.) বলেছেন, “কেউ কোনো রোগীর সেবায় এগিয়ে গেলে ওই রোগী রোগমুক্ত হোক আর না হোক, সেবাকারী ব্যক্তির সব গুণাহ আল্লাহ মাফ করে দেন।”

আকতার জাহান: খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি হাদিস শুনলাম। আমরা সবাই সাধ্যমতো রোগীর সেবা করব- এ প্রত্যাশা করে নজর দিচ্ছি চিঠিপত্রের দিকে।

আসরের প্রথম চিঠিটি এসেছে বাংলাদেশের রাজবাড়ী জেলার খোশবাড়ী থেকে। আর পাঠিয়েছেন রংধনু শ্রোতা সংঘের সভাপতি শাওন হোসাইন। তিনি লিখেছেন, গত ১৫ জুলাই ছিল বৃহস্পতিবার আর বৃহস্পতিবার মানেই রংধনু আসর প্রচারের দিন। আমি ও আমার পরিবারের ক্ষুদে সদস্যদের সারা সপ্তাহের প্রতীক্ষার অবসান হয় রংধনু আসরে প্রচারিত মজার ও শিক্ষণীয় গল্প শোনার মাধ্যমে। এদিন প্রচারিত হয়েছিল 'বাঘের উপর মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব' শিরোনামের গল্প। গল্পটি মজার হলেও বেশ শিক্ষণীয় ছিল। গল্পটি রূপকথার হলেও মানুষ যে তার চিন্তা শক্তি ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে যেকোনো প্রাণীকে বশে আনতে পারে সেটা প্রমাণিত হলো। সুন্দর ও শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান নির্মাণের জন্য শ্রদ্ধেয় আশরাফুর রহমান ভাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

গাজী আবদুর রশীদ: একই অনুষ্ঠান সম্পর্কে জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানার পূর্ব নলছিয়া গ্রাম থেকে হারুন অর রশীদ লিখেছেন, “গত ১৫ জুলাই রেডিও তেহরান থেকে প্রচারিত শ্রোতানন্দিত 'রংধনু' অনুষ্ঠানে 'বাঘ-বিড়াল ও গ্রাম্য মানুষের' গল্পটি সাবলীল ও চমৎকারভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। শুধুমাত্র গায়ের জোর আর প্রবল শক্তিমত্তা থাকলেই জগতে বিজয়ী কিংবা শ্রেষ্ঠত্বের দাবিদার হওয়া যায় না, জীবনযুদ্ধে জয়ী হতে হলে মেধা ও অভিজ্ঞতাও লাগে- একথাটিই সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয়েছে সেদিনের রংধনু আসরে।”               

‘শিশু- কিশোরদের আদর্শ জীবনের মজবুত ভিত্তি গড়তে 'রংধনু' অনুষ্ঠানটি মুনশিয়ানার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে’ মন্তব্য করে এ শ্রোতাবন্ধু চার লাইনের একটি কবিতা লিখে পাঠিয়েছেন। আমি তা পড়ে শোনাচ্ছি।

"অস্থির, অরাজকতা জগতের কালো 

ধুয়ে-মুছে রংধনু ছড়ায় আলো, 

আদর্শ জীবন আর সুন্দর মন 

রংধনুর শিক্ষায় হবেই গঠন।”

আশরাফুর রহমান: রংধনু আসর ভালো লেগেছে জানিয়ে পরের মেইলটি পাঠিয়েছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট থেকে বিধান চন্দ্র সান্যাল। তিনি লিখেছেন, “আশরাফুর রহমান-এর গ্রন্থনায়, গাজী আব্দুর রশিদ ও আক্তার জাহান-এর উপস্থাপনায় রংধনু অনুষ্ঠানটি হৃদয় জয় করে নিয়েছে। ১৫ জুলাইয়ের অনুষ্ঠানে বাঘের উপর মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব সম্পর্কে এক সুন্দর গল্প উপস্থাপিত হয় এবং গল্প শেষে স্বপ্ন নিয়ে সুন্দর এক গান পরিবেশিত হয়।”

