সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১ ২০:৪১ Asia/Dhaka

সুপ্রিয় শ্রোতাবন্ধুরা, কেমন আছেন আপনারা? আশা করি ভালো ও সুস্থ আছেন। এ মুহূর্তে যারা রেডিও, ওয়েবসাইট, ফেসবুক কিংবা ইউটিউবে আমাদের অনুষ্ঠান শুনছেন তাদের সবাইকে জানাই অনেক অনেক প্রীতি আর শুভেচ্ছা। প্রিয়জনের আজকের আসর উপস্থাপনায় রয়েছি আমি গাজী আব্দুর রশীদ, আমি আকতার জাহান এবং আমি আশরাফুর রহমান।

আশরাফুর রহমান: আজও অনুষ্ঠানের শুরুতেই আমি একটি হাদিস শোনাতে চাই। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “মানুষ তার বন্ধুর বিশ্বাস দ্বারা প্রভাবিত হয়। তাই নজর রাখো তোমাদের মধ্যে কার সাথে বন্ধুত্ব করছো।”

আকতার জাহান: বন্ধুত্ব করার ক্ষেত্রে ইসলামের দিকনির্দেশনা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ একটি হাদিস শুনলাম। আমরা সবাই সদগুণ দেখে বন্ধুত্ব করার চেষ্টা করব- এ কামনা করে নজর দিচ্ছি চিঠিপত্রের দিকে। আসরের প্রথম চিঠিটি পাঠিয়েছেন বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল সরকারি কলেজের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ শাহাদত হোসেন।

রেডিও তেহরানের রংধনু আসরের প্রশংসা করে তিনি লিখেছেন, ছোট এবং বড় সবাই একসাথে এ অনুষ্ঠানটি শুনে থাকেন। তাই যেদিন রংধনু প্রচারিত হয়, সেদিন রেডিও তেহরানের শ্রোতাসংখ্যা বেড়ে যায়। ২৬ আগস্টের রংধনু আসরে পবিত্র কুরআন থেকে নেয়া দুটি গল্প এবং মহাগ্রন্থ কুরআন নিয়ে একটি গান প্রচারিত হয়। দারুণ ভালো লেগেছে অনুষ্ঠানটি।

গাজী আবদুর রশীদ: একই অনুষ্ঠান সম্পর্কে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণা জেলার মহেন্দ্রনগর অগ্রগামী ক্লাব থেকে ভাস্কর পাল পাঠিয়েছেন এবারের মেইলটি। তিনি লিখেছেন, রংধনু আসর শিশু কিশোরদের জন্য শুধুমাত্র বিনোদনমূলক একটি অনুষ্ঠান নয়, এই অনুষ্ঠান থেকে তারা পাচ্ছে নৈতিকতা ও মূল্যবোধের শিক্ষা। তাদের মধ্যে ধর্মীয় চেতনা জাগ্রত করতে অনুষ্ঠানটির কোনো বিকল্প নেই। এই অনুষ্ঠানে পঠিত গল্পের শিক্ষাগুলো তাদের আজীবন কাজে লাগবে। এমন মনোমুগ্ধকর একটি অনুষ্ঠান পরিবেশন করার জন্য রেডিও তেহরানকে ধন্যবাদ জানাই।

আশরাফুর রহমান:  ২৬ আগস্টের রংধনু আসরে পবিত্র কুরআন থেকে দুটি গল্প এবং পবিত্র কুরআন পড়ার গুরুত্ব সম্পর্কে শিশুদের গাওয়া গানটি শুনে দারুণভাবে মুগ্ধ হয়েছেন বলে ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে মন্তব্য করেছেন কুষ্টিয়ার শ্রোতাবন্ধু মোখলেছুর রহমান।

