সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১ ২১:৪৭ Asia/Dhaka

শ্রোতাবন্ধুরা, আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক প্রীতি আর শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি চিঠিপত্রের আসর প্রিয়জন। আজকের অনুষ্ঠানে আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আব্দুর রশীদ, আমি আকতার জাহান এবং আমি আশরাফুর রহমান।

আশরাফুর রহমান: আজও অনুষ্ঠানের শুরুতেই আমি একটি বাণী শোনাতে চাই। আমিরুল মোমেনীন হযরত আলী (আ.) বলেছেন, মহাক্ষমতাবান ও মহিমান্বিত আল্লাহর কাছে পৃথিবীতে সবচেয়ে পছন্দনীয় আমল হলো ‘দোয়া’ এবং শ্রেষ্ঠ ইবাদত হলো পবিত্রতা ও ধার্মিকতা।”

আকতার জাহান: আমরা সবাই এই মূল্যবান বাণীটির ওপর আমল করার চেষ্টা করব- এ কামনা করে নজর দিচ্ছি চিঠিপত্রের দিকে।

আসরের প্রথম মেইলটি এসেছে বাংলাদেশের চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার ছোট জামবাড়িয়া থেকে। আর পাঠিয়েছেন মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম মিঞা। তিনি লিখেছেন, আমি রেডিও তেহরানের একজন পুরাতর শ্রোতা। ৮০ দশকের শেষ দিক থেকে রেডিও তেহরান শুনে আসছি। দীর্ঘ বিরতির পর বর্তমানে ফেসবুক লাইভে নিয়মিত অনুষ্ঠান শুনছি ও মতামত জানিয়ে লিখছি।

গাজী আবদুর রশীদ: আমাদের অনুষ্ঠানমালা সম্পর্কে তিনি কিছু লিখেননি?

আকতার জাহান: হ্যাঁ, প্রিয়জন অনুষ্ঠান সম্পর্কে আব্দুল হাকিম মিঞা মতামত জানিয়েছেন। লিখেছেন, আপনারা তিনজনে মিলে খুব সুন্দরভাবে শ্রোতাদের চিঠিপত্রের উত্তর দিয়ে থাকেন যা আমার কাছে খুব ভালো লাগে। ভালোলাগার পাশাপাশি কিছু মন্দলাগার বিষয়ও তুলে ধরছি। প্রিয়জনে চিঠির উত্তর দেওয়ার সময় মাঝে মাঝে মিউজিক বাজানো হয়। এতে অনেক সময় নষ্ট হয় বলে আমি মনে করি। কারণ মিউজিক বাজানো সময়টুকুতে আরও অধিক শ্রোতার গুরুত্বপূর্ণ চিঠির জবাব দেওয়া সম্ভব হতো।

আশরাফুর রহমান: অনুষ্ঠানে বৈচিত্র্য আনা এবং একঘেয়েমি দূর করতেই মাঝেমধ্যে মিউজিক বাজানো হয়। কর্তৃপক্ষের নির্দেশ অনুযায়ীই এটা করা হয়। মতামতের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

আকতার জাহান: এ শ্রোতাবন্ধুর চিঠি কিন্তু এখনও শেষ হয়নি। তিনি ইরানের করোনা পরিস্থিতি সম্পর্কে কয়েকটি প্রশ্ন করেছেন। জানতে চেয়েছেন- ইরানের কত শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে এবং কী কী ভ্যাকসিন ব্যবহার করা হচ্ছে?

গাজী আবদুর রশীদ: সাড়ে আট কোটি জনসংখ্যার দেশ ইরানের তিন কোটির বেশি মানুষ ইতোমধ্যে করোনার টিকা নিয়েছেন। এর মধ্যে দুই ডোজ নিয়েছেন এক কোটি আর প্রথম ডোজ নিয়েছেন দুই কোটি মানুষ। আর এদেশে ‘কোভ-ইরান বারাকাত’ টিকার পাশাপাশি চীনের সিনোফার্ম এবং রাশিয়ার স্পুতনিক-৫ টিকাও দেওয়া হয়।

আশরাফুর রহমান: আব্দুল হাকিম ভাই, আপনার প্রশ্নের জবাব দেওয়া হলো। আশা করি কৌতুহল মিটেছে।