আকতার জাহান: কাতারের দোহা থেকে এইচ এম কাউসারও রংধনু আসর সম্পর্কে লিখেছেন, যদিও রংধনু অনুষ্ঠানটি ছোটদের তারপরও আমি শুনি এবং আপনাদের সুন্দর উপস্থাপনা আমাকে মুগ্ধ করে। রংধনু অনুষ্ঠানটি শুনতে শুনতে আমি হারিয়ে যাই সেই ফেলে আসা শৈশবে। ১৫ জুলাই রংধনু পর্বটি খুব ভালো লেগেছে বলেও তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন।

গাজী আবদুর রশীদ: রংধনু আসর সম্পর্কে এত্তগুলো চিঠি আর প্রশংসা পেয়ে আমরা যারপরনাই খুশি। চিঠি লিখার জন্য শাওন হোসাইন, হারুন অর রশীদ, বিধান চন্দ্র সান্যাল ও এইচ এম কাউসার আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

আশরাফুর রহমান: ঢাকা সেনানিবাস থেকে সালমা তালুকদার পাঠিয়েছেন পরের মেইলটি। তিনি লিখেছেন, “আমি আপনাদের রেডিও তেহরানের কোনো শ্রোতা নই। তবে পাসটুডের নিয়মিত পাঠক। আমি অনেক আগে থেকেই রেডিও তেহরান সম্পর্কে জানি, কিন্তু শুনিনি কখনো। আমার হ্যাজবেন্ড মোবারক হোসেন ফনি আপনাদের নানা কর্মকাণ্ডে অংশ নেয়। তাতেও আমার মন কাড়তে পারেনি। রাত জেগে প্রিয়জন গ্রুপে তাকে চ্যাট করতে দেখে এক সময় বিরক্ত হতাম। তবে অনেক ভেবে দেখলাম- চেনা নেই, জানা নেই অথচ সবার সাথে আত্মার কী দৃঢ় বন্ধন! এটা দেখে আমি অভিভূত! আপনাদের এই বন্ধন যুগ যুগ বেঁচে থাকুক।”

আকতার জাহান: বোন সালমা তালুকদার, আপনার এ চিঠিটি আমাদের ভীষণ ভালো লেগেছে। বেতারপ্রেমী ফনি ভাইয়ের মতো আপনাকেও আমরা শ্রোতা হিসেবে পেতে চাই। আশা করি অনুষ্ঠান শুনবেন এবং মতামত দেবেন। চিঠি লিখার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

আসরের এ পর্যায়ে আমরা ভারতের শ্রোতাবন্ধু ভাস্কর পালের সাথে সরাসরি কথা বলতে চাই।  

আকতার জাহান: ঢাকার গেন্ডারিয়া থেকে ব্যাংকার ও মুক্তমনা কলামিস্ট মো. জিল্লুর রহমান পাঠিয়েছেন পরের মেইলটি।

তিনি লিখেছেন, "আপনাদের বিশ্ব সংবাদে শুনলাম আফগান এক কমান্ডারের তথ্য মতে, আফগানিস্তানের বাগরাম বিমানঘাঁটি থেকে রাতের আঁধারে আমেরিকান সৈন্যরা কাউকে না জানিয়ে পালিয়েছে। কয়েকদিন আগেও গণমাধ্যমে খবর বেরিয়েছে, আফগানিস্তানের উত্তরে তালেবানের সাথে যুদ্ধরত প্রায় ১ হাজার আফগান সৈন্য সীমান্ত পেরিয়ে তাজিকিস্তানে পালিয়ে গেছে। ভিয়েতনামের যুদ্ধে আমেরিকা ত্রিশ বছর যুদ্ধ করে হেরেছিল, আফগানিস্তানেও বিশ বছর যুদ্ধ করে প্রকারান্তারে হেরে গেল। আসলে আমেরিকা পৃথিবীর সর্বত্র বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানোর চেষ্টা করে কিন্তু আফগানিস্তান ও ইরাকের চোরাবালিতে হাবুডুবু খেয়ে মার্কিনীদের সবেমাত্র বোধোদয় হয়েছে! তবে তালেবানদের সাম্প্রতিক উত্থান সবাইকে ভাবিয়ে তুলেছে কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে যে শান্তির জন্য আমেরিকার নেতৃত্বে ন্যাটো বাহিনী তালেবানকে হটানোর জন্য আক্রমণ করেছিল, সেই শান্তি কি অধরাই থেকে যাবে"?