আকতার জাহান: তো ভাই শাহাদত হোসেন, ভাস্কর পাল ও মোখলেছুর রহমান, রংধনু আসর সম্পর্কে আপনাদের ভালোলাগার অনুভূতি আমাদের সাথে শেয়ার করার জন্য সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুপী থেকে হাফিজুর  রহমান পাঠিয়েছেন পরের মেইলটি। তিনি লিখেছেন, “তরতাজা আর বাস্তবতানির্ভর সংবাদ এবং রুচিশীল অনুষ্ঠান প্রচারে রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগ আমাদের অতিপ্রিয়। আমি মনে করি বেতারকেন্দ্রটির বিকল্প এবং প্রতিদ্বন্দ্বী নিজেই। দিন দিন আধুনিকতার স্পর্শে এগিয়ে চলেছে বেতারকেন্দ্রটি। আমি মুগ্ধ বেতারকেন্দ্রের অনুষ্ঠান ও সংবাদ প্রচারে অগ্রগামীতে। অনেক অনেক ভালো অনুষ্ঠান ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের মাধ্যম বেতারকেন্দ্রটি শ্রোতাপ্রিয় বেতার কেন্দ্রে পরিণত ও প্রতিষ্ঠিত বহুদিন ধরেই। জনপ্রিয়তার শীর্ষে থেকে তার পথ চলার মান সবসময় বাড়ছে। এই বেতার কেন্দ্রের সঙ্গে যাঁরা জড়িত রয়েছেন তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।”

গাজী আবদুর রশীদ: ভাই হাফিজুর রহমান, রেডিও তেহরান সম্পর্কে চমৎকার মূল্যায়নের জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ। আশা করি সবসময় আমাদের সাথে থাকবেন এবং মতামত ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করবেন।

আশরাফুর রহমান: প্রিয়জনের ম্যাসেঞ্জার গ্রুপে রেডিও তেহরান সম্পর্কে চমৎকার একটি মন্তব্য করেছেন টাঙ্গাইলের শ্রোতাবন্ধু আবু তাহের। তিনি লিখেছেন, “রেডিও তেহরান বাংলা’র শ্রোতাবান্ধব সিদ্ধান্ত ও কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের ফলে প্রতিনিয়ত নতুন-পুরাতন শ্রোতার আগমন ধ্বনির ঘণ্টা বাজে প্রিয়জন গ্রুপে, ফেসবুক, ইউটিউব, ওয়েবে এবং শর্টওয়েভে অনুষ্ঠান শোনার মাধ্যমে। প্রতিনিয়ত নতুন যুক্ত হওয়া বন্ধুদের মতামত, পরামর্শ ও চিঠি পড়ে আমি ভীষণ মুগ্ধ হই। বেলা শেষে হিসাব করে দেখি শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও রেডিও তেহরান বাংলার শ্রোতাদের বিস্তৃতি। ধন্যবাদ রেডিও তেহরানকে সময়োপযোগী সকল মাধ্যমে অনুষ্ঠান প্রচারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য।”

আকতার জাহান: আবু তাহের ভাইয়ের আশা জাগানিয়া কথাগুলো আমাদের ভীষণ ভালো লেগেছে। আশা করি মাঝেমধ্যে লিখবেন।

শ্রোতাবন্ধুরা, অনুষ্ঠানের এ পর্যায়ে আমরা কথা বলব বাংলাদেশের এক শ্রোতার সঙ্গে। টেলিফোনের অপর প্রান্তে যিনি আছেন প্রথমেই তার পরিচয় জানা যাক।

 

 

আশরাফুর রহমান: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ থেকে মনীষা রায়ের পাঠানো একটি মেইলের দিকে নজর দিচ্ছি।

আন্তরিক প্রীতিময় শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা জানানোর পর তিনি লিখেছেন, “আদর্শ মানুষ গড়ার কৌশল অনুষ্ঠানের ২২তম পর্ব মনোযোগ সহকারে শুনলাম। শ্রদ্ধা, ভক্তি, মূল্যবোধ, ধর্মীয় ও নৈতিকতার শিক্ষা শৈশবকালে দেওয়াটাই যথাযথ- এ শিক্ষা আমি এই অনুষ্ঠান থেকে পেলাম।”

এছাড়া, বিশ্বসংবাদ, দৃষ্টিপাত, আসমাউল হুসনা, কথাবার্তাসহ সবগুলো পরিবেশনা বিশেষ মনোযোগ সহকারে শুনেছেন বলে তিনি চিঠিতে উল্লেখ করেছেন।