আসরের পরের মেইলটি এসেছে ভারতের আসামের বরপেটা জেলার কান্দুলিয়ার সকাল-সন্ধ্যা রেডিও লিসেনার্স ক্লাব থেকে। আর পাঠিয়েছেন সিনিয়র শ্রোতা আব্দুস সালাম সিদ্দিক।

রেডিও তেহরানের সকল কলা-কুশলী ও শ্রোতাবন্ধুদেরকে শরতের সাত রঙের আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি চিঠিটি শুরু করেছেন। লিখেছেন, আমি রেডিও তেহরানের জন্মলগ্নের একজন শ্রোতা। বর্তমান বিশ্বে শর্টওয়েভ বাংলা রেডিও  অনুষ্ঠানগুলো যখন বন্ধ হবার উপক্রম হচ্ছে তখন রেডিও তেহরান আধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে অনুষ্ঠান করে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করছে এবং দিন দিন শ্রোতা সংখ্যা বেড়েই চলছে।

আকতার জাহান: আব্দুস সালাম সিদ্দিক ভাই আরও লিখেছেন, রেডিও তেহরান এমন একটি গণমাধ্যম যার তুলনা সে নিজেই। আমি রেডিও তেহরানকে ভালোবাসার একটি মাত্র কারণ হলো- রেডিও তেহরান আমার জীবনের সাথে সম্পৃক্ত। রেডিও তেহরানকে বাদ দিয়ে আমার জীবনকে আলাদাভাবে দেখা সম্ভব নয়।”

গাজী আবদুর রশীদ: রেডিও তেহরান সম্পর্কে আব্দুস সালাম সিদ্দিক ভাই মূল্যায়ন আমাদেরকে সবসময় প্রেরণা জোগায়। তো, চিঠি ও মতামতের জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

আশরাফুর রহমান: আসরের পরের চিঠিটি এসেছে বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ শহরের খড়ম পট্টি থেকে। আর পাঠিয়েছেন শরিফা আকতার পান্না। তিনি লিখেছেন, ২৩ আগস্ট প্রচারিত প্রিয়জন অনুষ্ঠানটি  কারবালা বিপ্লবের মহানায়ক ইমাম হুসাইন (আ.)-এর একটি মূল্যবান বাণী দিয়ে শুরু হয়। এরপর ছিল চিঠি, সাক্ষাৎকার, কবিতা, প্রাপ্তি-স্বীকার প্রভৃতি বৈচিত্র্যময় বিষয়। রংধনু যে কত শ্রোতা ভালোবাসেন, তা ওই দিনের প্রিয়জনে শ্রোতাদের চিঠিতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। এছাড়া, রেডিও তেহরান নিয়ে আসামের শ্রোতাবন্ধু আব্দুস সালাম সিদ্দিক ভাইয়ের কবিতাটি বেশি ভালো লেগেছে বলে তিনি জানিয়েছেন। 

আকতার জাহান: বোন শরিফা আকতার পান্নাকে ধন্যবাদ প্রিয়জন সম্পর্কে চমৎকার এই চিঠিটির জন্য।

এবারের মেইলটি এসেছে কুয়েত সিটি থেকে আর পাঠিয়েছেন শাহজালাল হাজারী। তিনি লিখেছেন, ৯০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে রেডিও তেহরানের সাথে আমার পথচলা। গণমাধ্যম হলেও সে আমার প্রকৃত বন্ধু। ঈমান, ইসলাম আর সহীহ আকিদার আলোকে ইসলামের বাণী প্রচারের মাধ্যমে আমাদের চিন্তার বিশুদ্ধকরণে একজন ‘দাঈ ইল্লাল্লাহু’র ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে এ বেতারটি। আমার দৃষ্টিতে রেডিও তেহরান ভুলে ভরা সমাজকে পরিবর্তন করার জন্য, মানুষকে নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করার জন্য  নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে যার প্রতিটি অনুষ্ঠানই সত্য সুন্দর ও বাস্তবতার আলোকে আখেরাতমুখী। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের পাশাপাশি নানান কল্যাণমুখী ও সুস্থ বিনোদনে ভরপুর প্রতিটি অনুষ্ঠানই যেন আমাদের চিন্তার জগতকে আলোকিত ও প্রসারিত করে যাচ্ছে। উপসংহারে এসে বলব- আমাদের ক্ষণিকের জীবনে রেডিও তেহরানকে সঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করলে আমরা কখনো আল্লাহর রহমতে পথভ্রষ্ট হব না- ইনশাআল্লাহ।”