গাজী আবদুর রশীদ: ভাই জিল্লুর রহমান, আপনার মতামতটি তুলে ধরা হলো। আশা করি আমাদের অনুষ্ঠান সম্পর্কেও লিখবেন।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুপী থেকে মহ:  হাফিজুর রহমান পাঠিয়েছেন এবারের মেইলটি। তিনি ২৮ জুন প্রচারিত প্রিয়জন অনুষ্ঠানের ওপর একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন। লিখেছেন, "প্রিয়জনের শুরুতে বিপদে আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো নিয়ে খুবই চমৎকার মহানবী (সা. আ.)'র একটি হাদিস শুনলাম। এরপর প্রিয়জনের আসরে ইরানের নবতম প্রেসিডেন্ট সাইয়্যেদ ইব্রাহিম রায়েসির বিজয় লাভ নিয়ে পাঁচজন শ্রোতার মতামত এবং বাংলাদেশের ১১ জন এবং ভারতের ৪ জন শ্রোতার প্রাপ্তি স্বীকার করা হলো। প্রিয়জনের এই আসরে একটা নতুনত্ব দেখলাম তাহলো ফেসবুক গ্রুপে লেখা মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে তা প্রিয়জনের আসরে প্রচার করা হলো। ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের নতুন প্রেসিডেন্ট সৈয়দ ইব্রাহিম রায়েসির বিজয় লাভে শ্রোতাদের মধ্যে যে খুশির হাওয়া বয়েছে তা মতামত শুনে বুঝতে পারলাম। উপভোগ্য ও আকর্ষণীয় প্রিয়জন উপহার দেওয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই প্রিয়জনের উপস্থাপক-উপস্থাপিকা এবং প্রযোজকের প্রতি।"

আশরাফুর রহমান: প্রিয়জন অনুষ্ঠান সম্পর্কে হাফিজুর রহমান ভাইয়ের বিশাল মতামতের কিছু অংশ তুলে ধরা হলো। চিঠি লিখার জন্য ধন্যবাদ।

এবারে ক্লাব কার্যক্রমের একটি খবর। এটি পাঠিয়েছেন আইআরআইবি ফ্যান ক্লাব, কিশোরগঞ্জের অর্থ সম্পাদক শরিফা আক্তার পান্না। তিনি লিখেছেন, "১৫ জুন কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার যশোদল ইউনিয়নের ভূবিরচর গ্রামে এক বৃক্ষরোপন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির উদ্বোধন করেন গুরুদয়াল সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক এবং আইআরআইবি ফ্যান ক্লাব, কিশোরগঞ্জের সভাপতি মোঃ শাহাদত হোসেন। বাংলাদেশের বর্তমান করোনা পরিস্থিতির কারণে সংক্ষিপ্ত ও অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সামাজিক বিধি মেনে উক্ত বৃক্ষরোপন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।"

আকতার জাহান: সফলভাবে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি সম্পন্ন করায় আইআরআইবি ফ্যান ক্লাব, কিশোরগঞ্জকে ধন্যবাদ।

আমাদের ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে রেডিও তেহরানকে নিয়ে লেখা একটি কবিতা শেয়ার করেছেন ভারতের অসমের বরপেটা জেলার কান্দুলিয়ার সকাল-সন্ধ্যা রেডিও লিসেনার্স ক্লাবের সভাপতি আব্দুস সালাম সিদ্দিক।

গাজী আবদুর রশীদ: রেডিও তেহরানকে নিয়ে কবিতা! এমন লেখা পেলে আমি আবার চুপ করে থাকতে পারি না। পড়ে দেখি আবদুস সালাম সিদ্দিক ভাই কী লিখেছেন!  