আকতার জাহান: বোন মনীষা রায়কে ধন্যবাদ আমাদের পুরো অনুষ্ঠান শোনার পর মতামতসমৃদ্ধ এ চিঠিটির জন্য। আশা করি চিঠি লেখা অব্যাহত রাখবেন। আসরের পরের চিঠিটি এসেছে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার উত্তর ধলডাঙ্গা থেকে। আর পাঠিয়েছেন শাপলা শর্টওয়েভ রেডিও লিসেনার্স ক্লাবের সভাপতি  আব্দুল কুদ্দুস মাস্টার।

‘শোকাবহ মহররম ও কিছু স্মৃতি’ শিরোনামের এ লেখায় তিনি উল্লেখ করেছেন, প্রতি বছর বেদনাদায়ক মহররম শুরু হবার সাথে সাথেই তার এলাকার লোকজন কোনো বাড়িতে কিংবা উন্মুক্ত স্থানে পুঁথিপাঠের আয়োজন করত। তাঁর জেঠা সুললিত কণ্ঠে ‘দাস্তান-ই শহীদে কারবালা’ নামক পুঁথি থেকে পাঠ করে শোনাতেন। তিনি কারবালার মর্মান্তিক শোকাবহ ঘটনা বর্ণনার সময় সবারই চোখ অশ্রুসজল হয়ে উঠত। প্রায় বিশ বছর পূর্বে জেঠামিয়ার পরলোক গমনের পর থেকে মহররমকে ঘিরে উক্ত সংস্কৃতিও বিলুপ্ত হয়ে গেছে। তবে আশুরার দিনে এলাকার দরিদ্র অসহায় মানুষগুলোর মাঝে বিতরণ করা এবং কারবালার শহীদানদের স্মরণে দোয়া মাহফিলের ধারাটি আজও অব্যাহত আছে বলে আব্দুল কুদ্দুস মাস্টার জানিয়েছেন।

গাজী আব্দুর রশীদ:  আপনার এলাকায় চলে আসা আশুরার সংস্কৃতি তুলে ধরার জন্য আব্দুল কুদ্দুস ভাই আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। মহান আল্লাহ আপনাদের প্রচেষ্টা কবুল করুন।

আশরাফুর রহমান: আসরের পরের চিঠিটি পাঠিয়েছেন রাজবাড়ী জেলার খোশবাড়ী থেকে শাওন হোসাইন।

তিনি লিখেছেন, ছোট বেলায় দেখতাম- গ্রামে কিছু বালক বাড়ি বাড়ি গিয়ে মহররমের শিরনি করবে বলে চাল উঠাতো ও রাস্তা দিয়ে সারি বেঁধে শোকের মাতম করতো। ১০ই মহররম তথা আশুরার দিন সেই চাল দিয়ে শিরনি রান্না হতো। ওইদিন আশেপাশের ইমামবাড়িতে প্রতীকিভাবে কারবালার ঘটনাকে উপস্থাপন করে শোক প্রকাশ করতো। এছাড়া বিভিন্ন স্থানে তাজিয়া মিছিল বের করা হতো। আমি জানতে চাই- এসব কি ইরানে হয়? এগুলো ইসলামে কি জায়েজ?

আকতার জাহান: ভাই শাওন হোসাইন, শোক প্রকাশের জন্য মহররমের ঘটনা প্রতীকিভাবে তুলে ধরা অবশ্যই ভালো কাজ। মহানবীর আহলে বাইতের মুসিবতের জন্য শোক প্রকাশ কেবল জায়েজ নয়, তা ব্যাপক সাওয়াবের কাজও বটে। বিশেষ করে ইমাম হুসাইনসহ কারবালার শহীদদের জন্য শোক প্রকাশকে ব্যাপক গুরুত্ব দেয়া হয়। এক গ্রুপ ইয়াজিদপন্থী সেজে ও অন্য গ্রুপ ইমামপন্থী সেজে যুদ্ধের অভিনয় করলে তা যুগ যুগ ধরে চলে আসা আহলে বাইতপন্থীদের আশুরা সংস্কৃতি তথা শাহাদাতের সংস্কৃতি উজ্জীবনের জরুরি কাজেরই অংশ। ইরানেও অনেকটা এ ধরনের দৃশ্যায়নের চর্চা রয়েছে। ইমাম হুসাইনের আন্দোলন ছিল যেহেতু মিথ্যার বিরুদ্ধে তাই মিথ্যার বিরুদ্ধে সত্যের সংগ্রাম ও ইসলামী নীতিকে রক্ষার সংগ্রামকে স্মরণ করা মহান আল্লাহর নিদর্শনগুলোর প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন সংক্রান্ত কুরআন হাদিসেরই নির্দেশেরই এক ধরনের বাস্তবায়ন মাত্র। গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশ্নের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। 