গাজী আবদুর রশীদ: রেডিও তেহরান সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন আমাদেরকে প্রাণিত করেছে। তো প্রবাসের শত ব্যস্ততা সত্ত্বেও চিঠি লেখার জন্য শাহজালাল হাজারী ভাই আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

আশরাফ ভাই, বেশ কিছু চিঠির জবাব তো দেওয়া হলো। এখন একজন শ্রোতার সঙ্গে কথা বলতে মন চাচ্ছে। কেউ কি লাইনে আছেন এ মুহূর্তে?

আশরাফুর রহমান: হ্যাঁ, টেলিফোনের অপর প্রান্তে এ মুহূর্তে অপেক্ষা করছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের শ্রোতাবন্ধু হাফিজুর রহমান। তার পুরো পরিচয় তার কাছ থেকেই জেনে নেয়া যাক। 

আশরাফুর রহমান: বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ সদরের ভূবিরচর থেকে আতিকুল ইসলাম আতিক পাঠিয়েছেন এবারের মেইলটি। তিনি আইআরআইবি ফ্যান ক্লাব কিশোরগঞ্জের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও নরসুন্দা বেতার শ্রোতা পরিবারেব সভাপতি।

আতিক ভাই লিখেছেন, আমি রেডিও তেহরান-এর একজন নবীন শ্রোতা। এ বেতারের যে দিকটি সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে তা হলো, শ্রোতাদের মতামতের মূল্যায়ন দেওয়া। চিঠিপত্রের আসর প্রিয়জনের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ মতামতগুলো পার্সটুডে ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়। শ্রোতাদের সাথে এমন হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক আর কোনো বেতার কেন্দ্রের নেই।

ঢাকাস্থ ইরান সাংস্কৃতিক কেন্দ্র থেকে প্রকাশিত নিউজলেটার পত্রিকার মাধ্যমে স্কুল জীবনে তিনি পারস্য সংস্কৃতি, ফিলিস্তিনের হামাস, ইয়াসির আরাফাত, গাজা উপত্যকা, পশ্চিম তীরসহ নানা বিষয়ে জানতে পারেন বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন। সেইসাথে নিউজলেটারের প্রিন্টেড কপি শ্রোতাদের কাছে পাঠানোর অনুরোধ করেছেন।

আকতার জাহান: ভাই আতিকুর রহমান, রেডিও তেহরান সম্পর্কে আপনার মতামত জেনে ভালো লাগল। আর আপনি হয়তো জেনেছেন যে, করোনা মহামারির কারণে নিউজলেটার পত্রিকা ছাপানো হচ্ছে না। আবারো ছাপানো শুরু হলে শ্রোতাদের কাছে পৌঁছানোর পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। চিঠি লেখার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

আসরের পরের মেইলটি এসেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগণার জেলার মহেন্দ্রনগর অগ্রগামী ক্লাব থেকে। আর পাঠিয়েছেন ভাস্কর পাল।

তিনি লিখেছেন, গত ৩১ আগস্ট সান্ধ্য অধিবেশনে 'গল্প ও প্রবাদের গল্প' অনুষ্ঠানে প্রচারিত এক চালাক দর্জির গল্প আমার মন ছুঁয়ে গেছে। গল্পের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভীষণভাবে উপভোগ করেছি। এমন মনোমুগ্ধকর, শিক্ষামূলক একটি গল্প উপহার দেওয়ার জন্য রেডিও তেহরানকে ধন্যবাদ জানাই।’

গাজী আবদুর রশীদ: একই অনুষ্ঠান সম্পর্কে আরেকটি মেইল এসেছে বাংলাদেশের ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার বন্ধন অ্যান্ড লাকী শ্রোতা সংঘ থেকে। আর পাঠিয়েছেন ক্লাব সভাপতি নজরুল ইসলাম।