রেডিও তেহরান তুমি অতি মহান

সত্যের আলোক জ্যোতি,

বিশ্বের বেতারে সবার উপরে

তোমার রয়েছে খ্যাতি।

লাঞ্ছিত-বঞ্চিত শোষিত-নিপীড়িত

সর্বহারা মজলুম,

পাশেতে দাঁড়িয়ে তুলে ধরেছে

তাদের যত জুলুম।

দেখেছি তোমায় আফগানিস্তানে

মার্কিনী আগ্রাসনে,

ধ্বংস স্তূপের পূর্ণ বিবরণ    

পেয়েছিল জনগণে।

ইহুদীবাদীর জবর দখলে

ফিলিস্তিন সর্বহারা,

হত্যাযজ্ঞের স্ট্রিম রোলার

চালিয়ে যাচ্ছে যারা।

সেখানে তোমার প্রতিবাদী কণ্ঠ

হয়নি কভু স্তিমিত,

নির্যাতনের ওই ঘটনা প্রবাহ

করে যাচ্ছে প্রকাশিত।

আরও শুনেছি ইরাকের যুদ্ধে

ইঙ্গ-মার্কিন বাহিনী,

ক্ষমতা দখলে প্রাচীন সভ্যতা

ধ্বংসের যত কাহিনী।

নীরহ মানুষ স্বজন হারিয়ে

করছে হাহাকার,

সঠিক তথ্যের  পসরা সাজিয়ে

‌তুলে ধরেছে আবার।

বিশ্বের যেখানে অধিকার খর্ব

হচ্ছে বারবার,

সেখানেই তুমি তীব্র প্রতিবাদ

সাব্যস্ত করেছ তার।

মুসলিমদের রেখেছ খবর

জুলুম নির্যাতনের,

সেই জন্য তুমি স্থান করে নিচ্ছ

অন্তরে জনগণের।

আশরাফুর রহমান: কবিতাটি সত্যিই অসাধারণ লেগেছে। আমাদের অন্য শ্রোতাবন্ধুরাও কিন্তু এভাবে কবিতা লিখে কিংবা আবৃত্তি করে পাঠাতে পারেন। মানসম্মত হলে অবশ্যই তা প্রচার করা হবে।

আজকের আসরের শেষ চিঠিটিও ভারতের। পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থানার ধুলিয়া খালিসা গ্রাম থেকে এটি পাঠিয়েছেন মনীষা রায়।

আন্তরিক প্রীতিময় শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, বিশ্বের বেশ কয়েকটি বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত অনুষ্ঠান শুনে থাকলেও রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠান-এর মত তথ্যবহুল, সময়োপযোগী, ব্যতিক্রম বৈশিষ্ট্যধর্মী অনুষ্ঠান শুনতে পাওয়া যায় না। তাইতো বৈশিষ্ট্যপূর্ণ পরিবেশনাগুলো আমায় দারুণভাবে আকৃষ্ট করে আর এজন্যই অধীর আগ্রহ ভরে নিয়মিত অনুষ্ঠান শুনে যাচ্ছি। এসব বৈশিষ্ট্যপূর্ণ অনুষ্ঠান শুনতে গিয়ে ১৩ জুলাই ২০২১ 'দর্পণ' অনুষ্ঠানে 'মাদকবিরোধী অভিযানে ইরানের ভূমিকা' শীর্ষক আলোচনাটি মনোমুগ্ধকর লেগেছে।

আকতার জাহান: বোন মনীষা রায়, রেডিও তেহরানের বিভিন্ন পরিবেশনা বিশেষকরে দর্পন অনুষ্ঠান সম্পর্কে মতামত জানানোয় আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

তো বন্ধুরা, অনুষ্ঠানের এ পর্যায়ে আমরা কয়েকজন শ্রোতার চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার করছি।

  • কিশোরগঞ্জ থেকে শাহাদত হোসেন
  • ঢাকার মিরপুর থেকে মোঃ হাবিবুল হক মিঞা নিবরাস
  • ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ইসলামপুর থেকে রাজিব দত্ত
  • একই জেলার নওপাড়া শিমুলিয়া থেকে নিজামুদ্দিন শেখ।

গাজী আবদুর রশীদ: চিঠি লিখার জন্য আপনাদের সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। তো বন্ধুরা, আমাদের প্রযোজিকা হাত নেড়ে জানিয়ে দিচ্ছেন যে, আমাদের হাতে আজ আর সময় নেই। আপনার ভালো, সুস্থ ও নিরাপদে থাকুন আবারো এ কামনা করে গুটিয়ে নিচ্ছি প্রিয়জনের আজকের আসর।

আশরাফুর রহমান: কথা হবে আবারো আগামী সপ্তাহে।

 

ট্যাগ