গাজী আবদুর রশীদ: বাংলাদেশ ও ভারতের বাংলা দৈনিকগুলোর খবরাখবর নিয়ে সাজানো কথাবার্তা সম্পর্কে মতামত জানিয়ে বড়সড় একটি মেইল করেছেন বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার বাজিতপুর থানার সাদির চর থেকে মোঃ সাগর মিয়া। তার চিঠির কিছু অংশ পড়ে শোনাচ্ছি।

সাগর ভাই লিখেছেন, “১৫ আগস্ট প্রচারিত কথাবার্তায় সিরাজুল ইসলাম ভাই দুটি বিষয়ে বিশ্লেষণ করেন। বিষয় দুটি হল: ঢাকা শহরের দূষণ ও আফগানিস্তানে তালেবানের বিজয় ও স্বাধীনতা প্রত্যাশা। দুটি বিষয়ে তিনি যে মতামত দিয়েছেন, তা আমার মতের সাথে মিলে গেছে। ধন্যবাদ জানাই জনাব সিরাজুল ইসলাম ভাইকে, ধন্যবাদ রেডিও তেহরানকে।”

আশরাফুর রহমান: সাগর ভাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ, আপনার ভালো লাগার অনুভূতি প্রকাশের জন্য।

আসরের শেষ চিঠিটি এসেছে জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার পূর্ব নলছিয়া থেকে। আর পাঠিয়েছেন হারুন অর রশীদ। তিনি লিখেছেন, চিঠিপত্রের আসর প্রিয়জন অনুষ্ঠানের মাঝামাঝি শ্রোতাদের সাক্ষাৎকার এবং শেষের দিকে জনপ্রিয় বিশুদ্ধ ও পরিশীলিত গান মনকে ভরিয়ে দেয়। তাইতো শত ব্যস্ততার মধ্যেও প্রিয়জনের জন্য ব্যাকুল হৃদয় আকুলতায় প্রহর গোনে।

আকতার জাহান: চমৎকার এই চিঠিটির পাশাপাশি হারুন ভাই তার মেইলে একটি অডিও ফাইলও পাঠিয়েছেন দেখতে পাচ্ছি! কেউ কি জানেন- ফাইলটা কিসের?

গাজী আবদুর রশীদ: ফাইলটা কিসের তাতো বলতে পারব না। চলুন না বাজিয়ে শুনি। 

আশরাফুর রহমান: বাহঃ চমৎকার একটি কবিতা শুনলাম শ্রোতাবন্ধু হারুন অর রশীদের উচ্চারণে। চিঠি ও কবিতার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

আকতার জাহান: অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে কয়েকজন শ্রোতার চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার করছি, সময়ের অভাবে আজ যাদের চিঠি পড়া সম্ভব হচ্ছে না।

  • বাংলাদেশের চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার ছোট জামবাড়িয়া থেকে মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম মিঞা
  • পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার মল্লিকাদহ থেকে হরিদাস রায়
  • কিশোরগঞ্জের খড়ম পট্টি থেকে শরিফা আকতার পান্না
  • একই জেলার ভূবির চর থেকে আতিকুল ইসলাম আতিক
  • কুয়েত সিটি থেকে শাহজালাল হাজারী
  • এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে বিধান চন্দ্র সান্যাল

গাজী আবদুর রশীদ: চিঠি লেখার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আর শ্রোতাবন্ধুরা, আপনারা যারা চিঠি, মতামতসহ বিভিন্নভাবে অংশ নিয়ে অনুষ্ঠানটিতে সমৃদ্ধ করেছেন এবং দীর্ঘসময় ধরে অনুষ্ঠানটি শুনলে তাদের সবাইকে আবারো শুভেচ্ছা জানিয়ে গুটিয়ে নিচ্ছি চিঠিপত্রের আজকের আসর।

আশরাফুর রহমান: কথা হবে আবারো আগামী আসরে। ততক্ষণ সবাই ভালো ও সুস্থ থাকুন।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৪

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

ট্যাগ