তিনি লিখেছেন, ২৪ আগস্ট প্রচারিত ‘গল্প ও প্রবাদের গল্প’ অনুষ্ঠান আমাকে দারুণভাবে আকৃষ্ট ও আলোড়িত করেছে। দু'টি কবুতরের সংসার জীবনের হাসি কান্নার কাহিনী এখানে তুলে ধরা হয়েছে যা আমাদের শ্রোতাদের অনেক উপকারে আসবে বলে মনে করি। পরিবারে সন্দেহের বশবর্তী হয়ে আমরা নিজের অজান্তে অনেক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি যা আমাদের ভবিষ্যৎ জীবনকে দূর্বিষহ ও বিষময় করে তোলে।”

আশরাফুর রহমান: ‘গল্প ও প্রবাদের গল্প’ অনুষ্ঠান সম্পর্কে মতামত জানানোর জন্য নজরুল ইসলাম ও ভাস্কর পালকে ধন্যবাদ। আশা করি আমাদের অন্যান্য অনুষ্ঠান সম্পর্কেও লিখবেন।

শ্রোতাবন্ধুরা, আপনারা নিশ্চয়ই জেনেছেন যে, সম্প্রতি রেডিও তেহরানের গ্রুপ নিস্ক্রিয় করে দিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। এ সিদ্ধান্তে প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশের জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থেকে একটি মেইল পাঠিয়েছেন হারুন অর রশীদ।

তিনি লিখেছেন, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের শীর্ষ স্থানে থাকা 'আইআরআইবি' বাংলা বিভাগের ৯৪ হাজার সদস্যের একটি সুপ্রতিষ্ঠিত গ্রুপকে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ নিস্ক্রিয় করে দিয়েছে কোনোরকম কারণ ছাড়াই। এটা খুবই বেদনাময় ও দুঃখজনক ঘটনা। ৯৪ হাজার ভক্ত হৃদয়কে জখম করে দিয়ে ফেসবুক কী বোঝাতে চেয়েছে তা বোধগম্য নয়। গ্রুপের একজন সক্রিয় সদস্য হিসেবে আমার অনুরোধ- গ্রুপটিকে যেন ফিরিয়ে দেয়া হয়।”

আকতার জাহান: রেডিও তেহরানের ফেসবুক গ্রুপ ডিজেবল করে দেওয়ার সমালোচনা করে কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক শাহাদত হোসেন লিখেছেন, আমার কাছে মনে হয়, এটি ৯৪ হাজার মানুষকে স্তব্ধ করে দেয়ার চেষ্টা। আমরা ফেসবুক কর্তৃপক্ষের এমন ব্যবহারের নিন্দা জানাই। আর দাবি জানাই, অনতিবিলম্বে যেন রেডিও তেহরানের ফেসবুক গ্রুপ খুলে দেয়া হয়।”

গাজী আবদুর রশীদ: ফেসবুক কর্তৃপক্ষের অমানবিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে ফেসবুকে মতামত জানিয়েছেন বাংলাদেশ ও ভারতের অনেকেই। তাদের কয়েকজন হলেন-

বিধান চন্দ্র সান্যাল, ভাস্কর পাল, সোহেল রানা হৃদয়, আবদুল হান্নান, মো. মোস্তফা কামাল, হাসিবুর রশিদ, মাহফুজুর রহমান, জহুরুল ইসলাম, শাহীনুর রহমান ডিএক্সার, সালমান ফার্সি, শাহজালাল সাদি, নুরুল আজম হাওলাদার, মুহাম্মদ রকিবুল হুদা, খান মো. নাছির উদ্দন, শরিফা আক্তার পান্না, মো. সাগর মিয়া, রাসেল সিকদার প্রমুখ।

আশরাফুর রহমান: ফেসবুক কর্তৃপক্ষের অন্যায় সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানানোয় আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।

তো বন্ধুরা, দেখতে দেখতে আমাদের আজকের আসরের সময় ফুরিয়ে এসেছে। বিদায় নেওয়ার আগে আপনাদের জন্য রয়েছে একটি গান।

আকতার জাহান: আপনার গানটি শুনতে থাকুন আর আমরা বিদায় নিই প্রিয়জনের আজকের আসর থেকে।

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।

ট্যাগ